নারায়ণগঞ্জে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনায় মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের তদন্ত কমিটি হাইকোর্টে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। বৃহষ্পতিবার অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কটুক্তি সংক্রান্ত বিতর্কিত বিষয়টির কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। শিক্ষকের পদত্যাগের চিঠি আইনসিদ্ধ না হওয়ায় তিনি স্বপদে বহাল আছেন।
যে ছাত্র ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিলো তার বক্তব্যে অসংলগ্নতা ছিলো। পাশাপাশি যে প্রক্রিয়ায় শ্যামল কান্তিকে বরখাস্ত করা হয়েছিল তা বিধি বহির্ভূত হওয়ায় তাকে ওই পদে বহাল রাখা হয় বলে জানায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন। চার দফা সুপারিশসহ এই প্রতিবেদন অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে জমা দেয় শিক্ষা অধিদপ্তর।
আগামী ২৯মে আবারো আদালতে উঠবে বিষয়টি।
নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তের উপর স্থানীয় সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান এর উপস্থিতিতে ১৩ মে নির্যাতন চালানো হয়।
ছাত্রদের ওপর শারীরিক নির্যাতনসহ ৪টি অভিযোগ এনে এরপর ওই শিক্ষককে স্কুল থেকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। শিক্ষক লাঞ্ছনার ভিডিও ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িলে পড়লে দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিবাদ এবং বিক্ষোভ।
এই ঘটনায় বিরোধিতা করেন বিভিন্ন স্তরের মানুষরা। শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ ওই ঘটনাকে দুঃখজনক উল্লেখ করে মন্তব্য করেন, তদন্তের পরই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কিছু নিয়ম-নীতি অনুসরণ করতে হয়। না হয় সে ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা যাবে না। আমরা তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় আছি।
তদন্ত কমিটির রিপোর্ট সবাইকে অবহিত করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।







