দ্রোহের মন্ত্রে ভালোবাসার কথা বলেন মাসুদ হাসান। কাজে। কর্মে। পরম ভালোবাসায় যে দ্রোহের মূর্তি তিনি এঁকেছেন তার সমস্ত সৃষ্টিকর্মে। ছবি থেকে গান কিংবা ভিজ্যুয়াল ফিকশনে। সব জায়গায়। শুন্যের গোড়ায় সুমন, শিবুর (মেজবাউর রহমান সুমন ও শিবু কুমার শীল) সঙ্গে মিলে গড়ে তুলেছিলেন ‘মেঘদল’। এরপর আরো কতো কতো সৃষ্টি। নাটক, টেলিছবি আর বিজ্ঞাপনচিত্র! যে জীবন ফড়িংয়ের, ধুলোর মানুষ-মানুষের ঘ্রাণ, ফসিলের কান্না, কালো বরফ জমাট অন্ধকার কিংবা থতমত এই শহরের মতো কতো কতো গল্প আর চরিত্ররা যে জীবন পেয়েছে তার হাত ধরে!
এবার তার পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তির দ্বারপ্রান্তে। নাম ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’। দিন কয়েকের মধ্যে যাবে সেন্সরে। মুক্তির অনুমতি পেলে শিগগির প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির ছকও এঁকেছেন দক্ষ শিল্পীর মতোই। সম্প্রতি এসমস্তই বলেছেন চ্যানেল আই অনলাইনকে:
কেমন আছেন?
হ্যাঁ, ভালো আছি।
আপনার প্রথম ফিচার ফিল্ম ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এর কী অবস্থা?
ভাল আছে। রিলিজ করার প্রস্তুতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি।

২০১৭ সাল থেকে সিনেমাটার কথা শুনে আসছি। দীর্ঘ একটা জার্নি…?
আসলে ২০১৭ সাল বললে মানুষ খুব বিভ্রান্ত হয়। কারণ এটা ২০১৭ সালের ছবি না। সে বছরের অক্টোবরে ৫/৬ দিনের শুটিং করেছিলাম। তখন ছিলো শরৎকাল। এরপর আমার কিছু শুট করার কথা ছিলো বর্ষাকালে। তারমানে আমার সিনেমায় ঋতু বৈচিত্রের ব্যাপার আছে এরকম না। আমি আসলে কালার টেম্পারেচার, এনভায়রনমেন্ট-এর যে একটা এফেক্ট থাকে, সেটা নিয়ে কাজ করি। এরপর বর্ষাকালে কাজ করেছি, শীতেও কিছুটা শুট করেছি। এই সিনেমার শুটিং প্রপারলি আমি শেষ করেছি ২০১৯ সালের মাঝামাঝিতে এসে। ‘লাইফ অব পাই’-এর কাজ অ্যাং লি শুরু করেছিলেন ২০০৫ সালে, কিন্তু এটি রিলিজ পেয়েছে ২০১২ সালে এসে। ‘অ্যাভাটার’ ছবিটিও তৈরী করতে ৫ বছর লেগেছে। তারমানে আমি বলছি না যে, অ্যাংলি কিংবা জেমস ক্যামেরনদের মতো হাইটেক ছবি বানিয়েছি। আমি কী ছবি বানিয়েছি এটা দিন কয়েকের মধ্যে টিজার আসলেই মানুষ বুঝতে পারবেন! আমি কোনো কনভেনশনাল ছবি বানাই নি, বা এটা কোনো টিপিক্যাল আর্ট ফর্মের ছবিও না। দিস ইজ সামথিং নিউ! আর একটা সিনেমার কোয়ালিটি শুধু ভালো শুট করার উপর ডিপেন্ড করে না। এটার পোস্টপ্রোডাকশন কেমন হচ্ছে, এটার সাউন্ডের কাজ কেমন হচ্ছে, এটার ভয়েস ডেলিভারি কেমন হচ্ছে-এগুলো এনসিওর করা লাগে একটি কোয়ালিটিফুল সিনেমা বানাতে।
তাহলে দর্শককে কোয়ালিটিফুল একটি বাংলা ছবি দেখার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন?
আমি এভাবেই প্ল্যান করেছি যেনো আমার সিনেমাটিতে কোয়ালিটি কম্প্রোমাইজ না হয়। আমি সেই কম্প্রোমাইজ করিও নি। সিনেমাটি দেখে কখনোই মনে হবে না যে, একজন বাঙালি ডিরেক্টর তার স্বল্প সামর্থে যা করেছে তাই বানালো এবং অডিয়েন্স একটা গ্রেস মার্ক দিয়ে পাশ করাবে আর বলবে ‘আহ্, লোকটা চেষ্টা করেছিলো! আরেকটু হলে ভাল হতো!’-এরকম আমার পছন্দ নয়, আমার সিনেমা নিয়ে এরকমটা হোক আমি সেটা চাই না। এজন্য আমার কোনো ফেসবুক স্ট্যাটাস পাবেন না যে, আমি কোথাও বলেছি ‘আসুন, বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান বা বাংলা সিনেমাকে উদ্ধার করুন!’
আপনি এক ধরনের ম্যাচিউরড দর্শক প্রত্যাশা করেন, ফেসবুক স্ট্যাটাসে এমনটা লক্ষ্য করা যায়!
সেটাতো বটেই! আবার কোনো দর্শককেই আমি কিন্তু খাটো করে দেখছি না। কারণ ডিরেক্টর হিসেবে আমি যদি নিজেকে অনেক হীনমন্য মনে করি, আমার নিজের কাজের প্রতি যদি আত্মবিশ্বাস না থাকে তাহলে আমি কেন আশা করবো যে ছবিটি দর্শক দেখবে? আমার কাজে আত্মবিশ্বাস নাই, অথচ দর্শককে পায়ে ধরে হলে নিয়ে আসলাম। এটাতো আমি পারবো না। এটাতো দর্শকের সাথে এক ধরনের ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইলিং! এটা কী একজন নির্মাতার মানায়? একজন শিল্পমনা মানুষের দ্বারা এটা সম্ভব? নিশ্চয় মানায় না, তো সেই জায়গা থেকে আমি পুরোপুরি আত্মবিশ্বাস নিয়ে ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ সিনেমাটি বানিয়েছি। সিনেমাটি প্রস্তুত হওয়ার পর আমি দেখেছি, যা চেয়েছিলাম তার অনেকটাই পেরেছি। তারপর আমি বলেছি, এখন সিনেমাটি রিলিজ হতে পারে!
প্রায়শই নতুন নির্মাতাদের বলতে শোনা যায়, বাজেট আরো বেশি হলে সিনেমাটি আরো দুর্দান্ত হতো…!
সামর্থের কথা কী বলবো, যেহেতু আমরা বাংলাদেশি মেকার! কিন্তু কম সামর্থকে আমি কখনো এক্সকিউজ হিসেবে দেখাতে চাই না। আমি কখনো বলবো না যে, আমার স্বল্প সামর্থের কারণে ছবিটি হয়ে উঠেনি। একজন দুর্বল চিন্তার পরিচালককে একশো কোটি টাকা দিলেও লাভ নেই আসলে। সুতরাং বাজেট সব সময় যে বিরাট ব্যাপার, এটা আমি এখনো মনে করছি না। আমার ছবিটি দেখার পর মানুষ যদি বলে ছবিটি হয়নি, তখন আমি বলবো এটা আমার ব্যর্থতা। কিন্তু কখনোই আমি বলবো না যে বাজেট ভাল হলে আমি পারতাম!
ছবিটির মুক্তি নিয়ে কী ভাবছেন?
এরমধ্যে বেশকিছু সংবাদে দেখলাম ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এর মুক্তি নাকি কয়েক দফা পিছিয়েছে। অথচ আমি কিন্তু একবারও কোথাও বলিনি যে, অমুক দিন ছবিটি মুক্তি দিবো! যাইহোক, বাংলাদেশে যত ধরনের আমলাতান্ত্রিক জটিলতা আছে সেই জটিলতার মধ্যে একটি হলো ছবি রিলিজ করা। বিষয়টি খুব ডিফিকাল্ট। আর সমস্ত জটিলতা নিয়ে ভাবতে হয় নির্মাতাকে। হলে ছবিটা পৌঁছালে এবং ভাল লাগলে দর্শক তালি দেয়, ভাল না লাগলে গালি দেয়। কিন্তু একজন নির্মাতার জন্য সেই ছবিটা সফল হতেই হবে, এরকম একটা ব্যাপার। আজকে আমার টিজারও যদি ব্যর্থ হয়, তাহলে তার নেতিবাচক প্রভাব কিন্তু আমার সিনেমাতেও পড়বে। তাই একটা টিজার ছাড়তেও আমাকে ভাবতে হচ্ছে! আনুষ্ঠানিক ভাবে আমরা ছবির প্রচারণাও শুরু করিনি, শিগগির সেটা শুরু করবো। সিনেমার মার্কেটিং নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আমাদের।
সিনেমা বানানোর চেয়ে এর রিলিজ প্রক্রিয়া বেশি কঠিন, এরকম মনে হচ্ছে?
