৭ ডিসেম্বর ১৯৭১ মঙ্গলবার। একের পর এক এলাকা হানাদার মুক্ত করতে শুরু করে অমিততেজ বাঙ্গালী মুক্তিযোদ্ধারা। এদিন শত্রুমুক্ত হয় নোয়াখালী।
প্রচন্ড যুদ্ধ হয় বরিশালে। তবে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে বির্পযস্ত হয়ে পড়ে পাকিস্তানী সৈন্যরা। জীবন বাঁচাতে অনেক পাকিস্তানী সৈন্য আত্নসমর্পন করে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে।
এদিন পটুয়াখালী শহর চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে মুক্তিযোদ্ধারা। আক্রমণ চালায় পাকিস্তানী সৈন্যদের ঘাঁটিতে। অবস্থা বেগতিক দেখে রাতের আঁধারে পটুয়াখালী ছাড়ে হানাদার পাকিস্তানী সৈন্যরা। সিলেটের ছাতকে আগের দিন শুরু হওয়া চূড়ান্ত যুদ্ধেরও অবসান হয় এদিন। শত্রুমুক্ত হয় ছাতক।
এ সময় বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের পক্ষে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রবল জনমত গড়ে ওঠে। জনগণের মৌলিক অধিকার পদদালিত করে রক্তক্ষয়ী দমন নীতির জন্য পশ্চিম পাকিস্তনীদের তীব্র নীন্দা জানান সোভিয়েত নেতা লিউখিন ইলিচ ব্রেজনেভ।
অবিলম্বে রক্তপাত বন্ধ করে এ অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার আহবান জানান তিনি।







