নীলফামারিতে তামাক আবাদি জমিতে উচ্চ ফলনশীল সরিষা আবাদ শুরু হয়েছে। এতে আবাদি ক্ষেত চার ফসলি হলেও সরিষা ক্ষেতে শুরু হয়নি মৌ চাষ। এতে যেমন সম্ভব হচ্ছে না মধু উৎপাদন করা একইভাবে বাড়ানো যাচ্ছে না সরিষার ফলনও।
আমন ধান কাটার পর পতিত পড়ে থাকা জমিতে একসময় তামাক চাষ করতেন কৃষক। এবার সেই জমিতেই তামাকের পরিবর্তে আবাদ হচ্ছে উচ্চফলনশীল জাতের সরিষা। এতে এক ফসলি জমি পরিণত হলেও সরিষা ক্ষেত থেকে মধু আহরণ করে বাড়তি আয় বা সরিষার ফলন বৃদ্ধির বিষয়টি জানেন না অনেকেই।
কৃষকরা বলছেন: আমরা সরিষার আবাদ করি ঠিকই। কিন্তু এখান থেকে মধু উৎপাদন করা যায় সেটা আমাদের জানা ছিলো না। আগামীতে কেউ আমাদের এ ব্যাপারে বুদ্ধি-পরামর্শ দিলে আমরা উপকৃত হবো। আমরা মধু উৎপাদন করতে পারবো
আগামীতে কৃষককে সঠিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ দেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক গোলাম মোঃ ইদ্রিস বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ৩০ থেকে ৪০টি মধুর বাক্স বিতরন করেছি। এরমধ্যে ৪০ থেকে ৫০ কেজি মধু আহরণও করা হয়েছে। সামনে আরও মধুর বাক্স বিতরন করা হবে। আশা করা হচ্ছে এই মধুর পরিমান ১০০ লিটারে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে।
বারি সরিষা ১৪ ও ১৫ আবাদে বিঘা প্রতি কৃষকের খরচ হয়েছে তিন হাজার থেকে তিন হাজার পাঁচশ’ টাকা। প্রতি বিঘায় সরিষার ফলন আসে ছয় থেকে সাত মণ। যার বাজারমূল্য নয় হাজার থেকে ১০ হাজার পাঁচশ’ টাকা।






