রাজধানীর হাতিরঝিল লেকে অবৈধভাবে নির্মিত বহুতল বিজিএমইএ ভবন বিকেল পাঁচটায় সিলগালা করার কথা থাকলেও ভবনটিতে থাকা বিভিন্ন অফিসের মালামাল সরাতে দুই দফা বেঁধে দেয়া সময় শেষ হবার পরই আবারও তৃতীয় দফায় সন্ধ্যা সাতটা পর্যন্ত সময় দিয়েছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)।
রাজউক বলছে: এ সময়ের মধ্যে কেউ মালামাল সরাতে ব্যর্থ হলেও সিলগালা করে দেয়া হবে বিজিএমইএ ভবন।
মঙ্গলবার বিকেল ছয়টায় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান হাতিরঝিল প্রকল্প পরিচালক রায়হান ফেরদৌস।
তিনি জানান: মালামাল সরিয়ে নেওয়ার জন্য তৃতীয় দফায় বেঁধে দেয়া সময় সন্ধ্যা সাতটা। ইতিমধ্যে বিজিএমইএ ভবন থেকে ৭০ ভাগ মালামাল সরিয়ে নেয়া হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টার পর এ ভবন সিলগালা করে দেয়া হবে।
এর আগে দুপুরে রাজউকের পরিচালক (প্রশাসন) খন্দকার অলিউর রহমান বলেন: ভবনে অফিস স্থানাস্তরের কাজ চলছে। বার বার তাদের সময় দেয়া সত্ত্বেও নানা অজুহাতে এখান থেকে অফিস সরানো হয়নি। আমরা আজ ২ ঘণ্টা সময় দিয়েছিলাম মালামাল সরিয়ে নিতে যা ১২টায় শেষ হয়। তারা অনেকটা কাজ সম্পন্ন করেছে। পরে দ্বিতীয় দফা সময় দেয়া হয়। এখনও কাজ শেষ না হওয়ায় বিকেল ৫টা পর্য়ন্ত সময় চাইলে আমরা সম্মতি দিয়েছি। এ সময়ের মধ্যে তারা তাদের অফিস স্থানান্তরে ব্যর্থ হলে বিকেল ৫টার পরই আমরা বিজিএমইএ ভবন সিলগালা করে দেয়া হবে।
তিনি বলেন: আইনের ভিত্তিতে আমরা বিজিএমইএ ভবনের অফিস স্থানান্তরের কাজ শুরু হয়েছে। আমরা য়ে ভবন অপসারন শুরু করেছি এটাও ভবন ভাঙার অংশ। তাছাড়া এখানে টেকনিক্যাল ও ম্যানেজমেন্টের বিষয় আছে এগুলো শেষ হলেই আমরা ভবন ভাঙার কাজ শুরু করব। খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এ কাজ শেষ করতে পারব এ কাজে মূল সহযোগি হবে চায়না এক্সপার্টরা।
ওই সময় হাতিরঝিল প্রকল্পের পরিচালক রায়হান ফেরদৌস বলেন: মালামাল সরানোর পর আমরা ইউটিলিটি সেবা বন্ধ করে দেয়ার মাধ্যমে ভবন ভাঙার কাজ শুরু করেছি। সেনাবাহিনী সহায়তায় এ ভবনটি অপসারনের কাজ করা হবে। এর আগে র্যাঙ্গস ভবন ভাঙ্গতে গিয়ে প্রাণহানি ঘটে। তবে এ ভবন ভাঙ্গতে ডিনামাইট বা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণ পদ্ধতি ব্যবহার করা হবে। এ কাজে সহায়তা করবে চায়না এক্সপার্টরা।








