চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

‘সবুজ শস্যের এক শিল্পময় মাঠ’

জাহিদ নেওয়াজ খানজাহিদ নেওয়াজ খান
৮:০১ অপরাহ্ন ০৬, সেপ্টেম্বর ২০১৬
মতামত
A A

চোঙা নিয়ে তিনি কৃষকের কাছে যাননি, তিনি গেছেন তথ্য নিয়ে। শুধু কৃষকের সমস্যার তালিকা নিয়ে তিনি গ্রামে যাননি, সঙ্গে উদ্যোক্তা সাফল্যের নজীরসহ সমাধানও নিয়ে গেছেন। বছরের পর বছর তার কৃষকের কাছে যাওয়ায় শুধু নিজের ক্যামেরার প্রযুক্তিই আধুনিক থেকে আধুনিকতর হয়নি, বারবারই তার গ্রামযাত্রায় যোগ হয়েছে কৃষকের জন্য সর্বশেষ সব প্রযুক্তি আর আবিস্কার এবং পরেরবার ক্যামেরার লেন্সে দেখা গেছে মাঠ পর্যায়ে তার বাস্তবায়নের চিত্র।

কণ্ঠ বিদীর্ণ করা বক্তৃতা কিংবা গগণবিদারী স্লোগান নিয়েও তিনি কৃষকের কাছে যাননি, কৃষকের কথা শুনতে আর তা তুলে ধরতেই তার গ্রামে যাওয়া। পোস্টার-ব্যানার-লিফলেটসহ কৃষককে তিনি স্মারকলিপি দিতে শহরে পাঠাননি, বরং কেন্দ্র থেকে সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষীয় ব্যক্তিদের তিনি কৃষকের সামনে নিয়ে গেছেন যাদের কাছে কৃষক মন খুলে তাদের চাওয়া-পাওয়ার কথা বলেছেন। তাৎক্ষণিক বা পরে নীতি-নির্ধারণী পর্যায় থেকে সমস্যার সমাধান পেয়েছেন কৃষক।

তিনি আসলে নানাভাবে কৃষকের জন্য সেতুবন্ধন হয়েছেন। সেটা কখনো কৃষকের তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে, কখনো তাদের চাওয়ার কথা তুলে ধরার ক্ষেত্রে, কখনো কৃষকের নতুন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানার ক্ষেত্রে এবং হাতেকলমে তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে আর কখনো সাফল্যের উদাহরণ জেনে তা ছড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে। আজ যে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ সেটা কৃষকের অর্জন আর সরকারের নীতির সাফল্য হলেও এ সাফল্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাবকের ভূমিকা পালন করেছে প্রথমে তার ‘মাটি ও মানুষ’ এবং পরে ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’। কোন বিপ্লব না করেও এভাবে বাংলাদেশের কৃষকের বৈপ্লবিক অগ্রগতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অনুঘটক হয়েছেন তিনি। তিনি শাইখ সিরাজ।

এসব কাজ করার জন্য রাজনীতিকও হতে পারতেন তিনি, বিশেষ করে কৃষকের জন্য যেহেতু কাজ করবেন বলে জীবনের শুরুতে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাই বামপন্থী বিপ্লবী রাজনীতিতে জড়াতে পারতেন। শুধু শাইখ সিরাজ নন, সাংবাদিকতা পেশাটা যেহেতু আর দশটা পেশার মতো নয়, এখানে মানুষই মুখ্য, মানুষকে তুলে ধরাটাই মুখ্য কাজ, যিনি সাংবাদিক হবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন এরকম সকলের মধ্যেই রাজনৈতিক উপাদানগুলো কাজ করে; তাই সকল সাংবাদিকের মধ্যেই সেই রাজনৈতিক সম্ভাবনাটা অংকুরিত থাকে। বিশেষ করে তিনি যে সময়টাতে সাংবাদিকতা করবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন এবং তার কাজের ক্ষেত্রটাকে কৃষি এবং কৃষককে কেন্দ্র করে করবেন বলে ভেবেছিলেন তখন রাজনীতিতে জড়ানো খুব অস্বাভাবিক ছিল না, তার ভেতরে অজান্তে হলেও রাজনৈতিক উপাদানগুলো যে কাজ করেনি এমনও হয়তো নয়।

