গান বিষয়টি এখন আর শোনার মধ্যে আটকে নেই। শুনতে শুনতে মানুষ ইমেজের সঙ্গে মিলিয়ে নিতে চান। যুগ এখন ভিজ্যুয়াল মাধ্যমের। তাইতো মিউজিকের সঙ্গে এখন যোগ হয়েছে ভিডিও! সংগীত তাই এখন দেখার বিষয়ও! আর মিউজিক ভিডিওর জন্য অন্যতম জনপ্রিয় মিডিয়াম হচ্ছে ইউটিউব। যেখানে সম্প্রতি ‘শান্তির বাণী’ ছড়িয়ে যাত্রা শুরু করলো ‘হোয়াইটআউট এন্টারটেইনমেন্ট’ নামের একটি চ্যানেল।
‘ছড়িয়ে শান্তির বাণী/হৃদে রেখে রবের ধ্বনি/আল্লাহ্ ছাড়া আর কোন ইলাহ নাই/এক আল্লাহ্ তার কোন শরীক নাই/শেষ নবী মুহাম্মদ আর কেউ নাই/দ্বীন ইসলাম ছাড়া কোন গতি নাই’-এমন লিরিকে প্রথম গানটি নিয়ে এলো ‘হোয়াইটআউট এন্টারটেইনমেন্ট’। মিঠুন চক্রের কণ্ঠে গানটি এরইমধ্যে ইউটিউবে প্রশংসা কুড়াচ্ছে বেশ। গানটির উপস্থাপন ভঙ্গিতেও মুগ্ধ অনেকে।
ধর্মীয় আবেশে গানটির লিরিকের পরতে পরতে মূলত শান্তির বাণীই গেঁথে দিয়েছেন গীতিকার রাসেল রহমান। ভিডিও গানটির পরিবেশনাও যথেষ্ট দৃষ্টিনন্দন। মিউজিক ভিডিওটি পরিচালনা করেছেন অভিনেতা ও নাট্যনির্মাতা মুসাফির সৈয়দ। মিউজিক কম্পোজিশনে মিঠুন চক্রের সঙ্গে ছিলেন ইমতিয়াজ আলী জিমি। মিক্স এন্ড মাস্টার করেছেন হাবীব ওয়াহিদ। মিউজিক ভিডিওটির এক্সিকিউটিভ প্রডিউসার হিসেবে আছেন ওয়াহিদ আকরাম। সম্প্রতি একটি রেস্টুরেন্টে হয় ‘শান্তির বাণী’ গানটির লঞ্চিং অনুষ্ঠান। যেখানে উপস্থিত ছিলেন শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ, কুমার বিশ্বজিৎ, হাবীব ওয়াহিদ ও কল্যাণী ঘোষসহ অনেকে।
ইউটিউব আর ভিউয়ের বাজারে সবাই যখন ব্যস্ত ‘চটকদার’ গান নিয়ে, তখন এমন অফ ট্র্যাকের গান দিয়ে কেনো যাত্রা শুরু করলেন?-এমন প্রশ্নে ‘হোয়াইটআউট এন্টারটেইনমেন্ট’-এর সি.ই.ও. ওয়াহিদ আকরাম জানান, ‘হোয়াউটআউট এন্টারটেইমেন্ট’ কিন্তু ২০১১ সাল থেকেই ছিলো, তবে সেটা ছিলো এতোদিন প্রোডাকশন হাউজ হিসেবে। সম্প্রতি আমরা এই নামে মিউজিক লেভেল লঞ্চ করলাম। আমাদের প্রথম গানটি যদি কেউ লক্ষ্য করেন, দেখবেন গানটি কিন্তু সুফিজম নিয়ে। পুরো গানে সুফিজমের আবহ ওঠে এসেছে। আমরা এখান থেকে সব ধরনের গান করবোও না। এমন ধরনের রুচি সমৃদ্ধ কিছু গান আমরা করে যাবো।
না। ইউটিউব কন্টেন্ট কীভাবে হিট করতে হয় এটাতে অপরিপক্ক নন। বরং এসব কায়দা তার খুব ভালোই জানা। অন্তত কথা বলে এমনটাই বোঝা গেলো। ইউটিব কন্টেন্ট নিয়ে ওয়াহিদ আকরাম বলেন, ইউটিউব মার্কেটিংয়ের জন্য আমি যা বলতে চাই আমার কিন্তু ‘ইউনিভার্সাল মিডিয়া প্রো’ নামে একটি চ্যানেল আছে, যা বলিউডের কন্টেন্ট প্রোবাইড করে। যার সাবস্ক্রাইবার ১.৩ মিলিয়ন! বাংলাদেশে এমন একটাও নাই। পুরো ইন্ডিয়াতে এই চ্যানেলটির গ্রেডিং ১ থেকে ৫ এর মধ্যে।
‘শান্তির বাণী’ নিয়ে যাত্রা করা প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, মিঠুন চক্র আমাকে যখন প্রথম এই গানটি শোনালেন, তখন আমি আর নির্মাতা মুসাফির সৈয়দ একসঙ্গে ছিলাম। শোনার পর আমরা দুজনেই কিছুক্ষণ ঘোরের মধ্যে ছিলাম। পরে সিদ্ধান্ত নিলাম এই গানটি আমরা মিউজিক ভিডিও করবো। সেই থেকেই অ্যারেঞ্জ করে এটা করা। এরমধ্যে একেবারে নতুন চ্যানেল হয়েও ৯ হাজার ভিউ হয়েছে গানটি। তাও কোনো বুস্টিং ছাড়া। আমরা সামনে আরো বেশকিছু কাজ নিয়ে আসছি।
মিঠুন চক্রের কণ্ঠে শান্তির বাণী:







