নারায়ণগঞ্জের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমান কর্তৃক এক শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনার পর অভিনব প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিল দেশ। যে প্রক্রিয়ায় ওই শিক্ষককে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল সেই একই প্রক্রিয়ায় সারাদেশের শিক্ষিত সচেতন ছাত্রশিক্ষক জনতা প্রতিবাদ জানিয়েছিল। শিক্ষক শ্যামল কান্তিধরের অন্যায়ভাবে কানধরে ওঠবসে প্রতি সমব্যথী মানুষজন নিজেরা কান ধরে প্রতিবাদ জানিয়েছিল। কেবল দেশের প্রতিবাদী মানুষজনই নয়, প্রবাসে থাকা বাংলাদেশিদের অনেকেই একই প্রক্রিয়ায় প্রতিবাদ করেছিল।
ওই ঘটনার পর ক্ষোভে-বিক্ষোভে, প্রতিবাদ-প্রতিক্রিয়ায় ধারণা করা হয়েছিল এবার বুঝি শিক্ষকেরা অন্যায় এমন আচরণ থেকে কিছুটা হলেও রেহাই পাবেন। সংসদ সদস্য আর পারিবারিকভাবে প্রতিপত্তিশীল ও প্রভাবশালী একজন ব্যক্তি যখন নিন্দা-সমালোচনা থেকে রেহাই পান না, তখন মনে হচ্ছিল আমাদের সামাজিক শুভবোধের জায়গাটা শক্তিশালী হয়ে ওঠছে। সামাজিক এই শুভবোধ দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনকেও নাড়া দিয়েছিল। সরকার-বিরোধী অনেকেই এই অন্যায় আচরণের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন; নিন্দা জানিয়েছিলেন অনেকেই। দাবি ওঠেছিল সুষ্ঠু বিচারের।
শিক্ষককে কানধরে ওঠবস করানোর ঘটনায় ওই সাংসদ দৃশ্যমান কোন শাস্তি পান নি ঠিক, কিন্তু তার অন্য শাস্তি লিখা হয়ে গেছে জন্মের মত। এখনও মানুষজন শিক্ষক লাঞ্ছনার কোন ঘটনা ঘটলে সেলিম ওসমানকেই স্মরণ করে। ওই স্মরণ তার জন্যে সুখের নয়, বিব্রতকর নিশ্চিতভাবেই। নারায়ণগঞ্জের পুলিশ প্রশাসন সেলিম ওসমানকে দায়মুক্তি দেওয়ার প্রতিবেদন দাখিল করলেও উচ্চ আদালত গ্রহণ করেন নি, একাধিকবার। দুঃখজনক লাঞ্ছনার ঘটনার অব্যবহিত পর জেগে ওঠা মানবিকবোধের স্ফুরণে আমাদের সামাজিক ক্ষেত্রেই প্রভাব বিস্তার করেনি কেবল, এটা বিচার ব্যবস্থাকেও নাড়া দিয়েছিল। এগুলো শুভ লক্ষণ।
শিক্ষক শ্যামল কান্তিধর কানধরে ওঠবসের ঘটনার পর যতখানি অপমানিত হয়েছিলেন সেই অপমানে অপমানিত হয়েছিল দেশ। অপরাধবোধে জাগ্রত বিবেকের এই বহ্নিশিখায় একটা সময়ে চাকুরী হারানো ওই শিক্ষক চাকুরী ফিরে পান। তবে অন্য ঘটনায় তার হয়রানি অব্যাহত। আশা করা যায় বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার পাবেন তিনি।

শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় শ্যামল কান্তিধরের সময়ে যতখানি প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিল দেশ তার মত অন্য ঘটনাগুলোর ক্ষেত্রে তেমন হয়নি। শিক্ষকদের হয়রানি দেশব্যাপী অব্যাহত রয়েছে তার ইঙ্গিত দেয় সাম্প্রতিক দুই লাঞ্ছনার ঘটনায়। এর একটা ঘটেছে শেরপুরে, অপরটি চট্টগ্রামে। এদুই ঘটনায় জড়িত রয়েছেন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ। ৫ এপ্রিলের বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের এক প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, শেরপুর জমশেদ আলী মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম রেজা মারধরের শিকার হয়েছেন। এনিয়ে তিনি থানায় মামলাও করেছেন। অধ্যক্ষের অভিযোগ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি কলেজের পরিচালনা কমিটির সভাপতি মিনহাজ উদ্দিন মিনালকে ৫০ লক্ষ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় তার ওপর এ হামলা হয়। যদিও ওই আওয়ামী লীগ নেতা অভিযোগ অস্বীকার করে উলটো অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে বলেছেন, “৪৯ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় ফরম পূরণের যোগ্য না হওয়ায় তাদের ফরম পূরণ করতে দেওয়া হয়নি; কিন্তু ওই অধ্যক্ষ ২১ জন শিক্ষার্থীর কাছ থেকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে তাদের ফরম পূরণের সুযোগ করে দিলে বাকি ২৮ জন শিক্ষার্থী বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে”।
চট্টগ্রামে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেখানে জড়িত মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক। চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষ জাহেদ খানকে মারধর করেন নুরুল আজিম রনি। মারধরের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যায় ওই ছাত্রলীগ নেতা অধ্যক্ষকে কিল-ঘুষি মারছেন। উন্নয়ন ফির নামে অতিরিক্ত টাকা দাবি করে শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র আটকে রেখেছিলেন অধ্যক্ষ। অপরদিকে, অধ্যক্ষের দাবি চাঁদা দাবি করেছিলেন ছাত্রলীগের ওই নেতা, এবং সেটা না পেয়ে এই হামলার ঘটনা।
নুরুল আজিম রনির শিক্ষক লাঞ্ছনার ভিডিও ফেসবুকে প্রচার হওয়ার পর নানামুখী আলোচনা চলছে। ফেসবুকে থাকা আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ সমর্থকদের একাংশ এই ঘটনাকে সমর্থন করে রনিকে ব্যতিক্রমী ও উজ্জ্বল এক ছাত্রনেতা আখ্যা করে ঘরে ঘরে এমন ছাত্রনেতা দরকার বলেও প্রচারণা চালাচ্ছেন। তাদের দাবি, কয়েকটা কিল-ঘুষিতে যদি তাদের ভাষায় ৪৯ লাখ টাকার অতিরিক্ত ফি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় তাহলে সে কিল-ঘুষিই উত্তম। এই প্রচারণাকারীদের অনেকেই আবার প্রবেশ পত্র আটকে রেখেছিলেন অধ্যক্ষ এমন অভিযোগ করছেন। অনেকের অভিযোগ শিক্ষার্থী প্রতি পাঁচ হাজার টাকা আদায় করছিলেন ওই শিক্ষক। এসব নানা অভিযোগে প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক যে হাজার খানেক পরীক্ষার্থী কি ওই কলেজে? অবিশ্বাস্য!
