শততম টেস্ট ম্যাচে বিরল এক রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ। এর আগে কোন টেস্ট খেলুড়ে দল তাদের শততম টেস্টের এক ইনিংসে এত রান করতে পারেনি। আগের রেকর্ডটি ছিল নিউজিল্যান্ডের। মাইলফলকের টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম ইনিংসে ৪২২ রান করেছিল কিউইরা। কলম্বোয় বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে সবকটি উইকেট হারিয়ে ৪৬৭ রান করেছে। লিড ১২৯।
বাংলাদেশ এর আগে দেশের বাইরে এত রানের লিড নিতে পারেনি। এর আগে সর্বোচ্চ লিড ছিল ১০৯ রানের। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে, হারারেতে। সেটা ২০১৩ সালের কথা।
বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার ৫ উইকেট হারিয়ে ২১৪ রানে দিন শেষ করেছিল। তৃতীয় দিন সাকিব-মুশফিক ৯২ রানের জুটি গড়ে ধাক্কা সামলান। ৫২ রান করে মুশফিক ফিরে গেলেও সাকিব আল হাসান মোসাদ্দেককে নিয়ে ১৩১ রান যোগ করেন। দলকে নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিতে সাকিব সেঞ্চুরি তুলে নেন। এটি তার ক্যারিয়ারের পঞ্চম সেঞ্চুরি। টেস্টে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি তামিমের, ৮টি। আশরাফুলের আছে ছয়টি। মুশফিকেরও পাঁচটি।
টেস্টের ইতিহাসে নিজেদের শততম ম্যাচে সেঞ্চুরি করার নজির আছে সাতজনের। অস্ট্রেলিয়ার দুজন তাদের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করেন। চার্লস কেল্লেওয়ে ১১৪, ওয়ারেন বার্সলে করেন ১২১। নিউজিল্যান্ডেরও দুজন নিজ দেশের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকান, বেভান কংডন ১২৬, ব্রিয়ান হ্যাস্টিংস ১০৫। পাকিস্তানের মাজিদ খানের এই কীর্তি আছে। তিনি করেছিলেন ১০৮। সাউথ আফ্রিকার ওয়াল্টার ওয়েড করেছিলেন ১২৫। জিম্বাবুয়ের গ্রায়েম ক্রেমারও নিজ দেশের শততম টেস্টে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১০২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি।
সাকিব ফিরে যাওয়ার পর মিরাজকে নিয়ে সামনে যেতে থাকেন মোসাদ্দেক। হেরাথের বলে এলবিডব্লিউ হওয়ার আগে ২৪ রান করে যান তরুণ অলরাউন্ডার। ঠিক পরের বলে মোস্তাফিজকে ফিরিয়ে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগান হেরাথ। কিন্তু শুভাশিস রায় তাকে হতাশ করেন।
মোসাদ্দেক সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত ৭৫ রানে। হেরাথকে ডাউন দ্য উইকেটে এসে খেলতে যেয়ে স্টাম্পিং হন।







