বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল আনন্দ টিভির পাবনা প্রতিনিধি এবং অনলাইন পোর্টাল জাগ্রত বাংলার সম্পাদক ও প্রকাশক সুবর্ণা নদী হত্যা মামলার এজারভূক্ত আরেক আসামি শামসুজ্জামান মিলনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
র্যাব-১২ এর অধিনায়ক উইং কামান্ডার আব্দুল আহাদ মিলনকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি চ্যানেল আই অনলাইনকে নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে রাজধানীর পুরান ঢাকার আরমানিটোলা থেকে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এর আগে গত ২৯ আগস্ট বুধবার মামলার প্রধান আসামি পাবনা শহরের সিমলা হাসপাতাল অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক শিল্পপতি আবুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
র্যাব জানায়, ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল ৩ নং আসামি মিলন। সে মামলার প্রধান আসামি আবুল হোসেনের ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতো। আবুল হোসেনের গ্রেপ্তারের খবর শুনে মিলন বাড়িতে না থেকে পাবনা শহরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে। পরে খুলনা হয়ে সে আরমানিটোলায় আত্মীয়র বাসায় অস্থান করে।
গোপন সূত্রে এই সংবাদ পেয়ে র্যাব-১২, সিপিসি-২ পাবনা ক্যাম্পের একটি দল শনিবার রাতে অভিযান চালিয়ে মিলনকে গ্রেপ্তার করে। মামলার অন্যান্য আসামিদেরও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানায় র্যাব।
নিহত নদী পাবনা পৌর সদরের রাধানগরে ভাড়া বাসায় থাকতেন তার একমাত্র ৭ বছরের শিশুকন্যাকে নিয়ে। ২৮ আগস্ট মঙ্গলবার রাতে তিনি অফিস থেকে কাজ সেরে বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই কয়েকজন তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়।
পরে তাকে উদ্ধার করে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় পরদিন বুধবার নদীর মা মর্জিনা বেগম তিন জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জনকে আসামি করে পাবনা সদর থানায় মামলা করেন।







