কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে দেশের খ্যাতিমান সংগীতশিল্পীর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের মানুষসহ সর্বস্তরের মানুষ। শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য শুক্রবার (১৩ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেয়া হয়।
শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে প্রিয় শিল্পীকে শেষবারের মতো শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে আসেন ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা। সংস্কৃতিজনরা স্মৃতিচারণে বলেন, শুধু রবীন্দ্রসংগীত নয়, পুরো সংগীত জগত পাপিয়া সারোয়ারের শূন্যতা অনুভব করবে।
শুক্রবার বাদ জুমা বনানী কবরস্থানে বাবা সৈয়দ বজলুর রহমানের কবরে সমাহিত হবেন একুশে পদকজয়ী শিল্পী পাপিয়া সারোয়ার।
শিল্পীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই ক্যানসারে ভুগছিলেন পাপিয়া সারোয়ার। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গেল বছর দিল্লিতেও নিয়ে যাওয়া হয়। দেশের একাধিক হাসপাতালে হয়েছে চিকিৎসা।
সবশেষ রাজধানীর তেজগাঁওয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন পাপিয়া সারোয়ার। বুধবার থেকেই অবস্থা জটিল হতে থাকে। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
দীর্ঘ সংগীত ক্যারিয়ারে রবীন্দ্রসংগীতের জন্য কোটি শ্রোতার ভালোবাসা পেয়েছেন পাপিয়া। আধুনিক গানেও তিনি সফল। ‘নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম’ গানটি তাকে আপামর বাংলা গানের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয়তা দিয়েছে।
পাপিয়া সারোয়ার ২০১৩ সালে বাংলা একাডেমি থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন। ২০১৫ সালে বাংলা একাডেমি ফেলোশিপ লাভ করেন। ২০২১ সালে পেয়েছেন একুশে পদক।
সর্বশেষ চলতি বছর বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীতে চ্যানেল আইয়ের আয়োজনে `রবীন্দ্র মেলা‘য় কিংবদন্তী রবীন্দ্র সংগীতশিল্পী পাপিয়া সারোয়ারকে আজীবন সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।








