বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে তিন ম্যাচের দুটিতে নাও খেলা হতে পারে শরিফুল ইসলামের। আঙুলের চোট এতটাই যে আঘাতস্থলে লেগেছে ৬টি সেলাই। সেটি আবার সম্প্রতি ভারতের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্রস্তুতি ম্যাচেই। ৮ জুনের প্রথম ম্যাচে বাঁহাতি পেসারের খেলা হচ্ছে না এটা একরকম নিশ্চিত। আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ চোট থেকে ফেরার লড়াইয়ে রয়েছেন। তাতে বাংলাদেশের পেস আক্রমনের অবস্থা নাজুক বলাই যায়।
শরিফুলের চোটে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচ থেকেই তাসকিনের নামা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে। ম্যাচের দুই দিন আগেও সর্বোচ্চ গতিতে বল করতে পারেননি ঢাকা এক্সপ্রেস। বিশ্বকাপের ম্যাচে আগ্রাসী কিংবা সেরা অবস্থায় তাসকিনকে পাওয়া না গেলে চাপ বাড়বে অন্য পেসারদের ওপর।
তাতে পেস বিভাগ থেকে দাপুটে কিছু প্রাপ্তির সম্ভাবনা ক্ষীণ হয়ে যাবে। অথচ এবারের বিশ্বকাপে বাংলাদেশ দল পেসারদের কাছ থেকেই বড় কিছুর প্রত্যাশা করছিল। বুধবার ডালাসের গ্র্যান্ড প্রেইরি স্টেডিয়ামের আউটডোরে বাংলাদেশ দলের অনুশীলনের খোঁজ-খবর নিয়ে মিডিয়াকে দুর্ভাবনার কথাই বললেন প্রধান নির্বাচক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।
তিনি বলেন, ‘ইনজুরি একটা বড় ভাবনা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে আসার আগে। এখানে এসে শরিফুল ইনজুরিতে পড়েছে। তার ইনজুরি নিয়ে আমরা অনেক বেশি চিন্তিত। ৬টি সেলাই লেগেছে আপনারা জানেন। রিকভারি মূল্যায়ন করতে আরও কদিন অপেক্ষা করতে হচ্ছে।’
‘বদলি হিসেবে যাকে ভাবা হচ্ছে…, একজন পেস বোলার ক্যারি করছি, হাসান মাহমুদ তিনি আমাদের সাথে আছেন। শরিফুলকে পেতে আমরা আগ্রহী। বিশ্বকাপে আমরা কোন পর্যন্ত যেতে পারি, সেটাও একটা ব্যাপার। ৯ তারিখে আর একটা মূল্যায়ন করে দেখি, কতোটা ইমপ্রুভ করে সেটা আগে দেখি। তখন একটা সিদ্ধান্ত নেয়া যাবে।’








