রাজনৈতিক দলগুলোর মদদ এবং প্রশাসনের সমন্বয়হীনতার কারণে ইউপি নির্বাচনে
সহিংসতা রোধ করা কঠিন হচ্ছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
শেষ দফা ইউপি
নির্বাচনে প্রাণহানি এবং সহিংসতা বন্ধে আইন-শৃংঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা জোরদার
করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। চিঠিতে সংখ্যালঘু ও
নারী ভোটাদের নিরাপত্তাও চেয়েছে তারা।
প্রথমবারের মত দলীয় প্রতীকে ৬ ধাপের ইউপি নির্বাচনের পঞ্চম দফা শেষ হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতায় এখন পর্যন্ত প্রাণহানি হয়েছে ১শ’১৬ জনের। বাকি আছে আর মাত্র একটি ধাপ। শনিবারের শেষ দফা ইউপি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে প্রশাসনের ভূমিকা জোরদার করে নির্বাচনী এলাকাগুলোতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর শতভাগ দায়িত্ব পালনসহ প্রশাসনের সব পর্যায়ে সমন্বয় চেয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছে তারা। 
নির্বাচন কমিশন সচিব মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম বলেন, কিছু কিছু অনিয়ম ঘটেছে। সেটা যাতে না ঘটে সে জন্য প্রত্যেকেরই দায়িত্ব পালন করা উচিত। এখানে রাজনৈতিক দল, কর্মী এবং প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থী যারা রয়েছেন তাদের এবং তাদের সমর্থকদের দায়িত্ব রয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনেরও দায়িত্ব রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি। শেষ ধাপের নির্বাচনটি আরো সুষ্ঠু হবে। আর এটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। সে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে আমরা প্রস্তুত রয়েছি।
ব্যালট বাক্স ছিনতাই ঠেকানো আর প্রাণহানি বন্ধ করার পাশাপাশি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতন বন্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইসি সচিব।
সিরাজুল ইসলাম বলেন, নির্বাচনী এলাকায় সংখ্যালঘু এবং নারী ভোটারদের নিরাপত্তার কথা বলেছি।
শেষ দফা ইউপি নির্বাচনে প্রাণহানি বন্ধে রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে সহযোগিতা চেয়েছে নির্বাচন কমিশন।







