সমালোচনার মুখে রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে (এয়ারপোর্ট রোডে) গাছ কাটা বন্ধ করেছে সামাজিক বন বিভাগ।
রোববার থেকে গাছ কাটা স্থগিত করে তারা বলছে, সড়কের পাশে বনায়নের এ জায়গার মালিক সড়ক বিভাগের অনুরোধে তারা টেন্ডার আহ্বান করে।
তবে সড়ক বিভাগ দাবি করেছে, তারা শুধু মরা গাছগুলো সরিয়ে ফেলার অনুরোধ করেছিল।
চ্যানেল আইয়ে সংবাদ প্রচারের পর ব্যাপক সমালোচনার মুখে রাজধানীর বিমান বন্দর সড়কের গাছ কাটা বন্ধ করার আগেই বিশাল শাখা পল্লবের ২৬টি বৃক্ষ কেটে ফেলা হয়। সরকারি উদ্যোগে ১৫ বছরের পুরনো ১শ ৩০টি বৃক্ষ কেটে ফেলা হচ্ছিল। সড়ক বিভাগের সঙ্গে চুক্তিতে ১৯৯২ সাল থেকে নগর বনায়ন প্রকল্পের আওতায় এসব বৃক্ষ রোপণ করে সামাজিক বন বিভাগ।
সৌন্দর্যবর্ধন কাজের জন্য বৃক্ষগুলো সরিয়ে দেয়ার অনুরোধ জানায় সড়ক বিভাগ। এরই পরিপ্রেক্ষিতে টেন্ডারের মাধ্যমে গাছ কাটার অনুমতি দেয় সামাজিক বন বিভাগ।
সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, তারা শুধু মরা গাছগুলো সরিয়ে দিতে বলেছিল।
সামাজিক বন বিভাগ বলছে, শুধু এই ১শ ৩০টি নয়, সড়ক বিভাগের অনুরোধে আরেকটি লটে আরো ৬৯টি বৃক্ষ সরিয়ে নেয়ার টেন্ডার দিয়েছে তারা।
বৃক্ষ কেটে ফেলার ঘটনাটি ভুল বোঝাবুঝি উল্লেখ করে সড়ক বিভাগ বলেছে, আর কোনো বৃক্ষ কাটা হবে না।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এ সড়কে সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ করছে ভিনাইল ওয়ার্ল্ড গ্রুপ। এর আগে বিদেশি বনসাই লাগিয়েও সমালোচনার মুখে পড়ে তারা।
ভিনাইল ওয়ার্ল্ড গ্রুপের এই কাজে ব্যাপক সমালোচনার মুখে গত ৫ জুন এয়ারপোর্ট সড়কের পাশে নতুন করে বনসাই লাগানো বন্ধের নির্দেশ দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
সড়কমন্ত্রীর নির্দেশও উপক্ষো করা হয়েছে জানিয়ে পরিবেশবিদরা বলছেন, পরিবেশ ও দেশিয় ঐতিহ্যের কথা চিন্তা না করে সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের নামে বড় এই গাছগুলো কেটে ফেলা হচ্ছে।
বিস্তারিত দেখুন নিচের ভিডিও রিপোর্টে:








