ফ্রাঙ্কোফোন বা ফরাসি ভাষা ব্যবহারকারী দেশগুলোতে ‘আন্তর্জাতিক ফ্রাঙ্কোফোনি দিবস’ উদ্যাপন করা হয় ২০ মার্চ। এ উপলক্ষে আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় আজ ১৪ মার্চ থেকে শুরু হলো ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতির উৎসব ‘ফ্রাঙ্কোফোনি উৎসব ২০১৭’। চলবে ২৫শে মার্চ পর্যন্ত।
আয়োজকদের কাছ থেকে জানা গেছে, আজ সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয় ফ্রাঙ্কোফোনি কনসার্ট। অন্য দিনগুলোর অনুষ্ঠানমালায় থাকছে ফরাসি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ‘পেতঙ্ক’, ল্যাবসি-তোয়া প্রতিযোগিতা, স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনী, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ পরিদর্শন, অনুবাদ প্রতিযোগিতা, সাহিত্য বিষয়ে আলোচনা ইত্যাদি।
সম্প্রতি রাজধানীর আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ দো ঢাকায় ফরাসি ভাষা ও সংস্কৃতির ধারক ছয় দেশের রাষ্ট্রদূত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ফ্রাঙ্কোফোনি উৎসব আয়োজনের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন ঢাকায় নিযুক্ত ফরাসী রাষ্ট্রদূত অবার্ট সোফি, কানাডার হাই কমিশনার বেনওয়া পিয়ের লাঘামে, মিসরের রাষ্ট্রদূত মাহমুদ ইজ্জাত, ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত নেগুয়েন কুয়াং, সুইজারল্যান্ডের ডেপুটি হেড অব মিশন ক্যারোলিন ট্রোয়েলার এবং মরক্কোর চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স (সিডিএ) সায়িদ কাসমি।
ফরাসি রাষ্ট্রদূত অবার্ট সোফি বলেন, ‘বিশ্বে ২৮ কোটি মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলেন। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে ৩২টি দেশে। তবে ফ্রাঙ্কোফোনি কেবল ভাষার সম্প্রদায় নয়, বরং অভিন্ন সংস্কৃতি, মূল্যবোধ তথা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত।’
কানাডার হাই কমিশনার বেনওয়া পিয়ের লাঘামে বলেন, ‘আমার দেশের ২৫ শতাংশ জনগোষ্ঠীর মাতৃভাষা ফরাসি। ফলে উৎসবটি আমাকে নিজের বাড়ির কাছে নিয়ে যায়।’
ঢাকায় অবস্থানরত ফ্রাঙ্কোফোনি মিশনগুলো হলো কানাডীয় হাইকমিশন, মিশর, ফরাসি, মরক্কো, কাতার, সুইজারল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। বিশ্বের শতাধিক দেশে এই উৎসব উদ্যাপন করা হয়।







