নির্বাচনী প্রচারণায় ন্যাটোকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেও নিজের অবস্থান থেকে সরে এসেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দায়িত্ব গ্রহণের পর আগের কথা থেকে ইউটার্ন নিয়ে এই জােটের প্রতি এবার নিজের সমর্থন প্রকাশ করেছেন তিনি। শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেন ট্রাম্প।
সোমবার মার্কিন বিমানবাহিনী সদর দপ্তর পরিদর্শন করেছেন ট্রাম্প। ফ্লোরিডার পাম বিচে স্ত্রী মেলানিয়ার সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে হোয়াইট হাউজে ফেরার পথে টাম্পার ম্যাকডিল বিমান ঘাঁটিতে সৈনিকদের উদ্দেশে ‘ন্যাটো জোট’ এর প্রতি তার জোরালো সমর্থন জানান।
দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম ছুটি কাটিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প টাম্পার ম্যাকডিল বিমান ঘাঁটিতে সৈনিকদের সঙ্গে মধ্যাহ্ন ভোজে অংশ নেন। সামরিক প্রধান হিসেবে প্রথমবার সেনা সদর পরিদর্শন শেষে ন্যাটোকে সমর্থনের পাশাপাশি নিজের নির্বাহী আদেশগুলোর সপক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন ট্রাম্প। এছাড়া ‘আমেরিকাকে আবারও গ্রেট করে গড়ে তোলা’র প্রত্যয়ও ঘোষণা করেন।
ন্যাটো জোটের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন ঘোষণা করলেও জোটভুক্ত দেশগুলোকে ন্যাটোর ব্যয় বহনে যথাযথ অর্থ প্রদানে উদ্যোগী হবারও আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প। “আমরা শুধু চাই সব ন্যাটো সদস্য যেন তাদের ওপর প্রযোজ্য আর্থিক বরাদ্দটি পুরোপুরি এবং যথাযথভাবে পরিশোধ করেন, যা তাদের অনেকেই করছেন না। অনেকে এর ধারেকাছেও নেই।”
আমেরিকাকে অগ্রাধিকারের মাধ্যমেই স্বাধীনতা, নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা পাবে বলে জানান ট্রাম্প। একই সঙ্গে শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে শান্তি প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন তিনি।
‘ইসলামি জিহাদি আন্দোলন’ দমনে তার প্রশাসন ভূমিকা রাখবে বলে জানান ট্রাম্প। মার্কিন নিরাপত্তার স্বার্থেই মুসলপ্রধান ৭টি দেশের শরণার্থীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণার নির্বাহী আদেশ দেয়া হয়েছে বলে সৈনিকদের জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।








