চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

সগিরা মোর্শেদা হত্যা: শিশু আদালতে বিচার চেয়ে হাইকোর্টে আসামির আবেদন

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৮:৪৮ অপরাহ্ণ ০৯, নভেম্বর ২০২০
- সেমি লিড, আদালত
A A

তিন দশক আগের আলোচিত সগিরা মোর্শেদা হত্যা মামলার আসামি মারুফ রেজা ২০১৩ সালের শিশু আইনের অধীনে শিশু আদালতে বিচার চেয়ে হাইকোর্টে একটি রিভিশন আবেদন করেছেন।

আসামির আইনজীবী দেওয়ান আবদুন নাসের চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলার বিচার শিশু আদালতে স্থানান্তর করার আবেদন করলে গত ৭ সেপ্টেম্বর মহানগর দায়রা জজ আদালত আবেদনটি খারিজ করেন। এরপর বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি কাজী মো. ইজারুল হক আকন্দের হাইকোর্ট বেঞ্চে এসংক্রান্ত রিভিশন আবেদনটি করা হয়।

আসামির আইনজবীর যুক্তি ১৯৭৪ সালের চিল্ড্রেন অ্যাক্টটি রহিত করে ২০১৩ সালে ‘শিশু আইন, ২০১৩’ প্রণয়ন করা হয়। এই আইনে বলা হয়েছে, আইনটি কার্যকর হবার তারিখে অনিষ্পন্ন কার্যাদি, যতদূর সম্ভব এই আইনের বিধান অনুসারে নিষ্পন্ন করতে হবে।

এক্ষেত্রে আইনজীবী দেওয়ান আবদুন নাসের বলেন, ‘সগিরা মোর্শেদ হত্যার সময় আসামি মারুফের বয়স ছিল ১৬ বছর ১০ মাস ২৬ দিন। তখন সে কিন্তু আসামি হয় নাই। সে আসামি হয়েছে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি। তাই তার ক্ষেত্রে শিশু আইন ২০১৩ কার্যকর হবে। এই আইনে শিশুর বয়সসীমা ১৮ বছর রয়েছে। আর বিদ্যমান এই আইনে বলা হয়েছে, ‘আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।’

আলোচিত সগিরা মোর্শেদ হত্যার ঘটনা ১৯৮৯ সালে। জাতীয় পরিচয় পত্র ও পাসপোর্ট অনুযায়ী তখন মারুফের বয়স ছিল ১৬ বছর ১০ মাস ২৬ দিন। তখন সে কিন্তু আসামি হয় নাই। সে আসামি হয়েছে চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারিতে। তাই তার ক্ষেত্রে শিশু আইন ২০১৩। যদি শিশু আইন কার্যকরী হয় তাহলে বিদ্যমান আইনটির ২০ ধারা অনুযায়ী হবে। কারণ এই ধারায় বলা হয়েছে, ‘আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইন, আদালতের রায় বা আদেশে ভিন্নরূপ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অপরাধ সংঘটনের তারিখই হইবে শিশুর বয়স নির্ধারণের জন্য প্রাসঙ্গিক তারিখ।’

১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাইয়ের ঘটনা। সেদিন সগিরা মোর্শেদ সালাম ভিকারুননিসা নুন স্কুল থেকে তার মেয়েকে আনতে রিকশা করে যাচ্ছিলেন। বিকাল ৫টার দিকে সিদ্ধেশ্বরী রোডে পৌঁছামাত্র মোটরসাইকেলে থাকা দুই যুবক সগিরা মোর্শেদ সালামমের হাতে থাকা স্বর্ণের চুড়ি ও হাতব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় তিনি বাধা দেন এবং একটি নাম বলে বলেন, ‘এই আমি তো তোমাকে চিনি, এখানে কেন তুমি?’