তবে, আমাদের সৌভাগ্য যে শাইখ সিরাজ রাজনীতিতে সম্পৃক্ত হননি। সেটা তখনো যেমন জড়াননি, এখনো না। তার প্রজন্মের যে মেধাবী তরুণরা কৃষক বা শ্রমিক সংগঠনে সম্পৃক্ত হয়েছেন তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় শেষ পর্যন্ত পথ হারিয়েছেন। ক্লাসিক্যাল মার্কসবাদীরা যেখানে সামান্য সম্ভাবনাও জাগাতে পারেননি সেখানে উদার বামপন্থীরা বড় বড় কৃষক ও ক্ষেতমজুর সংগঠন গড়ে তুলতে পারলেও শেষ পর্যন্ত তাদের সংগঠনের হাজার হাজার বা লাখ লাখ কৃষক সদস্য রাজনীতি বলতে দেশের দুই ধারার রাজনীতিকেই বুঝেছেন। যে লক্ষ্যে ওইসব কৃষক বা ক্ষেতমজুর সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছিল সেগুলো অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেনি।

স্বাধীন বাংলাদেশে আধা সামন্ততান্ত্রিক আধা পুঁজিবাদী চেতনার পুঁজিতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থায় ওই অর্থে কোন কৃষক আন্দোলনও আমরা দেখিনি। বরং কৃষির ধনতান্ত্রিক যে রূপান্তর জরুরি ছিল সেটা এক অর্থে কৃষক নিজে উৎপাদন ব্যবস্থা এবং উৎপাদন সম্পর্কে পরিবর্তন এনে ঘটিয়েছেন। অন্য অর্থে সরকার নীতি সহায়তার মাধ্যমে তা এগিয়ে নিয়ে গেছে। বিশেষ করে কৃষিবান্ধব নীতি সহায়তার মাধ্যমে কৃষি উৎপাদনকে সর্বোচ্চ অবস্থায় নিয়ে গেছে আওয়ামী লীগ সরকার।

Reneta

বাংলাদেশে কৃষির এই যে গুণগত রূপান্তর এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে গণমাধ্যম, বিশেষ করে শাইখ সিরাজ টেলিভিশনের মাধ্যমে দেশে যে উন্নয়ন সাংবাদিকতা শুরু করেছিলেন সেই উন্নয়ন সাংবাদিকতা। মোটা দাগে সাংবাদিকতার সাধারণ যে তিনটি লক্ষ্য: তথ্য, শিক্ষা এবং বিনোদন– এই তিনটিরই সফল বাস্তবায়ন হয়েছে তার ‘মাটি ও মানুষ’ এবং ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ অনুষ্ঠানে, তার অন্যান্য অনুষ্ঠানে এবং কৃষি রিপোর্টিংয়ে।

এক কথায় বাংলাদেশের কৃষি এবং কৃষি অর্থনীতিতে এ মানুষটির প্রধান অবদান: কৃষিকে বাজারমুখি করতে কৃষককে উদ্ধুদ্ধ করার পাশাপাশি উদাহরণ দিয়ে দিয়ে পথগুলো দেখিয়ে দেয়া। আগে যে আত্মপোষণশীল কৃষি ব্যবস্থা ছিল তার মূল লক্ষ্য ছিল নিজের পরিবারের ভোগের জন্য উৎপাদন। প্রযুক্তির অনুপস্থিতি এবং দ্বন্দ্বমূলক উৎপাদন সম্পর্কের কারণে কিছু বড় কৃষক ছাড়া অন্যদের ক্ষেত্রে উদ্ধৃত্ত উৎপাদনতো দূরের কথা নিজেদের চাহিদাও মেটানো সম্ভব হতো না। তারপরও ছোট কৃষককে বাধ্য হয়ে বাজারে অংশ নিতে হতো, সেটা মূলত: মহাজনী চক্রে পড়ে ঋণ শোধের দায় থেকে।

কিন্তু, গত তিন দশকে মুনাফা নিশ্চিত করে উদ্ধৃত্ত উৎপাদন সম্ভব হয়েছে। এক্ষেত্রে নিয়ামক শক্তিগুলো হচ্ছে ফসলের বহুমুখিকরণ, প্রযুক্তির ব্যবহার, ঋণ ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ ও প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষুদ্র ঋণের প্রসার, উপযুক্ত সার-বীজ-কীটনাশকের ব্যবহার, কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ ব্যবস্থা এবং কৃষি উপখাত যেমন মৎস্য, পোল্ট্রি ও পশুপালন, বনায়ন এবং ফল এবং ফুলের মতো লাভজনক কৃষির সম্প্রসারণ। এসবের সম্মিলিত ফল হিসেবে বাংলাদেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শিল্পের প্রসার এবং সেবাখাতের প্রসারে জিডিপিতে কৃষির অবদান শতকরা হিসাবে কমে গেলেও চার দশকে তিনশ শতাংশ বেড়েছে কৃষি উৎপাদন। এমনকি কৃষিজমি কমে যাওয়ার পরও এ উল্লম্ফন ঘটেছে।

