বিশ্বের ষষ্ঠ ভেন্যু হিসেবে একশ ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজনের সামনে দাঁড়িয়ে শের-ই-বাংলা স্টেডিয়াম। বুধবার শ্রীলঙ্কা-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়ে মাইলফলকে নাম লেখাবে বাংলাদেশের মূল ক্রিকেট ভেন্যুটি।
সোমবার মাঠটির ৯৯তম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ৮ উইকেট হারিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে শুভসূচনা করেছে স্বাগতিক বাংলাদেশ। অলরাউন্ড নৈপুণ্য দেখিয়ে ম্যাচসেরার পুরস্কার পাওয়া সাকিব আল হাসান সংবাদ সম্মেলনে এসে খুব চেনা এই মাঠ সম্পর্কিত প্রশ্নের সামনেও পড়ে গেলেন।
‘মিরপুরে আমাদের স্বাভাবিকভাবেই অনেক ম্যাচ হয়। একশ ম্যাচ হবে, দেড়শ ম্যাচ হবে, দুইশ ম্যাচ হবে; এটাই প্রত্যাশা করি। ভাল একটা উপলক্ষ মাঠের জন্য।’ কি বলবেন কি বলবেন করতে করতেও হোম অব ক্রিকেট নিয়ে সাকিব এমনটাই বললেন।
একশতম ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজন করতে মিরপুরের এ স্টেডিয়ামটির সময় লাগছে ১১ বছর। যা বিশ্বের অন্য একশ ছোঁয়া স্টেডিয়ামগুলোর থেকে সবচেয়ে কম সময়ের রেকর্ড। ২০০৬ সালের ৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও জিম্বাবুয়ে ম্যাচ দিয়েই আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু করেছিল স্টেডিয়ামটি। সেই ম্যাচেও ৮ উইকেটের বড় জয় পায় স্বাগতিক বাংলাদেশ। পরে ১১ বছরের যাত্রা পথে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে একশটি ম্যাচ আয়োজন করতে চলেছে হোম অব ক্রিকেট।
বাংলাদেশের অনেক গৌরবের সাক্ষী মিরপুর স্টেডিয়ামটি। যেখানে ২০১০ সালে বাংলাওয়াশ নামে খ্যাত সিরিজে নিউজিল্যান্ডকে ৪-০তে সিরিজ হারানো, ২০১২ সালে এশিয়া কাপের ফাইনালে খেলা। পরবর্তীতে পাকিস্তান, ভারত, সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে টানা তিনটি ওয়ানডে জয়ের কীর্তি আছে। এ মাঠে ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টেস্ট জয়ের স্মৃতিও তরতাজাই।