চট্টগ্রাম বিজ্ঞান কলেজের অধ্যক্ষকে লাঞ্ছিত করার ঘটনার পর নুরুল আজিম রনির পরিচয় প্রকাশ করেছে দৈনিক যুগান্তর। রনির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্থানে পেশিশক্তি প্রয়োগের অভিযোগ উল্লেখ করে পত্রিকাটি ৪ এপ্রিল লিখেছে, “২০১৬ সালের ৭ মে হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলাকালে কেন্দ্রের বাইরে প্রভাব বিস্তারের লক্ষ্যে অস্ত্রের মহড়া দেন রনি। এ সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুন-উর রশীদের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করেন। তার কাছ থেকে এ সময় ৭.৬৫ এমএম পিস্তল, ১৫ রাউন্ড গুলি ও দুটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়। আদালত তাকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেন। পরে তিনি জামিনে বেরিয়ে আসেন। ২০১৫ সালে নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন মুরাদপুর এলাকায় অবস্থিত আজমীর অ্যালুমিনিয়াম ফ্যাক্টরি দখলেও নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রনি নেতৃত্ব দেন বলে অভিযোগ আছে। ওই কারখানার মালিকপক্ষ রনির বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করে”।
অর্থাৎ নানা কারণে বিতর্কিত এই ছাত্রনেতা। আগে থেকেই আছে চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। এসব চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের অভিযোগকে দূরে ঠেলে রেখে যদি কেবল একজন ছাত্রনেতা ও একজন শিক্ষকের সামাজিক অবস্থানের দিকে দৃষ্টিপাত করি তাহলে নিশ্চিতভাবেই কোন নৈতিক মানদণ্ডেই এই মারধরকে মেনে নেওয়া যায় না। একজন ছাত্রনেতা ছাত্র অধিকারের পক্ষে লড়বেন, এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু ছাত্র অধিকার আদায় করতে গিয়ে কোনোভাবেই সন্ত্রাসের আশ্রয় নিতে পারেন না, কোনোভাবেই কোন শিক্ষকের গায়ে হাত তুলতে পারেন না। এটা কেবল ছাত্র-শিক্ষকের সামাজিক অবস্থানের ক্ষেত্রেই নয়, এটা সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও। তাছাড়া কোন ছাত্রনেতা, সামাজিক নেতা, রাজনৈতিক নেতা কোনোভাবেই আইন নিজের হাতে তুলে নিতে পারেন না। দেশের প্রচলিত আইন, সামাজিক বিধিবিধানও সেটাকে সমর্থন করে না; পারিবারিক শিক্ষাও সেটাকে গ্রহণ করে না।

নুরুল আজিম রনি কিংবা শেরপুরের আওয়ামী লীগ নেতা অথবা সাংসদ সেলিম ওসমানের মত কাউকে দেশের আইন-আদালত, বিচার ব্যবস্থা, সামাজিক শিক্ষা তাদেরকে সে ক্ষমতা দেয় নি। চট্টগ্রাম, শেরপুর কিংবা দেশের কোনো জায়গায় বর্তমানে আইন-বিচার ব্যবস্থার কোনো কিছুই স্থগিত নেই- এমন অবস্থায় তারা উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ নয়। শিক্ষক লাঞ্ছনাকারীদের অভিযোগকে এক্ষেত্রে কোনোভাবেই জাস্টিফাই করা যায় না। তাদের অভিযোগের সত্যতা যদি থেকেও থাকে তবে সেক্ষেত্রে তাদের আইন ও প্রশাসনের দ্বারস্থ হওয়াই উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে আইনকে নিজের হাতে তুলে নেওয়াটা গর্হিত অপরাধ; আর এসব অপরাধের পক্ষে সাফাই গাওয়াটাও সমভাবে গর্হিত, অন্যায় ও অমানবিক। এসব অপরাধকে প্রশ্রয় দিলে আরও সামাজিক অপরাধকে উসকে দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে আইনি ব্যবস্থা ও সাংগঠনিক শাস্তির মুখোমুখি করা দরকার, এবং সেটা যত দ্রুত সম্ভব।
ভেবে দেখুন শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী ছাত্রলীগ নেতা রনি অন্যায় কাজ করেও ফেসবুকে থাকা চিন্তায় দীন কিছু লোক কর্তৃক অভিনন্দনের জোয়ারে ভাসছেন। এই প্রবণতা মারাত্মক। রনিকে দেখে যদি এবার ঢাকায় টনি, সিলেটে মনি, খুলনায় জনি, বরিশালে ফনি, বরিশাল-রাজশাহী-ময়মনসিংহ-কুমিল্লা সহ নানা জায়গায় এধরনের ছাত্রনেতার জন্ম নেয় তবে সেটা হতে পারে ভয়াবহ। হওয়ার সুযোগ কম এটা ভাবতে চাই, কিন্তু শঙ্কা জাগে যখন এসব অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়াই নয় প্রশংসাও করা হয়। শিক্ষক লাঞ্ছনাকারী যেখানে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেন সেখানে তার সমর্থনে কিছু লোক দাঁড়িয়ে যাওয়াটা আমাদের চিন্তার দীনতাকে প্রকাশ করে, আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কা জাগায়।
