সাত মাসের ছেলে লিওকে কোর্টের বাইরে রেখে উইম্বলডনে খেলছেন ভিক্টোরিয়া আজারেঙ্কা। প্রতিপক্ষের পাশাপাশি এখন নিজের সন্তান নিয়েও সমানভাবে ভাবতে হয় এই বেলারুশ তারকাকে। তবে নারী তারকা পতনের উইম্বলডনে আজারেঙ্কার সামনে সুযোগ থাকছে চতুর্থ মা হিসেবে গ্র্যান্ডস্লাম জয়ের।
আজারেঙ্কা যেমন ছেলেকে নিয়ে কোর্টে ফিরেছেন আগামী বছর হয়তো মা হিসেবে কোর্টে ফিরতে পারেন আরও দুজন নারী। অনাগত সন্তানকে সুস্থভাবে পৃথিবীতে আনতে চান বলে টেনিসের বাইরে আছেন সাবেক নাম্বার ওয়ান ও ২৩টি গ্র্যান্ডস্লামজয়ী কিংবদন্তি সেরেনা উইলিয়ামস। আর পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়েও এবার টুর্নামেন্টে খেলেছেন ম্যান্ডি ম্যানিলা। যে তিনজন টেনিস তারকা মা হয়েও গ্র্যান্ডস্লাম জিতেছিলেন:
১. মার্গারেট কোর্ট
মা হিসেবে গ্র্যান্ডস্লাম জেতা প্রথম তারকা এই অস্ট্রেলিয়ান। ১৯৭২ সালে কোল আলো করে আসে প্রথম সন্তান। কোলের সন্তান নিয়েই একে একে জয় করেন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন এবং ইউএস ওপেন।
তবে অন্য মায়েদের চেয়ে অনন্য কোর্ট। কেবল প্রথম সন্তানেই থেমে থাকেনি তার শিরোপা জয়। দ্বিতীয় সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েই ছুটে এসেছেন কোর্টে। জয় করেন একটি ডব্লিউটিএ শিরোপা। ১৯৭৭ সালে যখন টেনিসকে বিদায় জানান গর্ভে তখন চতুর্থ সন্তান।

২. ইভান গুলাগোং
মার্গারেট কোর্ট যেখানে শেষ করেছিলেন সেখান থেকেই যেন শুরু করেন আরেক অস্ট্রেলিয়ান ইভান গুলাগং। ১৯৭৬ সালে পৌঁছান র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে। এর এক বছর পর যখন অস্ট্রেলিয়ান ওপেন ঘরে তোলেন গুলাগোং কোলে তখন সাত মাসের সন্তান। বছর তিনেক পরে জেতেন উইম্বলডনও। তিনিই একমাত্র টেনিস তারকা যিনি উন্মুক্ত যুগে মা হয়ে উম্বলডন জিতেছেন। ১৯৮১ সালে ছেলে মরগানের জন্ম হলে টেনিসকে বিদায় জানান ইভান।

৩. কিম ক্লাইস্টার্স

শিরোপাজয়ী মায়েদের তৃতীয়জনকে দেখতে টেনিসকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ২২ বছর। ২০০৭ সালে প্রথমবার টেনিসকে বিদায় জানিয়ে আবারও টেনিসে ফেরেন ২০০৯ সালে। সংসারে এসেছে প্রথম কন্যা সন্তান জাদা এলি। আর টেনিসে ফিরেই জিতে নেন ইউএস ওপেন। এরপর ২০১০ সালে আবারও ইউএস ওপেন এবং ২০১১ সালে অস্ট্রেলিয়ান ওপেনসহ চারটি গ্র্যান্ডস্লাম জয় করে টেনিসকে চূড়ান্ত ভাবে বিদায় জানান ক্লাইস্টার্স। নয় বছরের মেয়ে জাদা এবং দুই ছেলে, স্বামীকে নিয়ে ক্লাইসটার্সের সংসার।








