বিআরবি কেবলস বিপিএল সিজন থ্রী’র লিগ পর্যায়ের শেষ দিনে শেষ চারে উঠার লড়াইয়ে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানের কাছে পরাজিত হয়েছে সিলেট সুপারস্টার্স। বড় স্কোর তাড়া করতে নেমে বিপর্যয়ের মুখে সিলেট সুপারস্টার্স মাত্র ৭৯ রানে তাদের সবগুলো উইকেট হারিয়ে ফেলে। শহীদ আফ্রিদির সিলেটের বিপিএল যাত্রা শেষ হলো ৭১ রানের বিশাল পরাজয়ে। আর সিলেটের পরাজয়ে শেষ চারে জায়গা করে নিলো ঢাকা ডায়নামাইটস।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দুই অঙ্কের ইনিংস খেলেন সিলেটের মাত্র তিনজন ব্যাটসম্যান। ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ স্কোর ২১ রান জশুয়া কোবের। পরের স্কোরটি মাত্র ১৫ রানের। যা মমিনুল হক করেন অপরাজিত থেকে। তবে মমিনুলের মতো ‘টেস্ট বিশেষজ্ঞ’ এবং রানের চাকা সচল রাখার মতো ব্যাটসম্যানকে ৭ম উইকেটে ব্যাট করতে পাঠানোটা মনে খটকা জাগায়। তৃতীয় সর্বোচ্চ ১৩ রানের সংগ্রহটি আসে অবশ্য অতিরিক্ত খাতে। উদ্বোধনী কোবের সঙ্গ দিতে নামা জুনায়েদ সিদ্দিকি ১০ রান করেন। চরম ব্যর্থতার পরিচয় দেয়া সিলেটের ব্যাটসম্যানদের দলীয় ইনিংস গুটিয়ে যায় মাত্র ১৩.৫ ওভারেই।
সিলেটের ব্যাটিং লাইনে ধস নামানোয় মুখ্য ভুমিকাটি রাখেন শুভাগোত হোম তিন উইকেট শিকার করে। তিন ওভার বল করে মাত্র ওভারপ্রতি ২.৬৬ রান দেন শুভাগত। এছাড়াও এন্ড্রু রাসেল এবং আশার জায়িদী দুইটি করে উইকেট নেন। তারাও ওভারপ্রতি রানকে ৪ এর মধ্যেই আটকে রাখেন। রাসেলতো ২.৫ ওভার করে মাত্র ৩.১৭ রান করে দেন। এছাড়াও একটি করে উইকেট শিকার করেন আবু হায়দার রনি ও নাইম ইসলাম জুনিয়র।
এর আগে টসে হেরে ব্যাট করতে নামা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের ত্রিশ ছাড়ানো তিন ইনিংসের সুবাদে ২০ ওভার শেষে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান সংগ্রহ করে। আগেই শেষ চার নিশ্চিত করা মাশরাফি বাহিনীর অলোক কপালি ২৬ বলে ৩২ রান এবং আশার জায়িদী ২৯ বলে ৩১ রান করেন। সিলেটের বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট পান মোহাম্মদ শহীদ, রুবেল হোসেন এবং শহীদ আফ্রিদি।
ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হন ৩১ বলে ৪২ রানের ইনিংস খেলা আহমেদ শেহজাদ।