Reneta

এরপরই মোটরসাইকেলে থাকা এক যুবক সগিরা মোর্শেদকে লক্ষ্য করে পর পর দুটি গুলি করেন। একটি গুলি সগিরার ডান হাতে লাগে এবং আরেকটি তার বাম বুকে বিদ্ধ হয়ে বেরিয়ে যায়। তখন আশেপাশে লোকজন জড়ো হতে শুরু করলে ফাঁকা গুলি করতে করতে মোটরসাইকেলে আসা সেই দুই যুবক পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় সগিরাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনার দিনই অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে রমনা থানায় মামলা করেন নিহতের স্বামী সালাম চৌধুরী। এ মামলার তদন্তকালে মিন্টু ওরফে মন্টু এবং তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল মাহমুদুল হাসানের নিকটাত্মীয় মারুফ রেজা গ্রেপ্তার হন। কিন্তু মারুফ রেজার নাম বাদ দিয়ে পরবর্তীতে চার্জশিট দেওয়া হয়। তবে সাক্ষ্যে মারুফ রেজার নাম আসায় অধিকতর তদন্তের আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন বিচারিক আদালত। কিন্তু অধিকতর তদন্তের আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেন মারুফ রেজা। সে রিভিশন আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯১ সালের ২ জুলাই একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ এই মামলার অধিকতর তদন্তের আদেশ ও বিচার কাজ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করেন। সেই সঙ্গে তদন্তের আদেশ কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন। এরপর ১৯৯২ সালের ২৭ আগস্ট হাইকোর্ট বেঞ্চ ওই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত এ মামলার বিচারকাজ স্থগিত থাকবে বলে আদেশ দেন। এরপরই প্রকারন্তে থেমে যায় এই মামলার সব ধরণের তদন্ত কাজ।

