পাকিস্তান ম্যাচকে মনে করিয়ে ভারতের বিপক্ষেও ৭-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। এমন ম্যাচে কিছু প্রাপ্তির প্রত্যাশা অনেকটা ডোবার আগে খড়কুটো আঁকড়ে ধরার মতো। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে রাসেল মাহমুদ জিমি যেন সেটাই করতে চাইলেন। এমন দিনে ‘শেষ পর্যন্ত লড়ার মানসিকতা’ খুঁজে পেয়েছেন তিনি!
ম্যাচের প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যেই ৫-০ গোলে পিছিয়ে পড়ে বাংলাদেশ। পরের ৩০ মিনিটে ভারত গোল করতে পেরেছে দুটি। জিমির মতে বাংলাদেশের প্রাপ্তি এখানেই।
‘আমরা কোচের কথা মতোই খেলতে পেরেছি। ম্যাচের শুরুতে যদি দেখেন অনেকগুলো গোল খেয়েছি। কোচ আমাদের বলেছেন যেন লড়াইটা চালিয়ে যাই। শেষ পর্যন্ত আমাদের খেলা দেখতে বলেছেন কোচ। আমরা কিন্তু লড়াইটা চালিয়ে গেছি। না হলে আরও বেশি গোল হতে পারতো।’ বলছিলেন জিমি।
৭ গোল খাওয়ার পর আর কী লড়াই হতে পারে? ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে জিমির উওর, ‘দেখেন ওরা ১১টা পেনাল্টি কর্নার থেকে মাত্র একটি গোল করতে পেরেছে। যদি আমাদের লড়াইয়ের মানসিকতা না থাকতো তাহলে তো গোলের ব্যবধান অনেক হতে পারতো। হকিতে ৭-৮ গোল বেশি কিছু না। প্রায় সব ম্যাচেই এখন এরকম গোল হচ্ছে।’
ভরাডুবির শেষ ম্যাচে ছিলেন না প্রথম ম্যাচের গোলরক্ষক অসীম গোপ। তার বদলি হিসেবে খেলা আবু নিপ্পন ‘সেরা নৈপুণ্য’ দেখিয়েছেন বলে দাবি বাংলাদেশের টিম ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম কামালের, ‘পাকিস্তান ম্যাচে অসীম এমন সব ভুল করেছিল যার কারণে এই ম্যাচে তাকে রাখা যায়নি। তার জায়গায় নিপ্পন আজকে নিজের সেরা নৈপুণ্য দেখিয়েছে। সামনের ম্যাচে এই লড়াইটুকুই আমাদের ভাল মানসিকতা যোগাবে।’








