‘আমি মনে করি তার (ল্যাঙ্গার) অবাক হওয়া উচিৎ নয়। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া দুই বছরে যা মূল্যায়ন করেছে তা হল আমাদের পরিবেশ খুব বিরক্তিকর। আমরা নিজেদের শক্তি ও দুর্বলতাগুলোকে খুঁজে বের করে সবসময় শেখার চেষ্টা করি। গত দুই-এক সপ্তাহ ধরে যা ঘটেছে তা জনগণ জানুক। কিন্তু আমি মনে করি না যে কোনো বড় চমক আছে।’
অস্ট্রেলিয়া দলের হেড কোচের দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের পর ল্যাঙ্গারকে নিয়ে চলছে নানাধরনের আলোচনা। সাবেক সতীর্থরা থেকে শুরু করে অনেকেই বলছেন বিষয়টি ঠিকমতো সামলাতে পারেনি বোর্ড। নেতিবাচক মন্তব্যও আসছে। পাকিস্তান সফরে যাওয়ার আগে অজিদের টেস্ট অধিনায়ক প্যাট কামিন্স বললেন এভাবেই।
অনেকটাই স্পষ্ট যে, ল্যাঙ্গারের পদত্যাগে সিনিয়র খেলোয়াড়দের মতামত বড় ভূমিকা রেখেছে। নির্দিষ্ট কিছু খেলোয়াড়ের সঙ্গে সাবেক কোচের সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না, এমন খবর তো এসেছে অনেকবারই।
বিষয়টি কামিন্স মোটেও অস্বীকার করেননি। ল্যাঙ্গার ইস্যুতে নীরবতা ভেঙে বুধবার তিনি খোলামেলাভাবেই দলের অবস্থান পরিষ্কার করলেন। একইসঙ্গে তার কণ্ঠে ছিল সাবেক কোচের ভূমিকার প্রশংসাও।
‘মনে করি তিনি বেশ জোরাল কাজ করেছেন। অনেক পরিবর্তন করেছেন এবং দারুণ ছিলেন। তিনি সত্যিই কিছু বড় পরিবর্তন করেছেন এবং এজন্য অনেক কৃতিত্বের দাবিদার। আমার প্রশ্ন, গত কয়েক মাসের সাফল্য পাওয়াকে, আমরা কি টেকসই মনে করি? এটি সম্ভবত নানা মতের বিষয়। কিন্তু আমরা (খেলোয়াড়রা) ভেবেছিলাম এটি পরিবর্তনের সঠিক সময়।’
সম্প্রতি ল্যাঙ্গারের সঙ্গে যোগাযোগ করে কামিন্স জানিয়েছেন যে, খেলোয়াড়রা এখনো তাকে সমীহ করে। চার বছরের সময়কালে তিনি যে নির্দেশনাগুলো দিয়ে গেছেন তার প্রশংসা করেছেন।
‘গত কয়েকদিন ধরে আমরা কিছু বার্তা পেয়েছি এবং আমরা সবাই ভালো আছি। আমার দৃষ্টিকোণ থেকে, আমি তার (ল্যাঙ্গার) কাছ অনেক সম্মান পেয়েছি এবং সে যা করেছে তা আমি পছন্দ করি। আমি তার কাছে অনেক ঋণী।’
‘সে শুধুমাত্র দলের জন্য নয়, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্যও দারুণ। আমাকে অনেক সুযোগ দিয়েছে, সমর্থন করেছে। তবে হ্যাঁ, সম্ভবত আমি যা দিয়েছি সেটাই কম বা বেশি। আমরা সবাই ভালো আছি এবং আশা করি জলদি এটি সম্পর্কে কথা বলতে পারব। তিনি এমন একজন যাকে আমি ভবিষ্যতে মনে রাখব বলে নিশ্চিত।’





