জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সংলাপের যে আহ্বান জানিয়েছে তাকে দলটির রাজনৈতিক স্টান্টবাজি (ভাঁওতাবাজি) হিসেবে দেখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
শনিবার ধানমন্ডিস্থ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
সংলাপের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন রেখে কাদের বলেন: নির্বাচনে অংশ নেয়া বিএনপির অধিকার, এটা সুযোগ নয়। সরকারের দয়া দাক্ষিণ্য নিয়ে বিএনপি নির্বাচন করবে? তাহলে সংলাপে বসার কী প্রয়োজন!’
এটাকে দলটির রাজনৈতিক স্টান্টবাজি আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন: সংলাপের আহ্বান বিএনপির স্টান্টবাজি। সংলাপের কথা যতই বলে, সংলাপের মানসিকতা তাদের মাঝে নেই। সংলাপ তারা চায় না, সংলাপের ইচ্ছা থাকলে সেদিন নোংরা ভাষায় সংলাপের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতো না।
তবে, সংলাপের আহ্বান একেবারেই উড়িয়ে দিচ্ছেন না আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় শীর্ষ এ নেতা বলেন: এখন কারও সঙ্গে সংলাপের কোনো প্রয়োজন নেই। আগামী দিনে পরিস্থিতির প্রয়োজনে হলে সংলাপ হবে। তবে সেটা বিএনপির সাথেই হতে হবে এমন কোনো কথা নেই। অন্য কারো সাথেও হতে পারে।
খালেদা জিয়া নিজেই সংলাপের সকল পথ বন্ধ করেছেন অভিযোগ তিনি বলেন: সংলাপের রাস্তা বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নিজেই বন্ধ করেছেন। টেলিফোনে প্রধানমন্ত্রীর সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছিলেন। অশ্রাব্য ভাষার ব্যবহার করেছিলেন। সেদিন প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে গণভবনে আসলে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবেশ অন্যরকম হতো।
সরকারের চারবছর পূর্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যে ভাষণ দিয়েছেন তাকে আগামী নির্বাচন নয় আগামী প্রজন্মের জন্য দিক নির্দেশনামূলক ভাষণ মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন: ভাষণে জনগণ খুশি হয়েছে কিন্তু অখুশি হয়েছে বিএনপি।







