একজন শিক্ষকের সুইমিং কস্টিউম পরিহিত ছবি নিয়ে সৃষ্টি হওয়া বিতর্ক নিয়ে ফেসবুকে লিখেছেন কানাডা প্রবাসী সাংবাদিক শওগাত আলী সাগর।
ফেসবুকে তিনি লিখেন, “এই ছবির মেয়েটি একজন স্কুল শিক্ষক। ছুটি কাটাতে গিয়ে বিচে সুইমিং কস্টিউম পড়া ছবিটি তিনি নিজের ফেসবুক ওয়ালে পোষ্ট করেছিলেন। তা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। একজন শিক্ষক স্কুলের বাইরে ব্যক্তিগত সময়ে কি করবেন- তাও কি স্কুলের নীতিমালা দ্বারা পরিচালিত হবে?
মজার ব্যাপার হচ্ছে, কানাডায় স্কুল শিক্ষকদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের নীতিমালা আরো কঠোর। শিক্ষকদের ইউনিয়নের নীতিমালা হচ্ছে কোনো শিক্ষকের ফেসবুক একাউন্টে তার কোনো ছাত্র বা ছাত্রী ফ্রেন্ড বা ফলোয়ার তো হতেই পারবে না, প্রাইভেসি সেটিং এমনভাবে থাকতে হবে যেনো কোনো শিক্ষার্থী ওই শিক্ষকের ফেসবুক পোষ্ট দেখতে না পারে। শুধু তাই নয়, ইমেইল ব্যবহারের ক্ষেত্রেও কঠোর নীতিমালা অনুসরন করতে হয় তাদের। কোনো শিক্ষক তার ছাত্র/ছাত্রী বা অভিভাবকের সাথে ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারে না। এটাই নিয়ম।
কানাডার সুপ্রীম কোর্টও শিক্ষকদের ব্যাপারে রুলিং দিয়ে বলে রেখেছে, একজন শিক্ষক ক্লাশে কিংবা ক্লাশের বাইরে, এমন কি ব্যক্তিগত সময়েও শিক্ষক। সব সময়ই তাকে শিক্ষকতার পেশাদারিত্ব অক্ষুন্ন রাখতে হবে।
ফেসবুকে এই ছবিটি প্রকাশের পর শিক্ষকদের যে কোনো ধরনের ছবি ফেসবুকে পোষ্ট করা নিষিদ্ধ করা নিয়েও আলোচনা হচ্ছে।”









