জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে অর্থবিল-২০১৮। প্রস্তাবিত ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে রাজস্ব অংশে বেশ কয়েকটি পরিবর্তন এনে অর্থবিল পাস করা হয়।
সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত অর্থবিল উত্থাপন করলে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে এটি পাস হয়।
বুধবার বিকেলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে শুরু হয় অধিবেশন। পরে বাজেট প্রস্তাবনার ওপর আনীত সংশোধনী নিয়ে আলোচনার পর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী অর্থবিল ২০১৮-১৯ পাস করার জন্য সংসদের প্রতি কণ্ঠভোট আহ্বান করেন। রাত ১০টা ৪০ মিনিটে সংসদ সদস্যদের কণ্ঠভোটে তা পাস হয়।
এর আগে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর আলোচনা করেন। এ সময় তিনি বেশকিছু প্রস্তাবনায় পরিবর্তন আনতে অনুরোধ করেন অর্থমন্ত্রীকে।
পরে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শগুলো সংশোধন হবে জানিয়ে অর্থবিল পাস করার জন্য উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।
এর আগে, গত ১ জুন সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উত্থাপন করেন অর্থমন্ত্রী।
পাস হওয়া অর্থবিলে ইন্টারনেট সেবার উপর প্রস্তাবিত ভ্যাট ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করেছেন অর্থমন্ত্রী।
ব্যবসায়ী পর্যায়ে কম্পিউটার ও এর যন্ত্রাংশের উপর আগের মতোই মূসক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। দেশীয় মোবাইল ফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উপর বর্তমান ভ্যাট সুবিধা বহাল রেখে সংযোজনকারী প্রতিষ্ঠানের জন্য স্থানীয় উৎপাদন পর্যায়ে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত ভ্যাট মাফ করা হয়েছে।
এছাড়া অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে মূসক দেয়া নিয়ে বিভ্রান্তি দূর করতে সোশ্যাল মিডিয়া ও ভার্চুয়াল বিজনেস সবা এবং তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর সেবার সংজ্ঞা সংশোধন করার কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী।








