সাদা পোশাকে বাংলাদেশের হয়ে ম্যাচ খেলার সংখ্যায় মোহাম্মদ আশরাফুলকে ছাড়িয়ে গেলেন মুশফিকুর রহিম। জ্যামাইকায় স্যাবাইনা পার্কে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্ট মুশফিকের নিজের ৬২তম ম্যাচ। এ ম্যাচ দিয়েই দেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট খেলার গৌরবে নাম লেখাচ্ছেন প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান।
রাত ৯টায় শুরু হওয়া ম্যাচটি অনেক দিক থেকেই বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে সিরিজ হার ও র্যাঙ্কিংয়ে অবনমন ঠেকাতে জয়ের বিকল্প নেই সফরকারী দলের জন্য। মুশফিকের জন্য ম্যাচটার গুরুত্ব আরও বেশি!
মাইলফলকের ম্যাচ বলেই নয়; দলের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য এ ব্যাটসম্যান নেই ফর্মে! ইনিংস ও ২১৯ রানে হারের ম্যাচে দু’বারই দৃষ্টিকটুভাবে আউট হয়েছেন দলের সিনিয়র ব্যাটসম্যানরা। ব্যাটিংয়ে হারানো আলো ফিরে পাওয়ার ম্যাচ হতে পারে এটি।
অবশ্য মুশফিকের শুরুতেই ব্যাটিংয়ে নামার সুযোগ নেই। টস জিতে আগে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন টাইগার অধিনায়ক সাকিব আল হাসান।
পেসার রুবেল হোসেনের জায়গায় একাদশে ঢুকেছেন বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ক্যারিবীয় একাদশে পরিবর্তন দুটি। কেমার রোচের জায়গায় এসেছেন কিমো পল। ২০ বছর বয়সী ডানহাতি পেসারের অভিষেক টেস্ট এটি। লেগস্পিনার দেবেন্দ্র বিশুর জায়গায় এসেছেন আরেক লেগস্পিনার শিমরন হেটমায়ার।
২০০১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ টেস্ট খেলে এই গৌরব ধরে রেখেছিলেন ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরিয়ান আশরাফুল। অ্যান্টিগায় আগের টেস্টেই আশরাফুলের গৌরবে ভাগ বসান দেশের প্রথম ডাবল সেঞ্চুরিয়ান মুশফিক।
৬১ টেস্ট খেলতে আশরাফুলের লেগেছে ১২ বছর। মুশফিকের নামের পাশে ৬২ টেস্ট হতে লাগলো ১৩ বছর। বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ টেস্ট খেলায় তৃতীয় স্থানে তামিম ইকবাল। এক দশকে খেলতে পেরেছেন ৫৫ টেস্ট।
টেস্ট স্ট্যাটাস পাওয়ার পরের বছরই ২০০১এ শ্রীলঙ্কার মাটিতে অভিষেক হয় আশরাফুলের। সবশেষ টেস্ট খেলেন ২০১৩ সালে। ফিক্সিংয়ের কারণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের বাইরে রয়েছেন এই ক্রিকেটার। মুশফিকের টেস্ট অভিষেক ২০০৫ সালে লর্ডসে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে।








