বিমানবন্দর থেকে আর্মি স্টেডিয়ামে প্রথম নামাজে জানাযার জন্য নিয়ে যাওয়ার সময়ে প্রথম অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছে পাইলট ক্যাপ্টেন আবিদ সুলতানের মরদেহ। দ্বিতীয় অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছে ফার্স্ট অফিসার পৃথুলা রশীদের মরদেহ। তিন নম্বর অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছেন কেবিন ক্রুদের মরদেহ।
বিকেল চারটার দিকে নেপাল থেকে দেশে এসে পৌঁছে মরদেহবাহী বিশেষ ফ্লাইট।
বিমানবন্দরে মরদেহগুলো গ্রহণ করেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এবং বেসামরিক বিমান ও পর্যটনমন্ত্রী শাহজাহান কামাল।
বিমানবন্দর থেকে মরদেহগুলো আর্মি স্টেডিয়ামে নেয়া হবে জানাযার জন্য। সেখানে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। স্বজনদের বিমানবন্দরে না গিয়ে আর্মি স্টেডিয়ামে যেতে অনুরোধ জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত ১২ মার্চ কাঠমান্ডুতে ওই উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে। এতে ৭১ যাত্রীর মধ্যে ৫০ জন নিহত হন। তাদের মধ্যে ২৬ জন বাংলাদেশি।
জীবিত ১০ বাংলাদেশির মধ্যে ৫ জনকে ইতোমধ্যেই ঢাকায় আনা হয়েছে। ভয়াবহ ওই দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়া আহতদের চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগে।
আহতদের চিকিৎসায় সব ধরনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন জাতীয় বার্ন এন্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের সমন্বয়ক অধ্যাপক ডাক্তার সামন্তলাল সেন। তিনি জানান, আহতদের চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে ১৪ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড।








