পবিত্র আশুরা উদযাপন উপলক্ষে তাজিয়া শোক মিছিলে সর্বোচ্চ আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর বলয় থাকবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া। তিনি বলেন, এ দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করার অধিকার রয়েছে। আর সেই অনুষ্ঠানগুলো যেন ঠিক মত হতে পারে সেজন্য নিরাপত্তার বিষয় দেখবে রাষ্ট্র ও পুলিশ।
বৃহস্পতিবার সকালে লালবাগ হোসেনী দালান ইমামবাড়ায় গণমাধ্যমকে তিনি এ কথা বলেন। তার সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম, ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (ক্রাইম) কৃষ্ণ পদ রায়, গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, দশমী ও মহরম একদিনেই হওয়ায় দুই সম্প্রদায়ের মদ্যে যেন কোন সাংঘর্ষিক ঘটনা না ঘটে সেজন্য দুই সম্প্রদায়ের লোকদের সঙ্গে বৈঠক করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। মহররমের দিন শিয়া সম্প্রদায়ের যতগুলো ইমামবাড়া অাছে সেগুলোর প্রতিটি সিসিটিভির আওতায় থাকবে। সাদা পোশাকে ও ইউনিফর্মে পর্যাপ্ত সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন থাকবে।
তিনি আরও বলেন, তাজিয়া মিছিলে কোন পাইক (‘হায় হোসেন’ মাতম তুলে যারা দা, ছোরা, কাঁচি, বর্শা, বল্লম, তরবারি নিয়ে নিজেদের শরীর রক্তাক্ত করে) অংশগ্রহণ করতে পারবে না। অনুষ্ঠানস্থল ডগ স্কোয়াড দিয়ে সুইপিং করা হবে।
তিনি জানান, স্বেচ্ছাসেবকদের সহযোগিতায় অপরিচিত ব্যক্তিকে অনুষ্ঠানস্থলে ঢুকতে দেয়া হবে না। অনুষ্ঠানস্থলে আগতদের ব্যাগ, সুটকেস, ছাতা, টিফিন কেরিয়ার, প্রেসার কুকার জাতীয় সন্দেহজনক প্যাকেট বা বক্সসহ প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে।








