শরীয়তপুরে সরকারিভাবে গম ক্রয়ে নানা অনিয়মের অভিযোগ করেছেন কৃষক। সরকারি খাদ্য গুদামে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে গম না কিনে কেনা হচ্ছে ফড়িয়াদের কাছ থেকে। এতে সংগ্রহ অভিযানের সুফল পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ তাদের।
এ বছর শরীয়তপুরে তিন হাজার পাঁচশো’ ৫ হেক্টর জমিতে ধরা হয় গম আবাদের লক্ষ্যমাত্রা। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৪ হাজার দুশ’ মেট্রিক টন। কিন্তু বারি জাতের গম চাষ করায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে উৎপাদন হয়েছে ১৬ হাজার মেট্রিক টন। তবে গমের ন্যায্য পাচ্ছেন না কৃষক।
কৃষকের দাবি, এক কেজি সার কিনতে হয়েছে ৩০-৩২ টাকায় সেখানে প্রতি কেজি গমের দাম ২০-২২ টাকা। তাহলে এক কেজি সারের দাম পাচ্ছিনা।
গমের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে ও গম চাষে উৎসাহিত করতে প্রতিটি উপজেলায় সরকারি খাদ্য গুদামে সরাসরি ২৮ টাকা কেজি দরে গম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কিন্তু কৃষক পর্যায়ে কোনো প্রচারনা না থাকায় ১৮ থেকে ২০ টাকা দরে দালাল ও ফড়িয়াদের কাছে গম বিক্রি করে দিচ্ছেন অনেক কৃষক।
তাদের অভিযোগ, আমরা একটা ফসল আবাদ করি লাভের আশায়। কিন্তু আমাদের আগে থেকে তেমন কিছুই জানানো হয়নি। যদি আমরা আগে থেকে জানতে পারতাম তাহলে যেখানে লাভ বেশি আমরা সেখানেই বিক্রি করতাম।
এসব অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। তিনি বলেন, যে সকল কৃষক গম নিয়ে আসছে তাদের কাছ থেকেই গম কেনা হচ্ছে। কৃষি অফিস থেকে প্রত্যয়ন পত্র সংগ্রহ যারা আসছেন তারাই এই সুবিধা পাচ্ছেন।
উৎপাদন খরচের সাথে সামঞ্জস্য রেখে গমের দাম নির্ধারন এবং সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সরাসরি গম কেনার দাবি কৃষকের।






