সত্য এবং যৌক্তিক কথা বলার কারণেই সাংবাদিক শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বিএনপি। আরেক সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকেও প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা সজিব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যা ষড়যন্ত্রের মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদনেরও সমালোচনা করেছে দলটি।
জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শফিক রেহমানের গ্রেফতারের পর থেকেই বিভিন্নভাবে এর প্রতিবাদ জানাচ্ছে বিএনপি চেয়ারপারসনসহ দলের সিনিয়র নেতারা। বিভিন্ন সভা সেমিনারেও এ ঘটনার নিন্দা জানাচ্ছে বিএনপি নেতারা। জাতীয় প্রেসক্লাবে এমনই এক আলোচনায় শফিক রেহমানকে নির্দোষ দাবী করে তার মুক্তির দাবি জানিয়েছেন তারা।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেন, শফিক রেহমানের দোষ একটাই, তিনি সত্য কথা বলেন এবং ভালোভাবে বলতে জানেন। তিনি যেভাবে যুক্তি দিয়ে লিখেন তার প্রতিবাদ করার শক্তি বা সামর্থ্য অন্যদের নাই। তাই তার মুখ বন্ধ করতে হবে। তাকে চলে যেতে হবে এমন জায়গায় যেনো তার মুখ বন্ধ হয়ে যায়। এই কাজটা করতে গিয়ে এই দুঃসহ গরমের দিনে এই প্রায় ৮২ বছর বয়সের এই মানুষটাকে গ্রেফতার করা হলো এবং কি নোংরা কৌশলে গ্রেফতার করা হলো তাকে?
তার অভিযোগ বিএনপিকে দুর্বল করতে তৃণমূল থেকে শুরু করে দলের চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধেও একের পর এক মিথ্যা মামলা দেয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, যে মামলায় শফিক রেহমানকে গ্রেফতার করা হয়েছে, ওই মামলায় তাকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হবে বলেও পত্রিকায় এসেছে। তার মানে মাহমুদুর রহমানের মুক্তিও বোধ হয় আর পাওয়া যাবে না।
শুধু শফিক রেহমানই নয় আটক সকল নেতা কর্মীরই মুক্তি দাবি করেছে বিএনপির সিনিয়র নেতারা।







