শিক্ষককে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় সেলিম ওসমানসহ দোষীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে হাইকোর্টের নির্দেশের পরও আইনী ব্যবস্থার প্রতিবেদন দেয়নি নারায়ণগঞ্জের পুলিশ ও জেলা প্রশাসন।
তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ধর্ম অবমাননার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। শিক্ষকের অপসারণ আইনী না হওয়ায় তাকে পুনর্ববহাল করা হয়েছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগে গত ১৩ মে নারায়ণগঞ্জের কল্যাণদির পিয়ার সাত্তার হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে প্রথমে একদল লোক মারধর করে। পরে সেলিম ওসমান ও স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে কান ধরে ওঠ-বস করানো হয় তাকে।
এ নিয়ে রুল জারির পাশাপাশি নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও বন্দর থানার ওসিকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলেন হাইকোর্ট। ১৮ মে আদেশ দেওয়ার পর ২২ মে আদেশের কপি পান ডিসি, এসপি ও বন্দর থানার ওসি।
তারা প্রতিবেদন দিয়েছে কিনা সে সম্পর্কে প্রশ্ন ছিল রাষ্ট্রপক্ষের কাছে। ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু বলেছেন, ঘটনার দিন থেকে দোষীদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সে সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন আদালত। পুলিশ তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছে। কিন্তু আদালত যে প্রতিবেদন চেয়েছিল সে বিষয়ে কিছু বলেনি পুলিশ।
তবে, নির্দেশ না থাকলেও রুলের জবাব হিসেবে মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন জমা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ সম্পর্কেও জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
ডেপুটি এটর্নি জেনারেল জানিয়েছেন, পরবর্তী আদেশের জন্য ২৯ মে দিন ঠিক করেছেন হাইকোর্ট।








