বিয়ের পরের রোমান্সগুলো যেনো কয়েকবছর যেতে না যেতেই ম্লান। আর ঘর আলো করে সন্তান আসার পরে তো দুজনের মধ্যে শুধুই অন্ধকার। এবার সমাধান দিচ্ছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, সন্তানের লালন-পালনের দায়ভার ভাগ করে নিন, ভালো দাম্পত্য জীবন কাটাতে পারবেন। পাবেন সুখী যৌন জীবনও।
৪৮৭ টি পরিবারের উপর গবেষণা করে এই তথ্যটি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা সংস্থা। যেসব বাবা-মা সন্তানের দায়িত্বটা নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করে নেয় তারা যেমন যৌন সম্পর্কে সুখী থাকে তেমনই তাদের দুজনের মানসিক বন্ধনটাও বেশ দৃঢ় হয়।
গবেষকরা বলছেন, যদি যুগলের নারীটি সন্তান লালন-পালনে বেশি সময় ব্যয় করেন তাহলে দুজনের মধ্যেই কম সন্তুষ্টি বিরাজ করে। আর যদি পুরুষটি বেশি সময় ব্যয় করেন তাহলে অবশ্য একই রকমের প্রভাব দেখা যায় না।
আমেরিকান সোশিওলজিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনে উপস্থাপিত গবেষণার সকল তথ্যাদি ঘেঁটে দেখা যায়, যদি একটি যুগলের নারীটি সন্তান দেখভালের ৬০ শতাংশ কাজ করে থাকে যেমন নিয়ম ঠিক করে দেওয়া, ভালো কাজের প্রশংসা করা বা খেলাধূলা করা তাহলে সেই যুগলটি নিজেদের সম্পর্কে খুব কম সন্তুষ্টিতে ভোগেন। একই সাথে মানসিক দ্বন্দ্ব থাকে দুজনের মধ্যে, অখুশি থাকে নিজেদের যৌন জীবন নিয়েও।
গবেষকদলের প্রধান জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের সহযোগি অধ্যাপক ড্যানিয়েল কার্লসন বলেন, গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হচ্ছে, যে সব যুগলের মেয়েটি বেশিরভাগ বা পুরোটাই সন্তান লালন-পালনে ব্যস্ত থাকেন, তাহলে সেই যুগলের দুজনেই সম্পর্ক ও যৌনজীবন নিয়ে হতাশ থাকেন।
তবে বাবা যদি বেশি সন্তান লালনপালনের দায়িত্ব পালন করে তাহলে সেটা সম্পর্কে তেমন কোনো প্রভাব আনে না। শিশুকে কে খাওয়ালো বা কে গোসল করালো সেটা ব্যাপার না কিন্তু কাজগুলো দুজনের মধ্যে ভাগ করে নেওয়াই সম্পর্ক ভালো রাখার সবচেয়ে ভালো উপায়। অবশ্য এখনো কাজ ভাগাভাগির প্রতি যুগলের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এখনো কাজ করে যাচ্ছেন গবেষকরা।







