চ্যানেল আই অনলাইন
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • স্বাস্থ্য
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সরকারি বিজ্ঞাপন কেন শুধুমাত্র মুদ্রিত সংবাদপত্রে?

কবির য়াহমদকবির য়াহমদ
২:৩০ অপরাহ্ন ১৪, আগস্ট ২০১৭
মতামত
A A
নবম ওয়েজ বোর্ড

সাংবাদিকদের জন্য আলাদা বেতন-কাঠামো এবং কিছু পত্র-পত্রিকাকে ‘রাবিশ’, ‘বোগাস’ হিসেবে মন্তব্য করে আবারও আলোচনায় এসেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

তিনি গত ৮ আগস্ট সচিবালয়ে অর্থ-মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে নিউজ পেপারস ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (নোয়াব) নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন বিষয়ে সাংবাদিকদের কোন সুখবর শোনাননি, উপরন্তু শ্রুতিকটু ভাষায় আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেছেন।

ওই দিন সাংবাদিকদের জন্য বেতন-কাঠামোর দরকার নেই উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে যত পত্রিকা প্রকাশিত হয়, এরমধ্যে দশ/বারোটি ছাড়া অল আর রাবিশ, বোগাস। এসব পত্রিকায় কোনও সাংবাদিক নেই। এসব পত্রিকা বিনা শুল্কে কাগজ তোলে, সরকারের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন নেয়। এসব পত্রিকার জন্য ওয়েজবোর্ড দেবো?’

সেসময় তিনি আরও বলেন, ‘সাংবাদিকদের যে বিদ্যমান বেতন কাঠামো আছে, যে পাঁচটি বেতন স্তর আছে, তা প্রায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পে-স্কেলের সমান। কাজেই সাংবাদিকদের জন্য নতুন করে আর বেতন কাঠামোর প্রয়োজন নেই।’

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ সূত্রে জানা যায়, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে নোয়াব নেতারা অর্থমন্ত্রীকে সাংবাদিকদের বেতন কাঠামোর যে ধাপগুলো দেখিয়েছেন, সেখানে সর্বনিম্ন বেতন দেখানো হয়েছে ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেখেছি, আপনাদের সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো আর সরকারি কর্মচারীদের সর্বনিম্ন বেতন স্কেলও প্রায় সমান।’

সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী যখন এমন বক্তব্য দিচ্ছিলেন তখন তার সঙ্গে ছিলেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। নোয়াব সভাপতি প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান, ডেইলি স্টার সম্পাদক মাহফুজ আনাম এবং সমকাল প্রকাশক এ কে আজাদ বৈঠকে উপস্থিত থাকলেও অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের সময়ে ওখানে ছিলেন না। তারা আগেই চলে গিয়েছিলেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ।নবম ওয়েজ বোর্ড

Reneta

একটু পেছন ফিরে তাকালে দেখা যাবে, গত বছরের ১৪ জুন জাতীয় সংসদে টেবিলে উপস্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু সংসদকে জানিয়েছিলেন, দেশের সংবাদপত্র মালিকদের ৯৩ শতাংশ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। ওই দিন তথ্যমন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে মোট দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা এক হাজার ৭৮টি। এর মধ্যে এক হাজার ৫ টিতে প্রকাশক ও সম্পাদক একই ব্যক্তি। একই সময়ে তথ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছিলেন, দেশের এক হাজার ৭৮টি দৈনিক পত্রিকার মধ্যে বর্তমানে মিডিয়াভুক্ত ৪৩৪টি। অর্থাৎ অধিকাংশ সংবাদপত্র বিভিন্ন কর্পোরেট হাউসের অধীন হয়ে আবার কর্পোরেট হাউসের মালিকপক্ষই সংবাদপত্রের নীতি নির্ধারণ করছেন।

অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে যাদের বৈঠক হয়েছে তারা সকলেই মালিকপক্ষের লোক, অথবা মালিকপক্ষের অংশীদার কিংবা প্রতিনিধি; সেক্ষেত্রে তারা কীভাবে সাংবাদিকদের দাবির পক্ষে কথা বলবেন। আর বৈঠকের পর পরই অর্থমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়া প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। আসলে ওই বৈঠকে কেমন তথ্য দেওয়া হয়েছিল অর্থমন্ত্রীকে যে এমন রূঢ় আচরণের শিকার হবেন সাংবাদিকরা; শ্রুতিকটু ভাষায় প্রত্যাখ্যাত হবেন মন্ত্রী কর্তৃক!

এবার দেখি, সংবাদপত্রের মালিকদের কতগুলো সংগঠন আছে। নোয়াব, বিএসপি, সম্পাদক পরিষদ এখন পর্যন্ত আলোচিত সংগঠন, যারা মালিক এবং সম্পাদক পক্ষের। ২০০৬ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের তখনকার মালিক মঈনুল হোসেনের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সংবাদপত্র পরিষদ (বিএসপি)ভেঙে কয়েকজন মালিক মিলে ‘নোয়াব’ গঠন করেন, আর ২০১৩ সালে তাদেরই কয়েকজন মিলে সম্পাদক পরিষদ গঠন করেন। আর সাংবাদিকদের একাধিক সংগঠন রয়েছে যারা এখন ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে যাচ্ছে। সরকার এখন পর্যন্ত ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন আলোচনায় যাদেরকে অত্যধিক গুরুত্ব দিচ্ছে তারা ‘নোয়াব’ এবং নোয়াবের সঙ্গে আলোচনার পরই অর্থমন্ত্রীর নেতিবাচক মন্তব্য এসেছিল।

নোয়াবের নেতৃত্বে যারা বিশেষ করে মতিউর রহমান কিংবা এ কে আজাদ তারা দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই সংবাদপত্রের প্রতিনিধিত্ব করছেন, এবং বাজারে প্রচলিত-অপ্রচলিত অনেক সংবাদপত্রের তুলনায় হাতে গোনা কয়েকটির মধ্যে তারা কেবল সাংবাদিকদের বেতন-ভাতাদি দিচ্ছেন বলে জানা যায়। সেক্ষেত্রে তারা যদি নিজেদের প্রতিষ্ঠান দিয়ে সংবাদপত্রের সঙ্গে জড়িতদের কথা বিবেচনা করে থাকেন, তাহলে সেটা কতখানি বাস্তবসম্মত হবে সেটা বিবেচনার দাবি রাখে। এক্ষেত্রে এর কিছুটা দায়িত্ব সরকারকে নেওয়া দরকার। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতাদের গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করে তাদের সঙ্গে আলোচনারও দরকার।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন নিয়ে দেশে যে দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে সেটা একান্তই মুদ্রিত সংবাদপত্রের জন্যে। টেলিভিশন চ্যানেল এবং অনলাইন গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। ফলে এক ওয়েজবোর্ডে সাংবাদিকদের দাবি আদায় হয়ে গেছে এমন ভাবার কারণ নাই।

টেলিভিশন চ্যানেল মালিকদের সংগঠন অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিভিশন চ্যানেল ওনার্স (অ্যাটকো)নামে টেলিভিশন মাধ্যমের একটি সংগঠন আছে, ওই মাধ্যমের সাংবাদিকদের জন্যে আলাদা কোন সংগঠন আছে কিনা আমার জানা নাই। আর দ্রুত প্রসারমান অনলাইন গণমাধ্যমের এ ধরনের কোন সংগঠনে অস্তিত্ব নাই। তবে মাঝে মাঝে দুয়েকটা সংগঠনের নাম শোনা গেলেও সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে থাকা মানুষদের পরিচালিত সংবাদমাধ্যমের নাম শুনেই তাদের সম্পর্কে ভাল ধারণা জন্মায় না। তাই এ মাধ্যমের সংগঠনের অস্তিত্ব নাই এধরনের একটা সিদ্ধান্তেই পৌঁছা সম্ভব বলে মনে করছি।

অর্থমন্ত্রী বলছেন, ঢাকা থেকে প্রকাশিত ১০/১২ টি ছাড়া বাকিগুলো অল আর রাবিশ, বোগাস। তথ্য মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী দৈনিক পত্রিকার সংখ্যা দুই শতাধিক। মানে এতগুলো সংবাদপত্র কম দামে, বিনা শুল্কে কাগজ কিনছে; সরকারি বিজ্ঞাপন পাচ্ছে। অর্থমন্ত্রীর এ বক্তব্যের পর সত্যিকার হিসাব করে দেখি দৈনিক ক’টি পত্রিকা আমরা চিনি, ক’টি পত্রিকা বাজারে পাওয়া যায়। দুই শতাধিক পত্রিকা কাগজ কেনায় সুবিধা নিচ্ছে, সরকারি বিজ্ঞাপন নিচ্ছে; কিন্তু আমরা পাচ্ছি ক’টি পত্রিকা, ক’টি পত্রিকাই বা পড়ার মত মনে হচ্ছে?

সার্কুলেশন টিকিয়ে রাখার জন্য তারা মাত্র কয়েকটি কপি সংশ্লিষ্ট সরকারি অফিসে বিলি করে যাচ্ছে, আর মাসের পর মাস বিজ্ঞাপন নিচ্ছে, কাগজ কিনছে। তাহলে ভুল বলছেন অর্থমন্ত্রী? না, ভুল বলেননি; তবে বলার স্টাইলটা ঠিক হয়নি।

সারা বিশ্বে মুদ্রিত সংবাদপত্র শিল্প মৃতপ্রায় অবস্থায়। এমন অবস্থায় সরকারি বিজ্ঞাপন একমাত্র কেন পাবে মৃতপ্রায় এ শিল্প? মুদ্রিত সংবাদপত্রের বাইরে অনলাইন মাধ্যম, টেলিভিশন মাধ্যম কেন পাবে না ন্যায্য হিস্যা? অথচ হিসাব করলে দেখা যায়, মুদ্রিত সংবাদপত্রের সঠিক সার্কুলেশন একটা অনলাইন গণমাধ্যমের কাছাকাছিও নয়। কিন্তু সরকারি বিজ্ঞাপন পাচ্ছে কেবল মুদ্রিত সংবাদপত্রগুলো। এটা অন্যায়, এবং একই সঙ্গে একচোখা নীতিও।