আমি আগে থেকেই জানি যে, সিনেমা বানানোর চেয়ে রিলিজ দেয়া কঠিন। এখন দুইভাবে যে কেউ তার ছবি রিলিজ দিতে পারেন। এক হচ্ছে কনভেনশনাল পদ্ধতিতে, যেভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে বিরাট আয়োজনে ছবি মুক্তি দেয়া হয়। আমরা একটা উদ্ভট বিষয়ের মধ্যে আছি। শ্রম এবং অর্থ ব্যয় করে একটি সিনেমা বানানোর পর ডিরেক্টর নিজেও বিশ্বাস করেন এবং তার আশপাশের লোকজন বলে ‘ভাই আপনার ছবিটা ব্যবসা দিয়ে কিছু আসে যায় না, রিলিজ দিতে পারলেই খুশি থাকেন!’-কেন ভাই? এটা কি একটা দাতব্য সেবা? একটা সিনেমার মধ্যে এত শ্রম, অর্থ ব্যয় করার পর যখন বেনিয়ারা এসে বলে, ‘আমি তোমার ছবি চালিয়ে দিচ্ছি এটাই তো বড় কথা, লোকে তোমাকে চিনবে।’ তো আমার এই লোক চেনানোর দরকার নেই কাউকে। লস করলে নিজ দায়িত্বে লস করতে চাই, লাভ করলে নিজ দায়িত্বে লাভ করতে চাই। আমাকে অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা যেসব হল দেবে শুধুমাত্র তাদের কাছে এই ছবিটি রিলিজ করতে চাই। ইতোমধ্যে ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ রিলিজের দায়িত্বে একটি প্রতিষ্ঠান আছে, সে প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী হচ্ছেন এশা ইউসুফ।
যে জীবন ফড়িংয়ের, থতমত এই শহরে, ধুলোর মানুষ-মানুষের ঘ্রাণ কিংবা ফসিলের কান্নার মতো কাব্যিক নাম আপনার টিভি ফিকশনগুলোর। সিনেমার নামেও এক ধরনের কাব্যিকতা। ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ নামটি কেন?
‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ শিরোনামটি ধার করেছি ‘ঊনপঞ্চাশ বায়ূ’ বাগধারা থেকে। যার আভিধানিক অর্থ পাগলামি। ভারতীয় পৌরাণিক বৃত্তান্ত থেকে বাংলায় ব্যবহৃত ‘ঊনপঞ্চাশ বায়ু’ পদের উদ্ভব। ‘উন’ আর ‘পঞ্চাশ’ শব্দের সমন্বয়ে ‘ঊনপঞ্চাশ বায়ু’ পদের সৃষ্টি। ঋগ্বেদ সংহিতায় বর্ণিত ‘মরুৎগণ’ হলেন ঝঞ্চার দেবতাদের একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী। এরা সংখ্যায় ঊনপঞ্চাশজন, অর্থাৎ ঊণপঞ্চাশৎ মরুৎ। মরুৎ ও বায়ু সমার্থক করে বাংলায় ঊনপঞ্চাশবায়ু কথাটির ব্যবহার হয়, আর বায়ূর সমার্থক হলো বাতাস। ঊনপঞ্চাশজন ঝঞ্ঝার দেবতা একসঙ্গে কোনো কাজে বা কোনো কিছু করতে গেলে ভয়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হতো। তাঁরা কাজ করার সময় করেই যেত, ভালোমন্দ, ক্ষতি-লাভ কিছুই চিন্তা করত না। কারও মাথায় ভয়ানক গণ্ডগোল হলে, মেজাজ বিগড়ে গেলে কোনো কারণে সেও ‘ঊনপঞ্চাশ মরুৎ’ এর মতো ভয়ানক কর্মকাণ্ড শুরু করে দিতে পারে। এজন্য কারও মাথায় ভয়ানক গণ্ডগোল বুঝাতে ‘ঊনপঞ্চাশবায়ু চড়েছে’ কথাটির ব্যবহার করা হতো। যা আস্তে আস্তে পাগলামি অর্থ ধারণ করে। তবে এটা কোনো পয়েন্টলেস পাগলামি না, এটা হয় কোনো একটা অদম্য ইচ্ছা থেকে।
‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’-এর গল্প নিয়ে কিছু বলেন নি কোথাও। এটা কোন ধরনের ফিল্ম আসলে?
