নারায়ণগঞ্জে সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কান ধরে উঠবস
করানোর ঘটনাটিকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে এর বিরুদ্ধে আইনি
ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক।
ভ্রাম্যমান আদালত ছাড়া তৎক্ষণিক এভাবে বিচারের নামে আইন নিজের হাতে তুলে নেয়াটা
কোনো মতেই বরদাস্ত করা হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।
মঙ্গলবার রাজধানীতে বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে তিন দিনব্যাপী জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ট্রেনিং কোর্সের উদ্বোধন শেষে শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনাটিকে অপরাধ উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আরও বলেন, আমার মনে হয় পেনাল কোড ভালোমতো ঘাটলে দেখা যাবে এটা একটা অপরাধ। এই অপরাধের সাথে জড়িতদের নিশ্চয়ই শাস্তি ভোগ করতে হবে। কারণ আইন নিজের হাতে তুলে নেয়াটা আমরা কোন মতেই বরদাস্ত করবো না।
আবার বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে এসেছে সেই শিক্ষক একজন শিক্ষার্থীকে প্রহার করেছিলো; তা উল্লেখে আনিসুল হক বলেন, যদি সেটা হয়ে থাকে তবে তাকেও (শিক্ষককে) বিচারের আওতায় আনা যায়। তাই বলে ওই রকমভাবে বিচার করে ফেলাটা মেনে নেওয়া হবে না।
গত ১৩ মে বিকেলে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ রটিয়ে নারায়ণগঞ্জের কলাগাছিয়া ইউনিয়নের কল্যাণদি এলাকায় পিয়ার সাত্তার লতিফ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে সবার সামনে কান ধরে উঠবস করিয়ে ক্ষমা চাওয়ান স্থানীয় সংসদ ও জাতীয় পার্টি নেতা সেলিম ওসমান।







