রাশিয়া বিশ্বকাপের প্রথম নকআউটপর্ব বা দ্বিতীয় রাউন্ড শেষ হয়ে গেছে। এই পর্বের পারফর্ম্যান্স বিবেচনা করে বিভিন্ন দল থেকে সেরা খেলোয়াড় বাছাই করে একটি একাদশ সাজিয়েছে ফুটবল ভিত্তিক সংবাদ মাধ্যম গোলডটকম।
সেই একাদশে জায়গা হয়নি ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর মতো খেলোয়াড়ের। আবার এমবাপের মতো তরুণ তারকারা ঠিকই আছেন।

১. ইগোর আকিনফিভ (গোলরক্ষক): বড় বড় দলের তারকা গোলরক্ষকদের হার মানিয়েছেন স্বাগতিক রাশিয়ার আকিনফিভ। স্পেনের বিপক্ষে দুটি পেনাল্টি ঠেকিয়ে দলকে কোয়ার্টারে নিয়ে এসেছেন। এছাড়া অন্য ম্যাচে দারুণ সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন তিনি। শেষ ষোলোয় স্পেনের বিপক্ষে তিনি একটি ম্যাচ গোল হজম করেন। তাও নিজেদের খেলোয়াড়ের পা থেকে আসে সেই গোলটি।
২. মারিও ফিগুয়েরা ফার্নান্দেজ (রাইটব্যাক): র্যাইটব্যাক পজিশনেও অন্যদের চেয়ে এগিয়ে রাশিয়ার এই ফুটবলার। স্পেনের লেফট উইং প্রায় একাই কাবু করে রেখেছিলেন। ম্যাচটি নির্ধারিত সময়ে ১-১ গোলে স্থির থাকার পেছনে তার অবদান অনেক খানি।
৩. ভিক্টর লিন্ডলফ (সেন্টারব্যাক): সেন্টারব্যাক পজিশনে সুইডেনের ভিক্টর লিন্ডলফ বেশ নজর কেড়েছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই খেলোয়াড় আন্দ্রেস গ্রানকভিস্টের সঙ্গে জুটি গড়ে দলকে শেষ আটে নিয়ে যেতে অবদান রাখেন।

৪. ডিয়েগো গডিন (সেন্টারব্যাক): উরুগুয়ের গডিন পর্তুগালের বিপক্ষে দারুণ লড়াই করেন। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে আটকাতে তার ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো।
৫. ডিয়েগো লাক্সাল্ট: উরুগুয়ের আরেক ডিফেন্ডার লেফটব্যাক ডিয়েগো লাক্সান্ট রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই দারুণ খেলছেন। পর্তুগালের বিপক্ষেও ছন্দে ছিলেন।
৬. পল পগবা (সেন্টার মিডফিল্ডার): আর্জেন্টিনাকে ৪-৩ গোলে হারানো ম্যাচে পগবা ছিলেন ফ্রান্সের মাঝমাঠের প্রাণ। এমবাপেকে দারুণ সব বলের জোগান দিয়ে আর্জেন্টিনার কোমর ভেঙে দেন।
৭. মারুয়ান ফেলাইনি (সেন্টার মিডফিল্ডার): জাপানের বিপক্ষে বেলজিয়ামের অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে মাঝমাঠে দারুণ ভূমিকা রাখেন। বেশ কয়েকটি বলের যোগান দিয়ে দলকে ৩-২ ব্যবধানে জিততে সাহায্য করেন।
৮. তাকাশি ইনুই (সেন্টার মিডফিল্ডার): জাপান বাদ পড়লেও তাদের বেশ কয়েকজন ফুটবলার নজর কেড়েছেন। তাদের মধ্যে অন্যতম তাকাশি ইনুই।

৯. এমবাপে (ফরোয়ার্ড): এমবাপে গতি দিয়ে চমক দেখিয়েছেন। বোল্টের মতো যে গতিতে তিনি ছুটেছেন, তাতেই বাড়ির পথ ধরতে হয় আর্জেন্টিনাকে। শেষ ষোলোয় তার বিকল্প ফরোয়ার্ডে তাই খুঁজে পাওয়া দায়।
১০. কাভানি (ফরোয়ার্ড): উরুগুয়ের এই স্ট্রাইকার নিজের ফিনিশিং দক্ষতার প্রমাণ রাখছেন। পর্তুগালের বিপক্ষে দুটি গোল করে একাই ম্যাচ বের করে নেন।
১১. নেইমার: নিজে খেলছেন, সতীর্থদের দিয়ে খেলাচ্ছেন, আক্রমণভাগে জায়গা তৈরি করছেন। এবারের বিশ্বকাপে এভাবেই নেইমার নিজের নামের প্রতি সুবিচার করছেন। ব্রাজিলের কোয়ার্টারে আসার পেছনে তার অবদান অনেকখানি।








