একটু এগিয়ে। যতটা পারা যায় বলের কাছে পা নিয়ে। প্রায় ৪৫ ওভার এভাবে ব্যাট করে গেছেন কুশল মেন্ডিস এবং ধনঞ্জয়া ডি সিলভা। মরা উইকেট হলে ওভাবে ব্যাট না করলেও চলত। কিছুটা টার্ন ছিল বলেই লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের ওই ‘সনাতন’ কৌশল। তৃতীয় ওভারে মিরাজের আঘাতের পর যেটা ভাবা হচ্ছিল, দুই ব্যাটসম্যান তাতে বালি ছিটিয়ে দিয়েছেন। বাংলাদেশের ৫১৩’র পাল্টায় তারা এক উইকেটে ১৮৭ রান নিয়ে দিন শেষ করেছেন।
উইকেট কখন তার খোলস বদলাবে, সেটা নিয়ে ধোঁয়াশা থেকেই গেল। প্রথমদিন সংবাদ সম্মেলনে লঙ্কান সহকারী কোচ সামারাবিরা বলেছিলেন, ‘আমরা একদিন ব্যাট না করা পর্যন্ত উইকেট সম্পর্কে কিছু বলতে পারছি না।’ বৃহস্পতিবার তাদের ইনিংসে উইকেট যেমনটা থাকল তাতে সামারাবিরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতেই পারেন। হলফ করে বলা যায়, উইকেট তার মেজাজ না হারালে এই ম্যাচ নিরামিষ থেকে যাবে।
পড়ুন: লড়াকু রিয়াদের দুই হাজার, পাঁচশ পার বাংলাদেশ
রাজ্জাকের অভিজ্ঞতা এই উইকেটে দরকার ছিল কি না, সে প্রশ্ন সাগরিকায় আরেকবার উঠে যাওয়ার কথা। কিন্তু বাস্তবতা হল এদিনও তাকে পানি টানতে দেখা গেছে। সন্ধ্যা নাগাদ ঢাকার বিমান ধরবেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক রিয়াদ ৮৩ রানে অপরাজিত থাকার সময় লঙ্কান বোলারদের কৌশলী বোলিং বেশ চোখে লাগছিল। বল স্পিন করার আগেই রিয়াদ স্লটে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেটা দেখে স্পিনার সান্দাকান কয়েকটি আউটসাইড অফস্টাম্প ডেলিভারিতে তাকে ভড়কে দেন। তাইজুল, সাঞ্জামুলরা মেন্ডিস, সিলভার জন্য সেটা আর করতে পারলেন কই?
সিলভা এদিন ১২২ বলে সেঞ্চুরি করেন। এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ টেস্ট সেঞ্চুরি। তিনি অপরাজিত আছেন ১০৪ রানে। তৃতীয়দিন তাকে সঙ্গ দেবেন ১৫২ বলে ৮৩ রান করা মেন্ডিস।
শ্রীলঙ্কা প্রথম ইনিংস: ১৮৭/১
(সিলভা ১০৪ *, মেন্ডিস ৮৩ *; মোস্তাফিজ ০/৩১, সাঞ্জামুল ০/৫২, মিরাজ ১/৪৫, তাইজুল ০/৫৬)
বাংলাদেশ প্রথম ইনিংস: ৫১৩
(মুমিনুল ১৭৬, মুশফিক ৯২, মাহমুদউল্লাহ ৮৩* তামিম ৫২, ইমরুল ৪০, সাঞ্জামুল ২৪; লাকমাল ৩/৬৮, হেরাথ ৩/১৫০, সান্দাকান ২/৯২, দিলরুয়ান ১/১১২।)।