এই সিনেমার জনরা যদি আমি বলি তাহলে এটিকে বিজ্ঞানমনস্ক রোমান্টিক ছবি বলা যায়। এটাকে সাইন্স ফিকশন বলব কিনা জানিনা, কারণ সাইন্স ফিকশন-এর গ্লোবাল যে প্র্যাকটিস আছে, সেই প্র্যাকটিস-এর মত এই সিনেমা না। টেকনোলজির ভারে আবেগ অনুভব করতে কষ্ট হবে, এমন জিনিস এখানে নেই। তবে এটি খুবই সাইন্স রিলেটেড একটি প্রোডাকশন, কিন্তু খুবই আবেগী।
এই সিনেমার মাঝখানে আপনাকে ‘পাফ ড্যাডি’ নামে একটি ওয়েব সিরিজ করতে দেখা গিয়েছিল। এটি এখন অন্য একজন পরিচালককে দিয়ে করাচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। এমনটা কেন হল?
‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ নিয়ে আমি এতোটাই মগ্ন যে, অন্য কোনো কিছু নিয়ে এই মুহূর্তে কিছু বলতেই ইচ্ছে নেই।
কিন্তু এই বিষয়টি নিয়ে অনেক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে…
আমি খুবই প্রফেশনাল একজন মানুষ। আমি কাজ কম করি। কারণ আমি ইনডিসিপ্লিন ওয়েতে কোনো কাজ করিনা। আমি খুব ডিসিপ্লিন মেন্টেন করে কাজ করি। তো একটা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান যখন কাজ করবে, তখন তারও ডিসিপ্লিন থাকতে হবে। তার দেয়া কমিটমেন্ট অনুযায়ী কাজ হতে হবে। সেটা না হলে মুশকিল। ‘পাফ ড্যাডি’ দশ পর্বের একটি কাজ হওয়ার কথা। আমি ৯ পর্বের শুট করে এডিটিংয়ের দিয়ে আসছি। লিখিত এগ্রিমেন্টসহ সেটা আমি প্রডিউসারকে দিয়েছি। সেই এগ্রিমেন্টে স্পষ্ট উল্লেখ আছে, এই ওয়েব সিরিজের সকল চ্যালেঞ্জিং পার্ট ডান, প্যাচওয়ার্ক ছাড়া যেহেতু অলমোস্ট ডান একটি প্রজেক্ট; তাই এই প্রজেক্টে পরিচালক হিসেবে আমার নাম ছাড়া সহপ্রযোজক হিসেবেও দ্বিতীয় কারো নাম যাবে না। আর এটাও হতো না, যদি তারা আমার সাথে টাইমিং এবং কমিটমেন্ট ঠিক রাখতো। তো আমি তাদের বলেছি যে আমার প্রথম সিনেমা রিলিজ করতে হবে, আমি অনন্তকাল আপনাদের একটা প্রজেক্ট নিয়ে বসে থাকতে পারবো না। এখন তারা নানা ধরনের বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। আর এসব বিভ্রান্তি নিয়ে আমিও কিছু বলতে চাই না, কারণ ‘পাফ ড্যাডি’ তেমন কোনো উচ্চতার কর্ম নয়। এটি একটি কমার্শিয়াল ওয়ার্ক, যেটির উপর আমি এক্সপেরিমেন্ট করেছি এবং যথেষ্ট যত্ন নিয়ে কাজটি করেছি। যেহেতু এটা তেমন কোন উচ্চতার কাজ নয় তাই এটি নিয়ে আমি বিতর্কে নামতেও রাজি না।
‘প্যাফ ডেডি’র গল্প, চিত্রনাট্য কার ছিলো?
মেহেদী হাসান নামের একজনের গল্পে ‘পাফ ডেডি’র পুরো চিত্রনাট্য আমার করা। অথচ এখন শুনছি গল্পটি এই প্রজেক্টর প্রডিউসারের নামে যাচ্ছে। আমি বিশ্বাস করি, সৃজনশীলতার সাথে মিথ্যাচার জিনিসটা যায় না।
প্রথম ছবি নিয়ে প্রত্যাশা কী?
আমি আমার পুরো জীবনে শুধুমাত্র বিনোদন দেয়ার জন্য কাজ করিনি। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেও কাজ করেছি। সমাজ নিয়ে, রাজনীতি নিয়ে, মানুষের বিশ্বাস ও বিশ্বস্ততা নিয়ে কথা থাকে আমার কাজগুলোতে। ‘ঊনপঞ্চাশ বাতাস’ তেমন একটি কাজ। পয়েন্টলেস বিনোদন দাতা আমি নই। শুধুমাত্র বিনোদন বিলাতে আমি আসিনি। সমাজকে রাষ্ট্রকে কিছু দিতে এসেছি, এবং সম্ভব হলে পৃথিবীকে কিছু দিতে এসেছি।