এক্ষেত্রে টেলিভিশনের মাধ্যমে শুধু সঠিক তথ্য পৌঁছে দেয়াই নয়, কৃষকের কাছে একরকম হাতেকলমে প্রযুক্তি পৌঁছে দিয়ে আর কৃষকের মুখপাত্র হয়ে নীতি-নির্ধারণী পর্যায়কে উদ্ধুদ্ধ করে দেশের কৃষি বিপ্লবের নেপথ্যে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন শাইখ সিরাজ। কৃষিতে তথ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিকভাবেও তিনি তার স্বীকৃতি পেয়েছেন। পেয়েছেন উন্নয়ন সাংবাদিকতায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘বুর্মা পদক’।

এটা সফল হয়েছে কারণ তিনি তার লক্ষ্যে স্থির ছিলেন। প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ ছিল লক্ষ্যটা ঠিক করা। একজন মানুষ কতো কিছুই না হতে চান! কিন্তু, শাইখ সিরাজের সময় এবং এখনো নানা কারণে ঝুঁকিপূর্ণ পেশা হিসেবে সাংবাদিকতা বেছে নেয়া খুব সহজ ছিল না। সেখানে আবার মাঠেঘাটে ঘুরে ঘুরে কৃষক এবং কৃষির উন্নয়নে কাজ করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়াটা নিশ্চয়ই আরো কঠিন ছিল। কিন্তু, তার কাজের ক্ষেত্রটা পরিস্কার ছিল তার কাছে। আর ছিল মানুষ এবং নিজের কাজের প্রতি ভালোবাসা। ভালোবাসা বিষয়টা এমন যে এটাকে পরিমাপ করা যায় না। একজন হয় কাউকে বা কিছুকে ভালোবাসে অথবা বাসে না। মানুষের প্রতি এরকম ভালোবাসা থেকেই শাইখ সিরাজ সঠিক সিদ্ধান্তটি নিতে পেরেছিলেন। আজ সাড়ে তিন দশক পর নিশ্চয়ই তিনি পরিতৃপ্ত।

মনে করুন সেই সময়টার কথা যখন উন্নয়নশীল বাংলাদেশের অনুকূল কৃষি-পরিবেশ, বৃহৎ কৃষি জনগোষ্ঠি এবং কৃষিপেশার অপার সম্ভাবনাময় দিকগুলো বলতে গেলে একরকম অন্ধকারেই ছিল। সেই সময়টা কীভাবে বদলে গেলো তার একটা বর্ণনা পাওয়া যায় তাকে দেয়া এক সম্মাননা স্মারকে যেখানে বলা হয়েছে: এর সবই আলোকিত হলো যখন শাইখ সিরাজ আশির দশকে বাংলাদেশের একমাত্র টেরেস্ট্রিয়াল টেলিভিশন, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন’-এ নিয়ে আসলেন কৃষিভিত্তিক প্রামাণ্য অনুষ্ঠান, ‘মাটি ও মানুষ’। টেলিভিশন মিডিয়াকে সবসময়ই দেখা হয়েছে ‘বিনোদন-বাক্স’ হিসেবে। কিন্তু, শাইখ সিরাজ সেই টেলিভিশনকেই ব্যবহার করলেন উন্নয়নের মাধ্যম হিসেবে। টেলিভিশনের চোখে তিনি দেখতে পেয়েছিলেন বাংলাদেশের টেকসই অর্থনীতি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অর্থনীতি বাস্তবায়নে কাজ করে চলেছেন তিনি।

তিনি যখন নিজে একটি টেলিভিশন চ্যানেল পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত হলেন সেই ‘চ্যানেল আইকে’ও তিনি শুধু ‘বিনোদন-বাক্সে’ সীমাবদ্ধ রাখেননি। ‘হৃদয়ে মাটি ও মানুষ’ ছাড়াও কৃষিভিত্তিক একাধিক নিয়মিত অনুষ্ঠান নিয়ে এসেছেন। চালু করেছেন দেশের ইতিহাসে প্রথম কৃষি সংবাদ। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বাংলাদেশ টেলিভিশনসহ অন্য টিভি চ্যানেলগুলো তার অনুগামী হয়েছে। এতে মূলধারার গণমাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে আরো বেশি কৃষকের কণ্ঠ। এভাবে কৃষির সঙ্গে গণমাধ্যমের প্রচলিত চিন্তা-চেতনাতেও নতুন বাঁক নিয়ে এসেছেন তিনি। এর ফলে কৃষি এবং এর উপখাতগুলোর বিকাশের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরো সমৃদ্ধ হয়েছে।

