সুপার লিগে উঠতে জয়ের বিকল্প ছিল না প্রাইম ব্যাংকের সামনে। খেলাঘরের অবশ্য হারলেও শঙ্কা ছিল না। এমন সমীকরণের ম্যাচে লড়াইটা হল শ্বাসরুদ্ধকরই। যার নিষ্পত্তি শেষ বলের বাউন্ডারিতে। চার মেরে প্রাইমদের স্বপ্ন ভেঙে খেলাঘরকে ২ উইকেটে জিতিয়েছেন মাসুম খান।
বিকেএসপিতে ২৬২ রান তাড়া করা খেলাঘরের শেষ ওভারে দরকার ছিল ১২ রান। দেলোয়ার হোসেনের প্রথম বলে ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদলান মাসুম। দ্বিতীয় বলে ১ রানের জন্য ছুটে রানআউট মোহাম্মদ সাদ্দাম। উইকেটে থিতু হয়ে যাওয়া মাসুম স্ট্রাইক পাওয়ায় শেষটা হয় রোমাঞ্চকর। তৃতীয় বলে মাসুম নেন দুই রান, চতুর্থ বলে আসে বাউন্ডারি, পঞ্চম বলে আবার দুই রান। শেষ বলে যখন তিন রান দরকার তখন বাউন্ডারি মেরে দেন মাসুম।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে রাউন্ড রবিন লিগের শেষ ম্যাচে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৫ ওভারে ২৬১ রানে অলআউট হয় প্রাইম ব্যাংক। ৬ রানের জন্য সেঞ্চুরি পাননি আল-আমিন। ৯৬ বলে ৯৪ রানের ইনিংস খেলে রবিউল ইসলামের বলে আউট হন এ ডানহাতি ব্যাটসম্যান। ইনিংসে ছিল ১০ চার ও ৩ ছক্কা। মেহরাব হোসেন জুনিয়র ৩৭ ও নাহিদুল ইসলাম করেন ২৮ রান।
মোহাম্মদ সাদ্দাম নেন চার উইকেট। তানভির ইসলাম তিনটি, রবিউল ইসলাম রবি দুটি উইকেট নেন। একটি উইকেট নেন মাসুম খান।
জবাব দিতে নেমে ২৩ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বসে খেলাঘর। দুই ওপেনার সাজঘরে ফিরে গেলে হাল ধরেন মিডলঅর্ডার ব্যাটসম্যানরা। অমিত মজুমদারের ৭১, রাফাসান আল মাহমুদের ৪০ ও অশোক মানেরিয়ার ৬৩ রানের ইনিংসে ম্যাচে থাকে খেলাঘর।
শেষটায় অবশ্য খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছিল ম্যাচ। ৯ নম্বরে নামা মাসুম খান ২৬ বলে ৩৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংসে জয় পায় খেলাঘর।
শরিফুল ইসলাম নেন চার উইকেট। একটি করে উইকেট নিয়েছেন এনামুল হক জুনিয়র ও নাহিদুল ইসলাম।
১১ ম্যাচে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে খেলাঘর। অন্যদিকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে প্রিমিয়ার লিগ শেষ করল প্রাইম ব্যাংক।








