ধর্ষণের সময় চার বছরের শিশুটি চিৎকার দিলে তাকে গলা টিপে হত্যা করে শিপন। এরপর ঘাতক শিশুটির মরদেহ ওই বাড়ির বাথরুমে ফেলে রেখে দেয়।
সোমবার ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছে গোয়েন্দা ও অপরাধতথ্য বিভাগের যুগ্ম কমিশনার আব্দুল বাতেন।
এর আগে, গত রোববার (৩০ জুলাই) সন্ধ্যায় বাড্ডার আদর্শনগরী এলাকার ৩৬০ নম্বর বাসা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে শিপন (৩৫) নামের এক আসামীকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। এসময় আসামীর ঘর থেকে শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত হিসেবে রক্ত মাখা একটি তোয়ালে, আসামীর কাপড় উদ্ধার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল বাতেন বলেন, রোববার বিকাল ৫ টার দিকে শিশু তানহা যখন আসামী শিপনের ঘরের সামনে দিয়ে পাশের বাসায় তার আন্টির (জায়দা আক্তার কলি) বাসায় যাচ্ছিল, ঠিক তখন শিশুটিকে টান দিয়ে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায় শিপন। পরে শিপন শিশুটিকে নির্মমভাবে ধর্ষণ করে। শিশুটি চিৎকার করলে শিপন তার গলা চেপে ধরে হত্যা করে। এরপর মরদেহ ওই বাসার টয়লেটে ফেলে দেয়।
এরপর দ্রুত শিপন তার ঘরের রক্তাক্ত বিছানার চাদর, গায়ের গেঞ্জি ও লুঙ্গি বালতিতে ভিজিয়ে রাখে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে শিপন শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন, খোঁজ নিয়ে জানতে পারি আসামী শিপন একটি ডাকাতি মামলার আসামী ছিল। এই মামলায় সে পাঁচ বছর জেলও খেটেছে। গত একবছর আগে সে কারাগার থেকে ছাড়া পেয়ে দিন মজুরের কাজ শুরু করে। তার স্ত্রী একজন গার্মেন্ট কর্মী।
বাড্ডা আদর্শনগরের মিনহাজ সাহেবের বাসাতে ভাড়া থাকত শিশু তানহার পরিবার।
আসামী শিপনকে রিমান্ডের আবেদন করে আদালতে পাঠানো হযেছে বলেও জানান তিনি।