এটা অস্বীকার করার উপায় নেই যে, দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান উন্নয়ন ফির নামে অতিরিক্ত টাকা আদায় করে আসছে। এনিয়ে খোদ হাই কোর্ট পর্যন্ত নির্দেশনা দিয়েছেন, অতিরিক্ত টাকা ফেরত দিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু তবু অতিরিক্ত ফি আদায় বন্ধ হচ্ছে না। এতে করে ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণ- এটা সামগ্রিক বাংলাদেশের চিত্র। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে অতিরিক্ত টাকা আদায় থেকে বিরত রাখা সরকার-প্রশাসনের দায়িত্ব। এক্ষেত্রে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। সরকারের কোন উদ্যোগ দৃশ্যমান না থাকায় ধারণা করা যায় সরকার এটা নিয়েও আগ্রহী নয় খুব একটা। এগুলো হতাশার। কিন্তু তাই বলে শিক্ষককে মারধর করতে হবে? আর এই মারধরকে জাস্টিফাই করতে হবে? সরকার-প্রশাসন সেটাকেও সহ্য করছে, প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে- এগুলো অন্যায়ই কেবল নয়, শঙ্কারও।
বাংলাদেশে শিক্ষক লাঞ্ছনার ঘটনা নজিরবিহীন নয়। ছাত্রলীগ নেতা নুরুল আজিম রনি কোন শিক্ষককে প্রথমবার মারধর করেছেন এমন না, দেশের বিভিন্ন জায়গায় ছাত্র কর্তৃক শিক্ষক লাঞ্ছনা, এমপি কর্তৃক লাঞ্ছনা, আওয়ামী লীগ নেতা কর্তৃক লাঞ্ছনা, ছাত্রলীগ-যুবলীগ কর্তৃক লাঞ্ছনা সহ নানা ঘটনা ঘটে আসছে। এগুলো নিয়মিত হয়ে আসছে, দুঃখজনকভাবে। তবে নজিরবিহীন হলো এই ন্যক্কারজনক ঘটনার সমর্থনে কিছু মানুষ দাঁড়িয়ে যাওয়া। এই মানুষগুলোর অনেকেই আবার অনতি-তরুণ, যাদেরকে আমরা আগামীর বাংলাদেশ হিসেবে ভেবে আসছি।
একটা সময় ছিল শিক্ষকেরা শিক্ষার্থীদের পেটাতেন। আমাদের ছোটবেলায়ও সে পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে এসেছি। শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিতে বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় ৯ আগস্ট ২০১০ সালে ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত ছাত্র/ছাত্রীদেরকে শারীরিক শাস্তি প্রদান বন্ধকরণ প্রসঙ্গে’ এক ‘পরিপত্র’ জারি করে। ওই পরিপত্রে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শারীরিক শাস্তি প্রদান নিষিদ্ধ করে একে ‘অসদাচরণ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ২১ এপ্রিল ২০১১ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আইনসেল ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি রহিত করা সংক্রান্ত নীতিমালা ২০১১’ প্রণয়ন করে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এ নীতিমালা শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে শারীরিক ও মানসিক শাস্তি থেকে। সরকারের এই উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক ও প্রয়োজনীয়।
বদলে যাওয়া সময়ে এখন শিক্ষকেরা ছাত্র-নেতা-সহ বিভিন্ন মহল থেকে লাঞ্ছনার শিকার হচ্ছেন। শিক্ষক লাঞ্ছনার এই সব ঘটনা কখনও আলোচিত হয়, কখনও আলোচিত হয় না। তবে শিক্ষক লাঞ্ছনার এই পরিস্থিতি ক্রমে ভয়াবহ রূপ ধারণ করছে। এমন অবস্থায় শিক্ষক সুরক্ষা আইনের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে।
সরকার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখবে- এ আশাবাদ থাকল!
(এ বিভাগে প্রকাশিত মতামত লেখকের নিজস্ব। চ্যানেল আই অনলাইন এবং চ্যানেল আই-এর সম্পাদকীয় নীতির সঙ্গে প্রকাশিত মতামত সামঞ্জস্যপূর্ণ নাও হতে পারে)।







