বাংলাদেশ ও ভারতের দুই প্রধানমন্ত্রী যৌথ ঘোষণায় ৭টি যৌথ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর উম্মোচন করেছেন। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারকেও সই করেছেন।
শনিবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এসব প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তুত উন্মোচন করেন। এর মধ্যে রয়েছে-দ্বি-পক্ষীয় বাণিজ্য চুক্তি, উপকূলীয় জাহাজ চলাচল চুক্তি, অভ্যন্তরীণ নৌ ট্রানজিট প্রটোকল, কলকাতা-ঢাকা-আগরতলা এবং ঢাকা-শিলং-গুয়াহাটি বাস চলাচল, দু’দেশের মধ্যে রেল চলাচল, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-ত্রিপুরা সীমান্ত হাট, শিলিগুড়ির রবীন্দ্র ভবন, ফেনী নদীর উপরে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী সেতু-১, কুলাউড়া-শাহজিবাজার রেলপথ, সারদা পুলিশ অ্যাকাডেমিতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী ভবন উদ্বোধন, বিএসটিআইয়ের আধুনিকায়ন করা, সাংস্কৃতিক বিনিময়।
‘সমঝোতা স্মারক’- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও নয়াদিল্লির জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারক। যৌথ উদ্যোগে বঙ্গোপসাগরে গবেষণার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমুদ্র বিজ্ঞান বিভাগ এবং কাউন্সেল অফ সায়েন্টিফিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ইন্ডিয়ার মধ্যে সমঝোতা স্মারক। ইন্টারনেটের আন্তর্জাতিক ব্যান্ডউইথ লিজ বিষয়ে বিএসএসএল ও বিএসএসএলের মধ্যে এমওইউ।
দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে নথি বিনিময়- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফরে ১৯৭২ সালে কলকাতায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বক্তব্যের রেকর্ডের একটি সিডি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলেন দেন নরেন্দ্র মোদি। স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন সম্পর্কিত সংবিধান সংশোধনের ভারতীয় পার্লামেন্টের অধিবেশনের নথিও হস্তান্তর করা হয়।
১৯৭১ সালে পাকিস্তানের আত্মসমর্পনের দলিলে স্বাক্ষরের একটি আলোকচিত্র নরেন্দ্র মোদির হাতে তুলে দেন শেখ হাসিনা।







