জয়ের জন্য শেষ ৩ ওভারে পাঞ্জাব কিংসের দরকার ছিল ৫০ রান। দলটির পরাজয়কে তখন মনে হচ্ছিল কেবলই সময়ের ব্যাপার। এরপরই ম্যাচে আসে নাটকীয় মোড়। শশাঙ্ক সিং ও আশুতোষ শর্মার টর্নেডো জুটি পাঞ্জাবকে জয়ের একদম কাছে নিয়ে যায়। তবে নাটকীয় খেলায় মারে ২ রানের জয় নিয়ে শেষ পর্যন্ত মাঠ ছাড়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ।
মুল্লানপুরে মঙ্গলবার রাতে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামা হায়দরাবাদ ৯ উইকেটে ১৮২ রানের পুঁজি পায়। জবাবে পাঞ্জাব ৬ উইকেটে ১৮০ রানে থামে।
পাঁচ খেলায় ৩ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের পঞ্চম স্থানে হায়দরাবাদ। পাঞ্জাব ৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে আছে। চার ম্যাচের সবকটিতে জিতে শীর্ষে রাজস্থান রয়্যালস।
ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক মেজাজে ইনিংস শুরু করা ট্রাভিস হেড ১৫ বলে ৪টি চারে ২১ রানে সাজঘরে ফেরেন। দলীয় ১০০ রানে ৫ উইকেট পতনের পর আবদুল সামাদকে নিয়ে ৫০ রানের জুটি গড়েন নিতীশ।
১২ বলে ৫ চারে ২৫ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলে সামাদ সাজঘরে ফিরলে জুটি ভাঙে। খানিক পর কাগিসো রাবাদার তালুবন্দি হয়ে ফেরেন ৩৭ বলে ৪টি চার ও ৫ ছক্কায় ৬৪ রানের ইনিংস খেলা নিতীশ।
শেষদিকে শাহবাজ আহমেদ ৭ বলে এক চার ও এক ছক্কায় ১৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। এক বল মোকাবিলা করা জয়দেব উনাদকাট মারেন ছক্কা।
পাঞ্জাবের হয়ে আর্শদীপ সিং ছিলেন সফল বোলার। চার ওভারে ২৯ রান খরচায় নেন ৪ উইকেট।
লক্ষ্য তাড়ায় ২০ রানে ৩ উইকেট খুইয়ে পাঞ্জাব বিপদে পড়ে। দলীয় ১১৪ রানের মাথায় হারায় ষষ্ঠ উইকেট। এরপর বাইশ গজে শুরু হয় শশাঙ্ক সিং ও আশুতোষ শর্মার ঝড়।
শেষ ওভারে পাঞ্জাবের দরকার ছিল ২৯ রান। প্রথম বলে আশুতোষ ছক্কা হাঁকানোর পর টানা দুটি হোয়াইড দেন উনাদকাট। এরপর আবারো ছক্কা। তৃতীয় ও চতুর্থ বলে আশুতোষ নেন মোট ৪ রান। এরপর আবারো হোয়াইড । পঞ্চম বলে আশুতোষ ক্যাচ দিয়ে জীবন পেলেও এক রানের বেশি নিতে পারেননি। তাই শেষ বলে পাঞ্জাবের সামনে জয়ের জন্য ৯ রানের সমীকরণ দাঁড়ায়। শশাঙ্ক শেষ বলে ছক্কা মেরে পাঞ্জাবের আফসোসটাই বাড়ান
হায়দরাবাদের পক্ষে ৩২ রান দিয়ে দুটি উইকেট পকেটে পুরেন ভুবনেশ্বর কুমার।








