প্রথমে ব্যাট হাতে এভিন লুইস এবং কাইরন পোলার্ডের তাণ্ডব। পরে বল হাতে শহিদ আফ্রিদি ‘শো’। দুইয়ে মিলে অসহায় রাজশাহী কিংস। যার ফলে সাকিব-আফ্রিদিরা ম্যাচ জিতল ৬৮ রানে। ২০২ রানের টার্গেটে রাজশাহীর ইনিংস থামে ১৩৩ রানে। ঢাকা ডাইনামাইটস কাছে চলতি আসরের ষষ্ঠ ম্যাচে চারনম্বর হার দেখল ড্যারেন স্যামির দল।
দুই শতাধিক রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা যেমন হওয়ার দরকার ছিল মোটেই তেমনটা হয়নি রাজশাহীর। স্কোর বোর্ডে ২ রান উঠতেই উইকেট হারায় তারা। এবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলে রনি তালুকদারকে সাজঘরের রাস্তা দেখান আবু হায়দার রনি। পরে তালুকদারের চেনানো পথে হেঁটেছেন অন্য ব্যাটসম্যানরাও।
শুরু আর শেষে মুমিনুল-মুশফিকদের ভুগিয়েছেন রনি। আর মাঝে জোর ঘূর্ণিতে নাস্তানুবাদ করেছেন আফ্রিদি। পাকিস্তানি লিজেন্ড একে একে ফিরিয়েছেন মুমিনুল হক (১৬), সামিট প্যাটেল (৬) এবং রাজশাহীর আগের ম্যাচের নায়ক জাকির হাসান। তবে দল না জিতলেও জাকির ছিলেন জাকিরে। আজও ২৩ বলে ৩৬ রান করেছেন তিনি। আফ্রিদির বলে ফিরেছেন মেহেদী হাসান মিরাজও। ব্যাট হাতে এই মিরাজের শিকার হয়েছিলেন আফ্রিদিও।
আফ্রিদি ছাড়াও রনি ৩টি, সাকিব ২টি ও মোহাম্মদ সাদ্দাম একটি উইকেট নেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে সূচনাটা ভালোই করেছিলেন দুই ওপেনার এভিন লুইস এবং শহিদ আফ্রিদি। তবে ৮ বলে ব্যক্তিগত ১৫ রানের মাথায় মেহেদি হাসান মিরাজের শিকার হয়ে ফেরেন আফ্রিদি। এরপর ক্রিজে আসেন উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান জহুরুল হক। তবে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ৭৫ রান এবং ব্যক্তিগত ১৩ রানে মিরাজের বলে বোল্ড হয়ে সাজঘরে ফেরেন।
জহুরুল ফিরে গেলে লুইসকে সঙ্গে দিতে আসেন নাদিফ চৌধুরী। জুটি লম্বা করতে পারেননি তারাও। দলীয় ৯৯ রান এবং ব্যক্তিগত ৬৫ রানে হোসেন আলীর বল মুমিনুলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন লুইস। তার ৩৮ বলের ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও একটি বিশাল ছক্কার মার।
লুইস ফেরার পর জুটি বড় করতে পারেননি কুমার সাঙ্গাকারা-নাদিফও। দলের সংগ্রহে মাত্র ৬ রান যোগ করার পরই হাবিবুর রহমানের শিকার হন নাদিফ চৌধুরী।
সাঙ্গাকারার সঙ্গে জুটিতে ১১ বলে মাত্র ১১ রান যোগ করেই বিদায় নেন সাকিব আল হাসান। দলীয় ১২৪ রানের মাথায় সামিট প্যাটেলের বলে হাবিবুর রহমানের তালুবন্দি হয়ে ফেরেন সাকিব।
এরপর সাঙ্গাকারাকে সঙ্গ দিতে ক্রিজে আসেন কাইরন পোলার্ড। কিন্তু দলীয় ১৮৬ রান এবং ব্যক্তিগত ২৮ রানের মাথায় হোসেন আলীর বলে হাবিবুর রহমানের হাতে ধরা পড়েন সাঙ্গাকারা।
অন্যদের আসা-যাওয়ার মধ্যে ঝড় তোলেন পোলার্ড। ২৫ বলে পাঁচটি চার ও তিন ছক্কায় ৫২ রান করে অপরাজিত থাকেন ক্যারিবীয় দানব।








