চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

এনজিওদের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের পেছনের কথা এবং অভিন্ন নীতিমালা

এখলাসুর রহমান এখলাসুর রহমান
১১:৫৬ পূর্বাহ্ণ ০৭, অক্টোবর ২০১৭
মতামত
A A
এনজিও সংস্থার বিশ্বজনীন সহযোগিতা চিত্র. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশে কতসংখ্যক এনজিও আছে তার সঠিক পরিসংখ্যান বলা খুবই দুঃসাধ্য। সব এনজিও’র কেন্দ্রীয় কার্যালয় ঢাকায় নয়। কোনটির ঢাকায়, কোনটির জেলায় আর কোনটির নির্বাহী পরিচালকের বসতবাড়িতে। এখানে নেই কোন নিয়োগ বিধিমালা, নেই বদলি নীতিমালা ও নেই নিয়োগপ্রাপ্তদের চাকরির নিশ্চয়তা ও চাকরি শেষে আর্থিক নিরাপত্তা।

বিভিন্ন জেলার ও হাওড়পাড়ের অনুন্নত গ্রামগুলোর মধ্যে তাদের পছন্দমত কিছু গ্রামকে তাদের কর্ম এলাকা হিসেবে বেছে নেয় এখানে নেই কোন কর্মঘন্টা, নিয়োগ প্রাপ্তদের আবাসনের সুব্যবস্থা। কর্তার ইচ্ছা অনিচ্ছাই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রণয়ন করে। এসব এনজিও’র ছুটির দিনও ভিন্ন।কোনটার ছুটি শুক্রবারে, কোনটার শুক্র ও শনি দু’দিন।

কিশোরগঞ্জ জেলার একটি হাওর বেষ্ঠিত ইউনিয়ন ছাতিরচর। বাংলাদেশের অধিকাংশ এনজিও’র ই চোখ এই ইউনিয়নের দিকে। এই ইউনিয়নটি অন্যদের থেকে সম্পূর্ন ভিন্ন। এখনও নদীর ঘাটেই তারা মলমূত্র ত্যাগ করে ও গোসলও করে। হয়তো নদীতে ডুব দিয়ে ভেসে দেখবে মলমূত্র কিংবা কোন মরা প্রাণী ভেসে যাচ্ছে।

স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা গেছে বিদেশি দাতাগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা এই এলাকা পরিদর্শনে যখন আসে তখন তারা নৌকা হতে নামতেই পারছিলো না পায়খানার জন্য। এরপর মলের উপর দিয়ে বাঁশ বস্তা ফেলে তাদের নৌকা হতে নামতে দেয়া হয়। এই ইউনিয়নটির আয়তন প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার লোকসংখ্যা প্রায় ১৬,০০০। এটা ছিল একটি গ্রাম। দুর্গম এলাকা বিধায় একটি গ্রামকেই ইউনিয়নে রূপান্তর করে দেয় সরকার। এখানকার মানুষ মাটিতে বস্তা বিছিয়ে ঘুমায় অনেকেই। পায়খানা দূরে বিধায় রাতে ঘরের ভিতরেই প্রস্রাব করে বেশির ভাগ মানুষ। আগে এই গ্রামটিকে বেছে নিয়েছিল সশস্ত্র কমিউনিষ্ট মুহাম্মদ তোয়াহার সাম্যবাদী দল। এই অশিক্ষিত হতদরিদ্র মানুষগুলোকে দিনবদলের স্বপ্ন দেখিয়ে তাদের দলে ভিড়িয়ে অস্ত্র তুলে দিয়েছিল। এখানকার মানুষের মুখে মুখে আজও সেদিনের সেই মুজিববাদী ও সাম্যবাদীদের খুনোখুনি।

সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ এই গাঁয়ে এসেছিল সাম্যবাদী সশস্ত্র কর্মীদের ধরতে। এখানকার আঞ্চলিক নেতা ছিল ইয়াকুব আলী প্রফেসর। দিনবদল হলো না যারা স্বপ্ন দেখালো তারা এখন বিভিন্ন দলে যোগ দিয়েছে।

নদী ভাঙ্গনের ভয় ওই এলাকার লোকদের নিত্যসঙ্গী। সাধারণ জনগণের আক্ষেপ কিশোরগঞ্জে অনেক ক্ষমতাধর ব্যক্তি থাকা স্বত্তেও তাদের বসতবাড়ি রক্ষার জন্য একটি প্রতিরক্ষা দেয়াল হল না। এখানে যাদের সামর্থ্য আছে তাদের বিকল্প বাড়ি রয়েছে। অনেকেই বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ায় উদ্বাস্তু হয়ে ঢাকায় চলে গেছে। তাদের পাওয়া যায় কমলাপুর রেল স্টেশন,বসুন্ধরা সিটি, সাতরাস্তার মোড়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান প্রভৃতি স্থানে চা বিক্রি করতে।

