ঈদ যতই এগিয়ে আসছে মুন্সীগঞ্জের মাওয়া শিমুলিয়া ফেরিঘাটে বাড়ছে ঘরমুখো মানুষের ভীড়। বাস, লঞ্চ, স্পিট বোটে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলছে উত্তাল পদ্মা পরাপার। শিমুলিয়ায় যাত্রীদের নির্বিঘ্ন পারপারে কন্ট্রোল রুম স্থাপনসহ নানা কমিটি গঠন করা হলেও যাত্রী হয়রানি বন্ধ হয়নি।
দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার মাওয়ার শিমুলিয়ায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এভাবেই ঘরমুখো মানুষ পার হচ্ছে উত্তাল পদ্মা। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়সহ ঘাটে ঘাটে চলছে নানা বিড়ম্বনা।
ভুক্তভোগীরা বলছেন, ৮০ টাকার ভাড়া ১০০ টাকা আদায় করা হচ্ছে। আবার ১০ জনের জায়গায় ২০ জন করে যাত্রীও নেওয়া হচ্ছে।
যাত্রীরা উত্তাল পদ্মা পার হচ্ছেন স্পীড বোটে গাদাগাদি করে। যাত্রী প্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে ২শ’ টাকা। ছোট বোটে ৮ জন এবং বড় বোটে ১২ জন যাত্রী পার হওয়ার কথা থাকলেও প্রতি বোটে পার হচ্ছেন কমপক্ষে ১৮ থেকে ২৫ যাত্রী।
তবে এ ব্যাপারে ঘাট সংশ্লিষ্টরা বলছেন উল্টো কথা। পরিদর্শনকালে এই অনিয়ম দেখেছেন নৌ পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ নৌ পুলিশের ডিআইজি মো. মনিরুজ জামান বলেন, আমরা আজ ঘাট পরিদর্শন করলাম। যেখানে যেখানে অসংগতি দেখছি তা ঠিক করার জন্য তাগিদ দিয়ে যাচ্ছি।
মাওয়া ঘাট পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি একেএম মাহফুজুল হক নুরজ্জামান। তিনি বলেন, আমি বিশ্বাস করি কেউ অতিরিক্ত ভাড়া নেবে না। আর যদি কেউ নিয়ে থাকে তালে তার বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।
ঘাটে কন্ট্রোলরুম স্থাপনসহ ঘাট ও সংলগ্ন মহাসড়কে নিয়োজত রয়েছে অর্ধ সহস্রাধিক পুলিশ।