আওয়ামী লীগ বলছে ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা, কিন্তু ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশ হওয়া অনলাইন গণমাধ্যম নিয়ে তাদের মাথাব্যথা নাই। সরকারি বিজ্ঞাপনের কোন সুযোগ নাই। এটা নিশ্চিতভাবেই ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকল পর্যায়কে উৎসাহিত করার পথে বড় ধরনের অন্তরায়।

বর্তমানে সাংবাদিকদের বিভিন্ন সংগঠন নবম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে আন্দোলন করছে; মন্ত্রণালয়ে নাকি অধিকাংশ সংবাদমাধ্যম বলছে তারা অষ্টম ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করে ফেলেছে। ওই ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন করে ফেললে তো একজন সরকারি কর্মকর্তার চাইতে সাংবাদিকের বেতন-ভাতা বেশি হয়ে যাওয়ার কথা।

অর্থমন্ত্রী বলছেন, একজন সাংবাদিক সরকারি কর্মকর্তার চাইতে বেশি বেতন পাচ্ছেন বর্তমানে। কাগজ-কলমের হিসাব যদি ধর্তব্যের মধ্যে নিয়ে আসা যায় তাহলে অর্থমন্ত্রীর কথা ভুল নয়; ভুল কেবল উপস্থাপনা ভঙ্গি।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সরকারের কাছে বিভিন্ন ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নের কথা বলেছে, এটা তাদের প্রতারণার অংশ। কারণ এ প্রতারণা দিয়েই তারা কম খরচে কাগজ কিনছে, হয়ত সে কাগজ বাইরে বিক্রিও করছে হয়তো। আবার সার্কুলেশন অনুযায়ী সরকারি বিজ্ঞাপনও পাচ্ছে। সরকার থেকে এত সুবিধা নিচ্ছে, কিন্তু বেতন-ভাতার দেওয়ার ক্ষেত্রে অন্যায় করছে সাংবাদিকদের সাথে।

এ কথাগুলো আদতে মুদ্রিত সংবাদপত্রের জন্যে প্রযোজ্য। তারা সরকারকে ভুল তথ্য দিয়ে নিজেদেরকে বিশাল হিসেবে উপস্থাপন করে সর্বোচ্চ সুবিধা নিচ্ছে, অথচ সংবাদকর্মীদের দিচ্ছে না কিছুই।

ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে যদি সরকারের অবস্থান হিসেবে ধরে নিই তবুও বলা যায় সরকার মৃতপ্রায় এক শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে নিষ্ফল চেষ্টা করে যাচ্ছে, অথচ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল মাধ্যম অনলাইন ও টেলিভিশনের প্রতি অন্যায় আচরণ করে যাচ্ছে। সেখানে সহযোগিতায় কেন এগিয়ে আসছে না সরকার- এ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। এক্ষেত্রে তারা কি দূরদর্শী চিন্তার দীনতায় প্রকৃত অবস্থা অনুধাবনে অক্ষম? জানি না!

আমার কথাগুলোকে মনে হতে পারে একজন সংবাদকর্মী হয়েও আমি সংবাদমাধ্যম ও সাংবাদিকদের শত্রু-সম বক্তব্য দিচ্ছি। কিন্তু আদতে তা না। আমি সংবাদপত্রের শত্রু-সম কেউ না। একজন সংবাদকর্মী হিসেবে দ্রুত প্রসারমান সংবাদ শিল্পের প্রতি সরকারের অন্যায় আচরণ দেখে কথাগুলো বলছি।

আবারও বলছি মুদ্রিত সংবাদপত্র মৃতপ্রায় এক শিল্প, তবু সেখানে সরকারি বিজ্ঞাপন দিয়ে যাচ্ছে সরকার। নিয়মিতভাবে প্রকাশ হয় এমন সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন সহ সকল সুবিধা দিক- এতে আপত্তি নাই, কিন্তু নিয়মিত প্রকাশ হয় না এমন সংবাদপত্র কেন পাবে সরকারি বিজ্ঞাপন, কাগজ ক্রয়ে কেন নেবে সর্বোচ্চ সুবিধা।

অথচ দেখুন মুদ্রিত সংবাদপত্রের চাইতে দেশের অনলাইন মাধ্যমগুলো প্রচার সংখ্যায় তাদের অন্তত দশগুণ বেশি হলেও সরকারি বিজ্ঞাপন পাচ্ছে না। এটা কি অন্যায় নয়? এটা কি বাস্তবতা অনুধাবনে ব্যর্থতা নয়?

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: ওয়েজ বোর্ডনবম ওয়েজ বোর্ড
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বড় জয়ে শীর্ষ ধরে রাখল বার্সেলোনা

ফেব্রুয়ারি ৮, ২০২৬

জয় পেল ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড-আর্সেনাল-চেলসি

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

‘পাকিস্তান জিতেনি, আমরা খেলাটি হেরেছি’

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু ভারতের

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
ছবি ‍সংগৃহীত

নির্বাচনে কোনো ধরনের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সুযোগ নেই : ইসি মাছউদ

ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT