মোস্তাফিজুর রহমান ও সানজামুল ইসলামের দারুণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিনেই থেমেছে শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের প্রথম ইনিংস। সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে সিহান জয়সুরিয়ার ১৪২ রানের অনবদ্য ইনিংসের পরও খুব বেশিদূর যেতে পারেনি সফরকারীরা। ৩১২ রানে থামতে হয়েছে তাদের।
সানজামুল চারটি, মোস্তাফিজ তিনটি, নাঈম হাসান দুটি ও সৌম্য সরকার নেন একটি করে উইকেট।
প্রথম ইনিংসে ১৬৭ রানে গুটিয়ে যাওয়া বাংলাদেশ ‘এ’ দল দ্বিতীয় ইনিংসে এক উইকেটে হারিয়ে তুলেছে ৫৭ রান। সাদমান ইসলাম ১৯ রান করে পুষ্পাকুমারার বলে স্টাম্পিং হন। আরেক ওপেনার সৌম্য ২৪ ও মিজানুর রহমান ১৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। বাংলাদেশ এখনও পিছিয়ে ৮৮ রানে।
প্রথম দিন ৩ উইকেট হারিয়ে ৭৮ রান তুলেছিল শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় দিনে ৭ রান নিয়ে নামা চারিথ আশালঙ্কা মোস্তাফিজের প্রথম বলেই ক্যাচ তুলে দেন সৌম্যর হাতে। সুন্দর শুরুর পরও অবশ্য লঙ্কান ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরতে পারেনি টাইগার বোলাররা।

পঞ্চম উইকেটে ১১৮ রানের জুটি গড়েন আশান সাম্মু ও জয়সুরিয়া। ৬০ রান করে সানজামুলের বলে শাস্মু এলবিডব্লিউ হলে ভাঙে জুটি। দলের রান আড়াইশ পেরিয়ে যাওয়ার আগে সানজামুলের বলে জয়সুরিয়া সাজঘরে ফিরলে স্বস্তি ফেরে স্বাগতিক শিবিরে। মোস্তাফিজ-সানজামুল-নাঈমরা দ্রুত উইকেট তুলে তিনশ পেরোনোর পরপরই থেমে যায় লঙ্কানদের ইনিংস।
ইনজুরি কাটিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের ওয়ানডে সিরিজে খেলতে যাওয়ার অপেক্ষায় থাকা মোস্তাফিজুর রহমান ১১ ওভার বোলিং করেছেন। আইপিএল খেলে আঙুলের ইনজুরি নিয়ে ফেরা এ বাঁহাতি পেসারের জন্য ম্যাচ অনুশীলনের সুযোগের বোলিংয়ে পাওয়া গেছে ফর্মে ফেরার আভাস।
শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম দুটি চারদিনের ম্যাচই ড্র করেছে বাংলাদেশ ‘এ’ দল। মঙ্গলবার সিলেটে শুরু হওয়া তৃতীয় ম্যাচে নির্ধারণ হবে সিরিজের ভাগ্য। ড্র’য়ের বৃত্ত কাটিয়ে শেষ ম্যাচে মিলেছে ফলের আভাস। প্রথম দুই দিনে পড়েছে ২০ উইকেট।







