সাংবাদিকতার উন্নয়ন ঘটালেই মুক্তিযোদ্ধা ও সাংবাদিক বজলুর রহমানকে সম্মান জানানো হবে বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিবেদক সোমা ইসলামসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের হাতে ‘বজলুর রহমান স্মৃতি পদক’ তুলে দিয়ে এই কথা বলেন তিনি।
এবছর এই পদক অর্জন করেছেন চ্যানেল আইয়ের বিশেষ প্রতিবেদক সোমা ইসলাম। তিনি কলকাতার বিভিন্ন স্থান ঘুরে ঘুরে, বিভিন্ন জনের সাক্ষাৎকার নিয়ে, মুক্তিযুদ্ধে কলকাতার অবদান বিষয়ে সিরিজ রিপোর্ট করায় এই পদক পেয়েছেন।
এছাড়া যুগান্তর পত্রিকার সিনিয়র সাংবাদিক রীতা ভৌমিকও এ পদক পান।
এসময় রাষ্ট্রপতি বলেন, পেশাদার সাংবাদিক বজলুর ভাই ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক। স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্যও বিশেষ ভূমিকা রাখেন তিনি। তিনি চাইতেন দেশে গণতন্ত্রের চলার পথ মসৃণ হোক। তাই যখনই আঘাত এসেছে বজলুর রহমান তার প্রতিবাদ করেছেন। বজলুর রহমান সবসময় সহজ সরল জীবন যাপন করে গেছেন। গণতন্ত্রের পক্ষে জনমত তৈরিতে এই কলমসৈনিক কাজ করেছেন সবসময়।
রাষ্ট্রপতি আরো বলেন, বর্তমানে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক পূর্ণ স্বাধীন থেকে তাদের দায়িত্ব পালন করছে।
দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাই পারে তাদের উন্নত স্থানে নিয়ে যেতে। সংবাদ ও মতামত পরিবেশনে
বজলুর রহমান বেঁচে আছে, বেঁচে থাকবেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি সারা যাকের।
বজলুর রহমান বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাংবাদিক এবং মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ২০১২ সালে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের জন্য স্বাধীনতা পদক লাভ করেন। তার জন্ম ৩ আগস্ট ১৯৪১ এবং মৃত্যু ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৮।