Reneta

সরকার এদের প্রতি মনোযোগী না হওয়ায় এরা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী হিসাবেই রয়ে গেছে। আর তাদের এই পিছিয়ে পড়া অবস্থা প্রদর্শন করিয়ে এখন এনজিওরা তৎপর রয়েছে বিদেশি অনুদান সংগ্রহে। তারা লঞ্চের উপরে ভাসমান বিদ্যালয় ও ভাসমান হাসপাতাল পরিচালনা করেছে কিছুদিন। সংগ্রহিত অর্থ শেষ হয়ে গেলে আবার দাতাসংস্থার আনাগোনা বাড়ে। উদ্দেশ্য নতুন ফান্ড সংগ্রহ। হাওড়ের শিক্ষিত তরুণ তরুণীরা এনজিওদের এসব বিদ্যালয়ে অতি স্বল্প বেতনে চাকরি করে থাকে। কারও বেতন ৫,০০০টাকা ও কারও ৫০০টাকা। ফান্ড বন্ধ হয়ে গেলে নতুন ফান্ড না পাওয়া পর্যন্ত এই বেতনও কমে যায়।বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করছেন কর্মকর্তারা. Channel i News - চ্যানেল আই নিউজ

বাংলাদেশের হাওর এলাকার অনুন্নত গ্রামগুলোকেই তাদের কর্ম এলাকা হিসাবে বেছে নেয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, দুর্যোগ ও সামাজিক নিরাপত্তা প্রভৃতি খাতে সরকারের ব্যর্থতার জন্যই এনজিওদের এসব কার্যপরিচালনার সুযোগ থাকে। নেত্রকোণায় অবস্থিত স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতির প্রধান কার্যালয়। অফিসটি একটি গ্রামে। সৌহার্দ ২ নামের একটি প্রকল্প কেয়ার বাংলাদেশের মাধ্যমে তারা পেয়েছিল। সৌহার্দ হাওর পাড়ের মানুষদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করে থাকে। আর কেয়ার বাংলাদেশ একটি আমেরিকান সংস্থা। এরা কেবলই হাওর এলাকায় কাজ করে। তারা বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে দেখিয়ে অনুদান সংগ্রহ করে থাকে। যেসব এলাকায় সরকার রাস্তাঘাট ও ব্রিজ কালভার্ট ও বন্যা নিরোধক প্রক্রিয়ায় কোন ভূমিকা নেয়না সেসব এলাকাকেই তারা কর্মএলাকা হিসেবে বেছে নেয়।

তারা ল্যাট্রিন,শিক্ষা উপকরণ হাঁস মুরগি, ছাগল গরুও দিয়ে থাকে। স্বাবলম্বী উন্নয়ন সমিতি শত চেষ্টা করেও সৌহার্দ ৩ পেলো না। পেয়ে যায় পপি, আহসানিয়া মিশনসহ অন্য কিছু এনজিও। কেন পেলো না স্বাবলম্বী? তবে কি পপি ও আহসানিয়া মিশন পাবে না সৌহার্দ ৪। সৌহার্দের এই ক্রমিকগুলোর শেষ কবে?

এই প্রকল্প যারা পায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে কেন? দুঃস্থদের মাঝে অনুদান বিতরন স্বচ্ছ প্রক্রিয়াতেই হয়।মানুষ বলে চেয়ারম্যান মেম্বারদের কাছে সাহায্যের তালিকাভূক্ত হলে ঘুষ দিতে হয় কিন্তু এনজিওতে তা নেই। প্রতিটি কর্ম এলাকায় এনজিওদের প্রতিনিধি থাকে। এসব এনজিও কর্মীর সাথে মানুষের সুসম্পর্কও বিরাজমান। কিন্তু সমস্যা হয় উপরে। বাইরের দেশ হতে অনুদান সংগ্রহকারী কেয়ার বাংলাদেশের কর্মকর্তা কর্মচারীরের বেতন কাঠামো ও টি,এ ডি এ কত তাও জানা সম্ভব না। জানা যায় অনুদান হতে তাদের উচ্চ বেতন ধার্য করে একটা বড় অংশ তারা রেখে দেয়।

কেয়ার বাংলাদেশ মানে কোঅপারেটিভ ফর আমেরিকান রিলিফ। কিন্তু অনুদান আনে অন্য দেশ হতেও। অথচ নামকরণের মধ্যেই আমেরিকান রিলিফ প্রচার। ব্র্যাক, গ্রামীন ব্যাংক, আহসানিয়া মিশন, পপি, স্বাবলম্বী, উবিনিগ, কারিতাস,পল্লী প্রগতি, পদক্ষেপ, উদ্দীপন প্রভৃতি বাংলাদেশের সকল এনজিও বিদেশি দাতা গোষ্ঠীর অনুদানের জন্য মুখিয়ে থাকে। অথচ এসব অনুদানের সিংহভাগই চলে যায় এনজিও’র কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন খাতে। এসব অনুদানের সমন্বিত কোন পরিকল্পনা নেই। সমন্বিত এনজিও’র কোন ছুটি, কর্মঘন্টা ও বদলি নীতিমালাও নেই।