তবে মামলার সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা হত্যা মামলার বিষয়টি অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের নজরে আনলে হাইকোর্টের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেয় রাষ্ট্রপক্ষ। পরবর্তিতে বিষয়টি আবার হাইকোর্টে তোলা হয়। এবং গত বছরের ২৬ জুন  বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত করে জারি করা আগের রুলটি খারিজ করে রায় দেন। সেই সাথে হাইকোর্ট তার রায়ে এ মামলাটির অধিকতর তদন্ত ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দেন। এবং তদন্ত শেষে ৯০ দিনের মধ্যে মামলাটির বিচার শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের ওই রায়ের ফলেই আঠাশ বছর ধরে ফাইলবন্দি থাকা হত্যা মামলাটি নতুন করে প্রাণ পায়। এরপরই পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে মামলাটি পিবিআইয়ের কাছে যায়। এরপর পিবিআই হত্যার ঘটনার সময়কার রিক্সাচালক ও ঘটনাস্থলের আশেপাশের দোকানিদের সাথে কথা বলে আবদুস সালাম নামের এক রিক্সাচালককে খুঁজে বের করে। পরবর্তীতে এই আবদুস সালামই হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই ব্যক্তির শারীরিক বর্ণনা দেন এবং রিকশায় থাকা অবস্থায় সগিরা মোর্শের বলা কথার বিষয়টি পিবিআইকে জানান। অন্যদিকে, পারিবারিক কলহের জেরে যে এই হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়েছে সে বিষয়টি জড়িত দু’জনের শারীরিক বর্ণনা ও বিভিন্ন ব্যক্তির সাক্ষ্যে পিবিআইয়ের কাছে পরিষ্কার হয়ে যায়। পিবিআই তদন্তে উঠে আসে যে, ঢাকার রাজারবাগে পৈত্রিক বাড়ির নীচতলায় সালাম চৌধুরীর বড় ভাই সামসুল আলম চৌধুরীর থাকতেন। আর দোতলায় থাকতেন সগিরা-সালাম চৌধুরী দম্পতি এবং তাদের তিন মেয়ে। আর সালাম চৌধুরীর মেঝ ভাই ডা. হাসান আলী চৌধুরী তার স্ত্রী-সন্তানসহ লিবিয়ায় থেকে ১৯৮৫ সালে দেশে ফেরার পর কিছুদিন নীচ তলায় থাকেন। এরপর তারা দ্বিতীয় তলায় সালাম দম্পতির বাসার একটি রুমে থাকেন। তখন থেকেই ডা. হাসান আলী চৌধুরীর স্ত্রী শাহিনের সঙ্গে সগিরার বিভিন্ন বিষয়ে কলহ শুরু হয়। একপর্যায়ে ওই বাড়ির তৃতীয় তলার কাজ সম্পন্ন হলে ডা. হাসান তার পরিবার নিয়ে তৃতীয় তলায় ওঠেন। এরপর বিভিন্ন সময় তৃতীয় তলা থেকে আবর্জনা ফেলাসহ নানা কারণে শাহিনের সঙ্গে সগিরার (দুই জা’য়ের) দ্বন্দ্ব বাড়তেই থাকে। এক পর্যায়ে সগিরা মোর্শেদকে ‘শায়েস্তা’ করতে হত্যার পরিকল্পনা করেন হাসান আলী চৌধুরীর ও তার স্ত্রী শাহিন। এরপর ২৫ হাজার টাকায় মারুফ রেজার সঙ্গে চুক্তি করেন বলে জানায় পিবিআই। পরবর্তিতে পরিকল্পনা অনুযায়ী ১৯৮৯ সালের ২৫ জুলাই দুপুরে ডা. হাসান আলী চৌধুরী তার শ্যালক আনাস মাহমুদ রেজওয়ানকে ফোন করে মৌচাক মার্কেটের সামনে আসতে বলেন এবং মারুফ রেজার সঙ্গে দেখা করতে বলেন। রেজওয়ানের সঙ্গে মোটর সাইকেল করে মারুফ রেজা সিদ্ধেশ্বরী কালি মন্দিরের কাছে অপেক্ষা করতে থাকেন। এরপর ওইপথে সগিরাকে রিকশায় করে আসতে দেখে তারা কিছুদূর অনুসরণ করার পর সগিরার রিকশার পথ আটকান এবং সগিরা মোর্শেদের হাতে থাকা স্বর্ণের চুড়ি ও হাতব্যাগ ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। এসময় সগিরা মোর্শেদ বাধা দেন এবং বলেন, ‘এই আমি তো তোমাকে চিনি। তুমি রেজওয়ান, এখানে কেন তুমি?’ এরপরই সগিরা মোর্শেদকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়।

গত বছরের ১০ নভেম্বর রেজওয়ানকে (ডা. হাসান আলী চৌধুরীর শ্যালক) গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পিবিআই। এরপর গ্রেফতার করা হয় ডা. হাসান আলী চৌধুরী ও তার স্ত্রী সায়েদাতুল মাহমুদা শাহিনকে। আর গত বছরের ১৩ নভেম্বর গ্রেফতার হন মারুফ রেজা। এরপর হত্যাকাণ্ডে  জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন তারা। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। গত ১৬ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে সগিরার ভাসুরসহ চারজনকে আসামি করে এক হাজার ৩০৯ পৃষ্ঠার অভিযোগত্র দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক রফিকুল ইসলাম। সর্বোশেষ আজ সোমবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশের আদালত সগিরা মোর্শেদ হত্যা মামলায় তার ভাসুরসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির জন্য ২৬ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: সগিরা মোর্শেদহাইকোর্ট
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছেলে বিজয়ের ঐতিহাসিক সাফল্য, যা বলছেন বাবা-মা

মে ৫, ২০২৬

‘বাকি ৩৫ লাখ টাকা কি মরার পর চল্লিশার সময় দেবেন’

মে ৪, ২০২৬

ম্যানসিটিতে ছুটির দিনেও কাজ করতে আসেন গার্দিওলা

মে ৪, ২০২৬

হারলেন নায়িকা সায়ন্তিকা, বড় জয় রুদ্রনীলের!

মে ৪, ২০২৬

নটিংহ্যাম ফরেস্টের কাছে হেরেছে চেলসি

মে ৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT