চট্টগ্রামে ঝড় উঠেছিল। ব্যাটে ঝড়, রানের ঝড়, চার-ছক্কা হাঁকানোর ঝড়। যার শুরু নাজমুল হোসেন শান্তর ব্যাটে। পরে আফিফ হোসেন, নিকোলাস পুরানের মাধ্যমে সমাপ্তি। তাদের ব্যাটে ভর করেও অবশ্য বিপিএলের সর্বোচ্চ রানের রেকর্ডটা হল না। তবে রাজশাহীকে ২১৪ রানের বড় লক্ষ্যই দিয়েছে খুলনা।
সোমবার রানের পাহাড় গড়ার পথে রাজশাহী কিংসের বোলারদের পিটিয়ে ৫ উইকেটে ২১৩ রান তুলেছে খুলনা টাইটানস। বিপিএলের ইতিহাসে সর্বোচ্চ সংগ্রহের রেকর্ড গড়তে তাদের করতে হত আর মাত্র চারটি রান।
খুলনারটি নিয়ে দুইশর ওপর আরও নয়টি সংগ্রহ দেখেছে বিপিএল। যার সর্বোচ্চটি ঢাকার, ২১৭/৪; রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ২০১৩ সালে। তখন অবশ্য দলটির নাম ছিল ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্স। সেই দলটির আরও তিনটি সংগ্রহ আছে দুইশর ওপর। ঢাকা ডায়নামাইটস নাম নেয়ার পরও দুইশ পেরোনো স্কোর দেখেছে ঢাকা।
ঝড়ের শুরুটা করেছিলেন শান্ত। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ যুব দলের সহ-অধিনায়ক আফিফ হোসানকে সঙ্গী করে ২৭ বলে গড়েন ৪৫ রানের জুটি। ৫ চার ও ২ ছয়ে ৩১ বলে ৪৯ রানে ফিরে যান শান্ত।
পরে আফিফ ছুটতে থাকেন নিকোলাস পুরানকে সঙ্গী করে। দুজনে গড়েন ৮৮ রানের জুটি। সেটিও মাত্র ৪৩ বলে। পুরান ৬ চার ও ৩ ছয়ে ২৬ বলে ৫৭ রানে ফিরলে ভাঙে বিধ্বংসী জুটিটি।
আফিফ তখনও ছিলেন। শেষ পর্যন্তই থাকলেন। কোন চারের মার ছিল না তার ব্যাটে, তবে ৫ ছক্কায় ৩৮ বলে ৫৪ রানের ইনিংস উপহার দিয়েছেন এই বাঁহাতি। শেষদিকে কার্লোস ব্র্যাথওয়েট ৩টি করে চার ছয়ে ১৪ বলে ৩৪ রানের ইনিংস দিলে দুইশ পেরিয়ে যায় খুলনার সংগ্রহ।