কোন এনজিও শুক্র ও শনিবার দু’দিনই বন্ধ থাকে আবার কোন এনজিও কেবলই শুক্রবারে বন্ধ থাকে। কেন এনজিওতে একটি অভিন্ন ছুটির দিন দেয়া হচ্ছে না? এনজিওরা বলে নারীর ক্ষমতায় ও নারীর নিরাপত্তার কথা। আর নিজেরা প্রতিনিয়ত নারীদের অনিরাপদ অবস্থায় ঠেলে দেয়। প্রত্যন্ত হাওর এলাকায় কর্ম এলাকা নির্বাচিত করে তাদের নিয়োগ দিয়ে পাঠায়। কিন্তু নিয়োগ কর্তৃপক্ষ তাদের নিরাপদ আবাসন নিয়ে ভাবে না। অধিকাংশ এনজিও’র হাওর এলাকার কার্যালয়ে নেই কোন অতিথি কক্ষ যেখানে নতুন নিয়োগ প্রাপ্তরা আপাতত উঠে আবাসন খুঁজতে পারে। তাদের কাছে কর্মঘন্টা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না হওয়ায় নারী কর্মীদের দিয়ে রাতেও কাজ করানো হয়। ফলে উর্ব্ধতনদের সাথে অধঃস্থন কিংবা একই পদমর্যাদার কর্মীদের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্কের বিষয়েও অনেক কথা প্রচলিত আছে।

কিছুদিন আগে কিশোরগঞ্জের একটি হাওড় এলাকায় একজন নারী কর্মীকে উত্যক্ত করেছিল তার সহকর্মী ও বস। পরে বিষয়টা জানাজানি হলে নারী কর্মীকে বদলি করে দেয়া হয় আরেক হাওড় এলাকায়।এরকম অসংখ্য নজীর রয়েছে হাওর পাড়ের এনজিও গুলোতে। অনেক অফিসে নৈশ প্রহরীর সহায়তায় উর্ধ্বতনরা এরকম অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এক্ষেত্রে এর সমাধান কর্মঘন্টার পরে অফিস তালাবদ্ধ নয় কি? কিছুদিন আগে ব্র্যাকের এক কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত হয়ে স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনেছিল।

কিছুদিন আগে আরেকজন উন্নয়ন কর্মী সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, বাংলাদেশে সব এনজিওতেই এই অবস্থা। সরকারের বিভিন্ন দুর্বলতার সুযোগে এমন কোন কুকর্ম নেই এরা করে না। আমি নিজে একটি এনজিওতে ২০ বছর ব্রাঞ্চ ম্যানেজার হিসেবে ছিলাম। এখানে পরিবার, সংসার, সমাজ, আত্মীয়স্বজন,স্বাধীনতা বলতে কিছু নেই। নিয়ম নীতি নেই। কর্তাদের যা ইচ্ছা হবে তা-ই আইন। কথায় কথায় বদলি, চাকরিচ্যুতি করা হয়। যৌবন যতদিন বসের ইচ্ছা যতদিন ততদিন চাকরি আছে। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের তিল থেকে তাল হলেই চাকরি নাই। অথচ হেড অফিসে এমন কোন অপকর্ম নাই এরা করে না। সরকারকে বিভিন্নভাবে ভুল বুঝানো হয়, দারিদ্র দূর করার নামে মানুষকে সুদের জালের মধ্যে ঢুকানো হয় যা থেকে সে কখনও বের হতে না পেরে খেলাপি হয়। মূলত গরীব মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নেয়া হয়। ‘

দেশের প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিটি গ্রামই কোন না কোন এন,জি,ও সম্পৃক্ত। বেকাররা নিয়োগের জন্য আবেদন করে দরখাস্ত দিলেও উর্ধ্বতনের সাথে লবিং না করলে তাদের ডাকে না। ডাকলেও কোন লিখিত পরীক্ষা হয় না অনেক ক্ষেত্রেই। হলেও তা নামকাওয়াস্তে। কর্তার ইচ্ছা,অনিচ্ছাই এখানে মুখ্য। এনজিওদের কার্যক্রম দেখার জন্য সক্রিয় কোন মন্ত্রণালয়ও নেই। সরকার কি পারে না একটি অভিন্ন এনজিও নীতিমালা চালু করতে?

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: এনজিও
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

মেটলাইফে সেই বিষাদগাঁথা স্মৃতি ও একদশক পর মেসির মহাকাব্যিক প্রত্যাবর্তন

জুলাই ১৮, ২০২৬

সন্ধ্যার পর শিক্ষার্থীদের বাইরে ঘোরাফেরায় নিষেধাজ্ঞা

জুলাই ১৮, ২০২৬

হামের উপসর্গে আরও চার শিশুর মৃত্যু, মোট মৃত্যু ৭৮৪

জুলাই ১৮, ২০২৬

গোসল করানো ৫ মাসের ইয়ামালই ফাইনাল প্রতিপক্ষ মেসির, কী সেই ছবির ইতিহাস

জুলাই ১৮, ২০২৬

এক ঐতিহাসিক রেকর্ডের দ্বারপ্রান্তে লিওনেল মেসি

জুলাই ১৮, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT