সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী আইন অনুযায়ী দাখিল ও ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সেই সাথে সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব বিবরণী যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিল বিষয়ে আগামী ৩ মাসের মধ্যে হাইকোর্টে অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
এসংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কাজী ইবাদত হোসেনের হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এ আদেশ দেন। এসময় হাইকোর্ট বলেন, ‘দুর্নীতি হচ্ছে উন্নয়ন ও সুশাসনের অন্তরায়। এটা অবশ্যই বন্ধ হওয়া উচিৎ।’
শুনানিতে রিটের পক্ষের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস হাইকোর্টে প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘জনগণের ট্যাক্সের ৪৩ শতাংশ টাকায় যেখানে সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতনে যাচ্ছে, সেখানে তাদের সম্পদের হিসেব জনগণের উদ্দেশ্য কেন প্রকাশিত হবে না? আর পুলিশের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তার সম্পত্তি আর রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয় যদি সামনে আসে, তাহলে তিনি কি রক্ষা করবেন? তার সম্পত্তি নাকি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব?
অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতির লাগাম টেনে ধরা উচিত বলে আমরা চাই।’
‘সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীদের সম্পদের হিসেব আইনে উল্লেখিত যথাযথ নিয়মে কর্তৃপক্ষের কাছে দাখিলের পাশাপাশি ওয়েবসাইটে প্রকাশের নির্দেশনা চেয়ে গতকাল রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সুবীর নন্দী দাস।








