চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২৮ জানুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন চিত্রনায়ক জয় চৌধুরী। এখন পর্যন্ত তার সাতটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। বাঘা বাঘা তারকা যারা প্রার্থী হয়েছেন, তাদের মধ্যে সর্বকনিষ্ঠ প্রার্থী জয়।
এর আগের নির্বাচনে বিপুল ভোট পেয়ে মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন জয়। এবারও তিনি একই প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এবার জয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক পদপ্রার্থী হয়ে চিত্রনায়ক নিরবের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নির্বাচনে অংশ নেয়ার অনুভূতি জানিয়ে চ্যানেল আই অনলাইনকে জয় বলেন, এই অনুভূতি একেবারেই আলাদা। এতো বড় বড় তারকা অংশ নিচ্ছেন যাদের সিনেমা দেখে বড় হয়েছি, সেই তারকাদের নিয়ে একটা প্যানেল গঠিত হয়েছে এবং সেই প্যানেলে আমিও নির্বাচন করছি। তাদের সঙ্গে আমি একই ব্যানারে ও পোস্টারে থাকতে পারছি এটা আমার জন্য বড় ভাগ্যের ব্যাপার।
মাগুরার ছেলে জয় চৌধুরী সিনেমায় আসেন মনোয়ার হোসেন ডিপজলের মাধ্যমে। তবে শৈশব থেকে তার মাথায় ছিল সিনেমার পোকা! স্কুল পালিয়ে সিনেমা দেখতেন। তার প্রথম সিনেমা ‘এক জবান’। এরপর হিটম্যান, অন্তর্জ্বালা সিনেমায় অভিনয় করে নজর কেড়েছেন। বর্তমানে তিনি অপু বিশ্বাসের সঙ্গে ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ সিনেমায় কাজ করছেন।
জয় জানালেন, এই সিনেমাটি আসন্ন ঈদে মুক্তি দিতে চান প্রযোজক। শুটিং একেবারে শেষের দিকে। আরও কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায়।
জয় চৌধুরী বলেন, ডিপজল সাহেবের কাছে একবছর গ্রুমিং করি। তখন চলচ্চিত্রের মানুষদের সঙ্গে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হয়। কাজের সুবাধে গত বছর নির্বাচনে দাঁড়াই। তখন থেকেই সিনিয়র শিল্পী এবং জুনিয়র শিল্পী সবার সঙ্গে আরও দারুণ একটা সম্পর্ক তৈরি হয়। ঢাকার বাইরে অনেক শিল্পী থাকেন। অনেকেই অসুস্থ। তাদের চিকিৎসা, এমনকি কোন মেডিসিন খাচ্ছেন সেই খোঁজও রাখি। নির্বাচনে আসাটা সবাই ভালোভাবেই নিয়েছেন। এখানে সবাই আমার আপন আমিও সবার আপনজন।
গেল বছর মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ৩৫৪ ভোটের মধ্যে ৩০৩ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছিলেন জয়। তিনি বলেন, আমাকে অনেকেই চেনেন না তবুও তারা আমাকে ভোট দিয়ে বিজয়ী করেছেন। এর মূল ম্যাজিক হচ্ছে ভালোবাসা।
তিনি বলেন, আমি সবসময় সবার সঙ্গে ভালো ব্যবহারের চেষ্টা করি। সে হোক তারকা, মহা তারকা কিংবা সাধারণ থেকে অতি সাধারণ মানুষ। বলতে পারেন এই একটা কারণেই সবাই আমাকে ভালো বাসেন।