ওই সম্মাননা স্মারকেই যেমন বলা হয়েছে: কৃষির উপখাত, বিশেষ করে, পোল্ট্রি, মৎস্য ও পশুসম্পদ বিকশিত হয় তার হাত ধরেই, যে খাতগুলো ছিল বলতে গেলে অনালোকিত। সর্বোপরি, বিশ্ব তথা এশিয়ার কৃষিপ্রধান দেশগুলোর উন্নত গবেষণা, কৃষি-প্রযুক্তি এবং সফল কৃষি কার্যক্রমের চিত্র তুলে এনে তা বাংলাদেশের কৃষি উন্নয়নে কাজে লাগাতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।

তবে একজন সফল যোগাযোগ ব্যক্তিত্ব হিসেবে তিনি শুধু বার্তা দিয়েই যাননি। কৃষকের কাছ থেকে প্রতিনিয়ত যে প্রতিবার্তা কিংবা ফলাবর্ত অর্থাৎ প্রতিক্রিয়া এসেছে সেটা যেমন গণমাধ্যমে তুলে ধরেছেন তেমনি পৌঁছে দিয়েছেন নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ে যারা ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠানে পরিণত হওয়া এ ব্যক্তিত্বের পরামর্শে পরে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত দেয়ার কারণে কৃষক উপকৃত হয়েছেন, উপকৃত হয়েছে বাংলাদেশের কৃষি এবং অর্থনীতি। এভাবে শাইখ সিরাজকে কৃষকরা তাদের বন্ধু ভাবার কারণে, তাকে তাদের কণ্ঠস্বর ভাবার কারণেই ময়মনসিংহের সেই কৃষকটি যেন সবাইকে প্রতিধ্বনিত করে বলেন: আফনেগো শাইখ সিরাজ আঙ্গর লুক।

সত্যিই তাই। যে শাইখ সিরাজ আমাদের কাছে কৃষি ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, আমরা কেউ কেউ তার সহকর্মী, কেউ তার ছাত্র, কেউ কোন অনুষ্ঠানে সহবক্তা কিংবা টক-শোতে সহআলোচক, শহুরে মানুষের কাছে গ্রাম-বাংলাকে তুলে এনে উন্নয়ন সাংবাদিকতার পুরোধা; সেই শাইখ সিরাজ কৃষকের কাছে তাদের আপন এক মানুষ। এর কারণ মূলত দুটি: ১. তিনি কৃষি অর্থনীতির উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে তাদের জীবনমান উন্নয়নে বড় ভূমিকা রেখেছেন আর ২. মাটির টানে বাংলাদেশের মানুষের শেকড়ে এখনো যে কৃষি সেই হাজার বছরের কৃষির ধারাবাহিকতায় এ ভূ-খণ্ডের সমৃদ্ধ সংস্কৃতিকে তুলে ধরার মাধ্যমে তিনি প্রান্তিক মানুষদের জয়গান গেয়েছেন। তাই শাইখ সিরাজ যখন কৃষির কথা বলেন তখন শুধু অর্থনীতির উন্নয়নেই কাজ করেন না কিংবা গণমাধ্যমে শুধু কৃষিকে তুলে আনেন না, বাঙালির হাজার বছরের সভ্যতা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতিকেও তুলে ধরেন। এ সভ্যতা, কৃষ্টি ও সংস্কৃতি আমাদেরকে যেমন যৌথ পরিবারের কথা বলে তেমনি প্লুরালিজম বা বহুজনবাদের কথা বলে যার মানে পরমত এবং অন্যের বিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান।

এবার শাইখ সিরাজের জন্মদিন উদযাপনের এ সময়টাতে কৃষি অর্থনীতির উপরিকাঠামোর সঙ্গে কৃষি সংস্কৃতির বিশ্বাসের এ মৌল কাঠামোটা মনে রাখাও খুব জরুরি।

(শিরোনামটি কবি নির্মলেন্দু গুণ’র ‘প্রলেতারিয়েত’ কবিতা থেকে নেয়া। ছবি: তানভির আশিক)

(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে।)

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: শাইখ সিরাজ
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বিয়ে নয়, বাগদান!

এপ্রিল ২, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দিতে চায় আমিরাত

এপ্রিল ১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

ইরান অন্তত ছয় মাস যুদ্ধ চালিয়ে যেতে প্রস্তুত: আরাগচি

এপ্রিল ১, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

রাজধানীতে হঠাৎ স্বস্তির বৃষ্টি

এপ্রিল ১, ২০২৬

সিলেট জেলা স্টেডিয়ামের জরাজীর্ণ অবস্থা দেখে ক্ষুব্ধ ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

এপ্রিল ১, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT