নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ৮ উইকেটে হেরেছে টিম টাইগার্সরা। এরফলে তিন ম্যাচ সিরিজের সবগুলোতেই হারতে হলো বাংলাদেশকে।
শনিবার নেলসনের স্যাক্সটন ওভালে বাংলাদেশের দেওয়া ২৩৭ রানের লক্ষ্য ৫২ বল বাকি রেখেই দুই উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। কিউইদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৯৫ রান করেন কেন উইলিয়ামসন। এছাড়া নেইল ব্রুম করেন ৯৬ রান।
২৩৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই কাটার মাস্টার মোস্তাফিজের আঘাত। এক ম্যাচ পর ফিরে এসেই নিজের প্রথম ওভারেই স্বাগতিক শিবিরে আঘাত করেন বাঁহাতি পেসার। প্রথম ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান টম লাথামকে সাজঘরে ফেরত পাঠান মুস্তাফিজ। কাটারমাস্টারের বলে এলবিডাব্লিউ হন লাথাম (৪)।
১০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর ১৬ রানে মার্টিন গাপটিল চোটের কারণে মাঠ ছাড়েন। মোস্তাফিজের পরের ওভারের পঞ্চম বলে প্রথম স্লিপে দাঁড়িয়ে নেইল ব্রুমের ক্যাচ মিস করেন ইমরুল কায়েস। মোস্তাফিজের লাফিয়ে উঠা বলে খোঁচা লাগিয়ে দিয়েছিলেন দ্বিতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া নেইল ব্রুম। প্রথম স্লিপে দাঁড়ানো ইমরুল বল তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হন।
দ্বিতীয় উইকেটে এরপর জুটি বাঁধেন কেন উইলিয়ামসন ও নেইল ব্রুম। তাদের দুজনের ব্যাটে প্রতিরোধ পেয়েছে কিউইরা। ৭৪ রান যোগ করেছেন তারা।
শূন্য রানে মুস্তাফিজের বলে ইমরুলের হাতে জীবন পেয়েছিলেন নেইল ব্রুম। জীবন পাওয়ার পর বাংলাদেশের বোলারদের কড়া শাসন করেন ডানহাতি এ ব্যাটসম্যান। দারুণ ব্যাটিং করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সেঞ্চুরির পথে। কিন্তু মুস্তাফিজ তাকে ঠিকই আটকালেন। ৯৭ রানে মুস্তাফিজের স্লোয়ারে গালিতে মাশরাফির হাতে ক্যাচ দেন গত ম্যাচে সেঞ্চুরির স্বাদ পাওয়া ব্রুম। ৯৭ বলে ১২ চার ও ১ ছক্কায় ইনিংসটি সাজিয়ে সাজঘরে ফিরেন ব্রুম।
বাংলাদেশী বোলারদের মধ্যে দুটি উইকেট শিকার করেন মোস্তাফিজুর রহমান।
এর আগে টস জিতে কোনো উইকেট না হারিয়েই ১০০ রান পেরিয়ে গিয়েছিল মাশরাফি বিন মু্র্তজার দল। তবে এরপর ব্যাটিং ধসে চাপের মুখে পড়ে টাইগাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে বাংলাদেশ তুলেছে ২৩৬ রান।
শেষ দিকে নুরুল হাসান সোহানের ৪৪ ও মাশরাফি বিন মর্তুজার ব্যাটে আসা ১৮ রানের ইনিংসে মাঝারি মানের পুঁজি পায় বাংলাদেশ।
কিউই পেসার জেমস নিশাম ও ম্যাট হেনরি নিয়েছেন দু’টি করে উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন টিম সাউদি, জিতেন প্যাটেল, কেন উইলিয়ামসন, জেমস নিশাম ও মিশেল স্যান্টনার।







