আনপ্রেডিক্টেবল শব্দটা যে তাদের সঙ্গে ভালোভাবেই মানানসই সেটা আরেকবার প্রমাণ করল পাকিস্তান। সহজ ম্যাচ কিভাবে হাতছাড়া করতে হয় তার আরেকটি উদাহরণ সৃষ্টি করে আবুধাবি টেস্টে শ্রীলঙ্কার কাছে হেরেছে তারা। ১৩৬ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ২১ রানে হারে সরফরাজ আহমেদের দল।
প্রথম ইনিংসে শ্রীলঙ্কার করা ৪১৯ রানের জবাবে ৪২২ রান করেছিল পাকিস্তান। ইয়াসিরের ঘূর্ণিতে দ্বিতীয় ইনিংসে লঙ্কানরা মাত্র ১৩৮ রানে গুটিয়ে গেলে পাকিস্তানের জয়ের জন্য লক্ষ্য দাঁড়ায় ১৩৬। সেই রান তাড়া করতে গিয়ে মাত্র ১১০ রানেই শেষ হয় তাদের ইনিংস।
পাঁচ উইকেট শিকার করে ব্যাটসম্যানদের কাজটা সহজ করে দিয়েছিলেন ইয়াসির শাহ। কিন্তু ব্যাট হাতে শ্রীলঙ্কান বোলারদের সামনে কোমর সোজা করতে পারেননি কোনও পাকিস্তানি ব্যাটসম্যানই। সামি আসলাম (২), আজহার আলী (০), সান মাসুদ (৭), বাবর আজম (৩) ও আসাদ শফিক (২০) দলীয় ৩৫ রানেই সাজঘরে ফেরেন টপঅর্ডারের পাঁচ ব্যাটসম্যান।
অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ করতে পারেন মাত্র ১৯ রান। সর্বোচ্চ ৩৪ রান করা হারিস সোহেল আউট হওয়ার পরই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় পাকিস্তান। ৪৮ ওভার ব্যাট করে ১১০ রানে অলআউট হয় দলটি।
প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেট নেয়ার পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৩ রানে ৬ উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা রঙ্গনা হেরাথ। ৩ উইকেট নিয়েছেন দিলরুয়ান পেরেরা।
গত ২০ বছরের মধ্য প্রথমবার ১৫০ রানের নিচের টার্গেটে পৌঁছাতে ব্যর্থ হল পাকিস্তান। ১৯৯৭ সালে ঘরের মাঠে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ১৪৬ রানের টার্গেটে ৯২ রানে অলআউট হয়েছিল তারা।
দারুণ জয়ের দিনে ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে হেরাথ উঠে গেছেন অনন্য উচ্চতায়। টেস্ট ইতিহাসের প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে নাম লিখিয়েছেন ৪০০ উইকেট নেয়ার কীর্তিতে! ৩৯ বছর বয়সে এসে ৪০০ উইকেট পাওয়া ক্লাবে ১৪তম বোলার তিনি। ম্যাচে তার ১০ উইকেট হল ৯ বার। সামনে কেবল ওয়ার্ন (১০) ও মুরালিধরন (২২)।







